দলের সাংগঠনিক সক্ষমতা বাড়াতে ও ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব বাছাইয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন হাইকমান্ড।
ক্ষমতায় আসার পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দল ও সহযোগী সংগঠনগুলোর সাংগঠনিক কাঠামো ঢেলে সাজাতে বিশেষ তৎপরতা শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের হাইকমান্ডের সরাসরি তদারকিতে এবার গ্রুপিং রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে সৎ, দক্ষ ও সামাজিক ভাবমূর্তি সম্পন্ন নেতাদের নেতৃত্বে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে। মূলত তৃণমূলের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সমন্বয় ঘটিয়ে দলকে গতিশীল ও জনবান্ধব করাই এই পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার মূল লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখাই এখন বিএনপির সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ। দলের উচ্চ পর্যায়ের নীতিনির্ধারকরা জানিয়েছেন, শুধু অতীত ত্যাগের মানদণ্ডে নয়, বরং বিতর্কমুক্ত অবস্থান এবং জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি ইউনিটের নতুন কমিটি চূড়ান্ত করা হচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণসহ গুরুত্বপূর্ণ শাখাগুলোতে নির্বাচনমুখী ও স্বচ্ছ নেতৃত্ব নির্বাচনে কোনো প্রকার লবিং বা বলয়ভিত্তিক প্রভাব কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ ইমরান সালেহ প্রিন্স জানিয়েছেন, তাড়াহুড়া না করে অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় কমিটি গঠন করা হচ্ছে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটের কমিটি গঠনের বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গসংগঠনগুলোর দায়িত্বশীল নেতারাও জানিয়েছেন যে, হাইকমান্ডের নির্দেশনায় সংগঠনের ভাবমূর্তি রক্ষায় যোগ্য ও তরুণ নেতৃত্বের সমন্বয় ঘটিয়ে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে, যা ভবিষ্যতে মাঠ পর্যায়ের রাজনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে বিভিন্ন ইউনিটের বিরুদ্ধে নেওয়া সাংগঠনিক ব্যবস্থা দলের কঠোর অবস্থানেরই প্রতিফলন। কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে বিতর্কমুক্ত নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার এই কৌশলের ফলে দলে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ঢাকা মহানগর কমিটিসহ ছাত্রদল ও যুবদলের নতুন নেতৃত্ব ঘোষণার অপেক্ষায় হাজারো নেতাকর্মী অধীর আগ্রহে প্রতীক্ষার প্রহর গুনছেন। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে দল আরও শক্তিশালী অবস্থানে ফিরবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ
বিষয় : বিএনপি বিএনপি নেতৃত্ব বিএনপি পুনর্গঠন

বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
দলের সাংগঠনিক সক্ষমতা বাড়াতে ও ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব বাছাইয়ে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন হাইকমান্ড।
ক্ষমতায় আসার পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দল ও সহযোগী সংগঠনগুলোর সাংগঠনিক কাঠামো ঢেলে সাজাতে বিশেষ তৎপরতা শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দলের হাইকমান্ডের সরাসরি তদারকিতে এবার গ্রুপিং রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে সৎ, দক্ষ ও সামাজিক ভাবমূর্তি সম্পন্ন নেতাদের নেতৃত্বে নিয়ে আসার প্রক্রিয়া চলছে। মূলত তৃণমূলের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সমন্বয় ঘটিয়ে দলকে গতিশীল ও জনবান্ধব করাই এই পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার মূল লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।
দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রাম ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখাই এখন বিএনপির সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ। দলের উচ্চ পর্যায়ের নীতিনির্ধারকরা জানিয়েছেন, শুধু অতীত ত্যাগের মানদণ্ডে নয়, বরং বিতর্কমুক্ত অবস্থান এবং জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় নিয়ে প্রতিটি ইউনিটের নতুন কমিটি চূড়ান্ত করা হচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণসহ গুরুত্বপূর্ণ শাখাগুলোতে নির্বাচনমুখী ও স্বচ্ছ নেতৃত্ব নির্বাচনে কোনো প্রকার লবিং বা বলয়ভিত্তিক প্রভাব কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ ইমরান সালেহ প্রিন্স জানিয়েছেন, তাড়াহুড়া না করে অত্যন্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ায় কমিটি গঠন করা হচ্ছে। অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটের কমিটি গঠনের বিষয়টি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের মতো গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গসংগঠনগুলোর দায়িত্বশীল নেতারাও জানিয়েছেন যে, হাইকমান্ডের নির্দেশনায় সংগঠনের ভাবমূর্তি রক্ষায় যোগ্য ও তরুণ নেতৃত্বের সমন্বয় ঘটিয়ে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হবে, যা ভবিষ্যতে মাঠ পর্যায়ের রাজনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগে বিভিন্ন ইউনিটের বিরুদ্ধে নেওয়া সাংগঠনিক ব্যবস্থা দলের কঠোর অবস্থানেরই প্রতিফলন। কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে বিতর্কমুক্ত নেতাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার এই কৌশলের ফলে দলে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ঢাকা মহানগর কমিটিসহ ছাত্রদল ও যুবদলের নতুন নেতৃত্ব ঘোষণার অপেক্ষায় হাজারো নেতাকর্মী অধীর আগ্রহে প্রতীক্ষার প্রহর গুনছেন। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে দল আরও শক্তিশালী অবস্থানে ফিরবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন