পরিবেশ কন্ঠ
সর্বশেষ
বুড়িগঙ্গা নদী রক্ষা, দখল উচ্ছেদ, পরিচ্ছন্নতা ও খনন কার্যক্রমে জাতীয় বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দের দাবি

বুড়িগঙ্গা নদী রক্ষা, দখল উচ্ছেদ, পরিচ্ছন্নতা ও খনন কার্যক্রমে জাতীয় বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দের দাবি

বুড়িগঙ্গা নদীর দখল উচ্ছেদ, নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও পরিকল্পিত খনন কাজ পরিচালনার জন্য জাতীয় বাজেটে প্রয়োজনীয় বরাদ্দ নিশ্চিত করার দাবিতে আজ শনিবার ৬ জুন সকাল ১১.০০ টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে “বুড়িগঙ্গা বাঁচাও আন্দোলন” এর উদ্যোগে এক নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বুড়িগঙ্গা বাঁচাও আন্দোলন এর সমন্বয়ক মিহির বিশ্বাস এবং সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন বাপা'র যুগ্ম সম্পাদক ও গ্রীন ভয়েস এর কো-ফাউন্ডার  হুমায়ুন কবির সুমন। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) কেন্দ্রীয় কমিটির কোষাধ্যক্ষ আমিরুল রাসূল। সভাপতির বক্তব্যে মিহির বিস্বাস বলেন, বুড়িগঙ্গা নদী আজ অবৈধ দখল, শিল্পবর্জ্য ও অপরিকল্পিত নগরায়নের কারণে ভয়াবহ সংকটে পড়েছে। তিনি বলেন, “নদী দখলমুক্ত করা ও নিয়মিত খনন ছাড়া বুড়িগঙ্গাকে বাঁচানো সম্ভব নয়। তাই এ খাতে জাতীয় বাজেটে পৃথক ও পর্যাপ্ত বরাদ্দ এখন সময়ের দাবি।" তিনি আরও বলেন, শুধু ঘোষণার মাধ্যমে নয়, বাস্তবায়নযোগ্য পরিকল্পনা ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। নদী রক্ষায় প্রশাসন ও নাগরিক সমাজকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। বিশেষ অতিথি আমিরুল রাসূল বলেন, বুড়িগঙ্গা শুধু একটি নদী নয়, এটি ঢাকার জীবনরেখা। কিন্তু দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনায় এটি আজ মৃতপ্রায় অবস্থায় পৌঁছেছে। তিনি বলেন, “দূষণ নিয়ন্ত্রণ ও নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার জন্য টেকসই ড্রেজিং, কঠোর আইন প্রয়োগ এবং আলাদা বাজেট কাঠামো ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।” তিনি আরও বলেন, পরিবেশ রক্ষার প্রশ্নে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও প্রশাসনিক কঠোরতা অত্যন্ত জরুরি। নাগরিক সমাবেশ থেকে  ৫ দফা দাবি উথাপন করা হয় : ১. বুড়িগঙ্গা নদীর অবৈধ দখলদারদের দ্রুত উচ্ছেদ এবং নদীর সীমানা পুনঃনির্ধারণ। ২. জাতীয় বাজেটে নদী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের জন্য আলাদা ও স্থায়ী বরাদ্দ নিশ্চিত করা। ৩. বুড়িগঙ্গার নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে নিয়মিত ও বৈজ্ঞানিক ড্রেজিং কার্যক্রম বাস্তবায়ন। ৪. শিল্প ও গৃহস্থালি বর্জ্য নদীতে ফেলা বন্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ ও কার্যকর মনিটরিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা। ৫. নদী রক্ষায় স্বতন্ত্র ও শক্তিশালী নদী রক্ষা কর্তৃপক্ষ গঠন ও প্রয়োজনীয় ক্ষমতা ও বাজেট বৃদ্ধি করা।
৬ জুন ২০২৬, ০৩:০০ পিএম

কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতায় শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ

কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তাহীনতায় শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনায় গভীর উদ্বেগ

বুড়িগঙ্গা নদী রক্ষা, দখল উচ্ছেদ, পরিচ্ছন্নতা ও খনন কার্যক্রমে জাতীয় বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দের দাবি

বুড়িগঙ্গা নদী রক্ষা, দখল উচ্ছেদ, পরিচ্ছন্নতা ও খনন কার্যক্রমে জাতীয় বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দের দাবি

তুচ্ছ বিরোধের জেরে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে পেটে লাথি, যুবককে কুপিয়ে রক্তাক্ত যখম

তুচ্ছ বিরোধের জেরে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে পেটে লাথি, যুবককে কুপিয়ে রক্তাক্ত যখম

যাদুকাটা নদী ও বারেকের টিলা ভ্রমণ: তাহিরপুরের অপরূপ সৌন্দর্য ও পর্যটন সম্ভাবনা

যাদুকাটা নদী ও বারেকের টিলা ভ্রমণ: তাহিরপুরের অপরূপ সৌন্দর্য ও পর্যটন সম্ভাবনা

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে শীতলক্ষ্যা নদী রক্ষার দাবিতে প্রতিবাদ সভা

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে শীতলক্ষ্যা নদী রক্ষার দাবিতে প্রতিবাদ সভা

সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে রংপুর বিভাগে একযোগে বৃক্ষরোপণ

সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে রংপুর বিভাগে একযোগে বৃক্ষরোপণ

প্রকৃতি বাঁচলে বাঁচবে পৃথিবী, বাঁচবে মানবতার ভবিষ্যৎ

প্রকৃতি বাঁচলে বাঁচবে পৃথিবী, বাঁচবে মানবতার ভবিষ্যৎ

ঘোড়াশালে ৩০০ ফুট দৈর্ঘ্যের পতাকা টানালেন ব্রাজিল সমর্থকরা

ঘোড়াশালে ৩০০ ফুট দৈর্ঘ্যের পতাকা টানালেন ব্রাজিল সমর্থকরা

গত চার বছরের তুলনায় এ বছরে বৃক্ষ নিধনের হার সর্বনিম্ন

গত চার বছরের তুলনায় এ বছরে বৃক্ষ নিধনের হার সর্বনিম্ন

বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনা ও বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের উপায়

বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনা ও বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের উপায়

১২৪৮ ফুটবলারের রেকর্ডছোঁয়া বিশ্বকাপ আসছে

সেই ১৯৩০, আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে উরুগুয়েতে মাত্র ১৩টি দল নিয়ে শুরু হয়েছিল বিশ্বকাপের প্রথম আসর। বড়জোর ২৫০ ফুটবলার অংশ নিয়েছিল। শতবর্ষ ছুঁইছুঁই সেই বিশ্বকাপ এবার ৪৮ দলের মহাআসর। ১ হাজার ২৪৮ ফুটবলারের স্বপ্ন ছোয়াঁর মঞ্চ। ১১ জুন মেক্সিকো থেকে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপের এই ২৩তম আসরে গতকাল ছিল প্রতিটি দলের চূড়ান্ত স্কোয়াড দেওয়ার শেষ সময়। যেখানে আসর শুরুর আগেই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা। ফিফার দেওয়া তথ্যে এর আগে কখনোই বিশ্বকাপের আসরে এত বেশি সংখ্যক ফুটবলার অংশ নেয়নি। দল ও খেলোয়াড়ের সংখ্যা বাড়ার কারণে ম্যাচের সংখ্যাও বেড়ে দাঁড়িয়েছে এবার ১০৪-এ। বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে বর্ধিত এই ফরম্যাটের কারণেই আগে যে কোনো বারের চেয়ে এবার বড় উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে। উত্তর আমেরিকার তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা আর মেক্সিকোও প্রস্তুত বিশ্বকাপের সর্ববৃহৎ এই আয়োজন সফল করতে। ফিফার কাছে নাম জমা দেওয়া এই ১ হাজার ২৪৮ ফুটলারের মধ্যে এমন তিনজন রয়েছেন, যারা কিনা ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছেন। আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি, পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে এই তালিকায় মেক্সিকোর বর্ষীয়ান গোলরক্ষক গুইলারমো ওচোয়া রয়েছেন। হিসাব বলছে, এই আসরে এমন ৩৫৭ ফুটবলার রয়েছেন, যারা কিনা এর আগেও কোনো বিশ্বকাপ আসরে অংশ নিয়েছিলেন। অর্থাৎ বিশ্বকাপে এবার অভিজ্ঞদের চেয়ে তারুণ্য ও নবাগতের আধিক্যই বেশি। সব মিলিয়ে মোট ৮৯১ ফুটবলার এবার প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে পা রাখতে যাচ্ছেন। তাদের সবাই অবশ্য ফুটবলবিশ্বের কাছে একেবারে অচেনা নন। স্পেনের লামিনে ইয়ামাল, নরওয়ের আর্লিং হালান্ড যেমন এ তালিকায় আছেন, তেমনি কুরাসাওয়ের লিয়েন্দ্র বাকুনাও আছেন। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর যুক্তি, ‘ফুটবলের বিশ্বায়ন বাড়াতেই এবার দলের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এতে এমন কিছু দেশের বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন পূরণ হবে, যারা হয়তো আগে কখনোই পারেনি।’ হয়েছেও তাই; এবারই প্রথম কুরাসাও, কেপ ভার্দে, জর্ডান আর উজবেকিস্তান বিশ্বআসরে অংশ নিতে যাচ্ছে। এবারের বিশ্বকাপ দলগুলোতে বয়সের এক দারুণ বৈচিত্র্য দেখা গেছে। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে নাম লিখিয়েছেন মেক্সিকোর গিলবার্তো মোরা। মাত্র ১৭ বছর ২৪০ দিন বয়সে তিনি নাম লেখালেন বিশ্বকাপ স্কোয়াডে। তাঁর মতো এমন বছর কুড়ির নিচে ফুটবলার আছেন এবার মোট ২২ জন। আর চল্লিশোর্ধ্ব ফুটবলার আছেন মোট সাতজন। স্কটল্যান্ডের ক্রেইগ জর্ডন এবারের আসরের সবচেয়ে বুড়ো ফুটবলার। ৪৩ বছর ১৬২ দিন বয়সে যিনি বিশ্বকাপ স্কোয়াডে নাম লিখিয়েছেন। এবারের আসরেও চলবে লাতিন বনাম ইউরোপেরই লড়াই। তবে এবারে বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া ফুটবলারদের মধ্যে ইউরোপিয়ান ক্লাবগুলোর আধিপত্যই বেশি। হিসাব বলছে, ১ হাজার ২৪৮ ফুটবলার বিশ্বের ৭১টি দেশের ভিন্ন ভিন্ন মোট ৪৪৯ ক্লাবের হয়ে ফুটবল খেলে থাকেন। এই ৭১টি দেশের মধ্যে এশিয়ার ১৪টি, লাতিনের আটটি, উত্তর আমেরিকার সাতটি করে দেশ রয়েছে। ক্লাবগুলোর মধ্যে ম্যানচেস্টার সিটি সবার চেয়ে এগিয়ে। তাদের ১৯ জন ফুটবলার এবারের বিশ্বকাপে নিজ নিজ দেশের হয়ে খেলতে নামছেন। বিশ্বকাপে সৌদি আরব আর কাতার একটি অনন্য নজির তৈরি করেছে। তাদের স্কোয়াডের ২৬ জনের ২৫ জনই তাদের ঘরোয়া লিগের ফুটবলার। শেষ মুহূর্তে বড় কোনো ইনজুরি না হলে ফিফার কাছে জমা দেওয়া প্রতিটি দলের ২৬ জনের এই চূড়ান্ত স্কোয়াড আর বদলানোর কোনো সুযোগ নেই। সব মিলিয়ে এবারের আসর সত্যিকার অর্থেই রেকর্ড ভেঙে শুরু হতে যাচ্ছে।

১২৪৮ ফুটবলারের রেকর্ডছোঁয়া বিশ্বকাপ আসছে
১৩ মে ২০২৬, ১১:৪২ পিএম
পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়—এটি কি বাংলাদেশ ক্রিকেটের নতুন যুগের সূচনা?

পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়—এটি কি বাংলাদেশ ক্রিকেটের নতুন যুগের সূচনা?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন