পরিবেশ কন্ঠ
সর্বশেষ
গত চার বছরের তুলনায় এ বছরে বৃক্ষ নিধনের হার সর্বনিম্ন

গত চার বছরের তুলনায় এ বছরে বৃক্ষ নিধনের হার সর্বনিম্ন

দেশব্যাপী বৃক্ষনিধন রোধে কঠোর আইন প্রয়োগ, পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা ও পুনর্বনায়নের ওপর জোর  দেওয়ার আহবান। বাংলাদেশে পরিবেশগত ভারসাম্য, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষ ও বনভূমির গুরুত্ব অপরিসীম। অথচ উন্নয়ন প্রকল্প, অবকাঠামো নির্মাণ, নগরায়ণ, শিল্পায়ন এবং অন্যান্য কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে উদ্বেগজনক হারে বৃক্ষনিধন ও বন উজাড়ের ঘটনা ঘটছে। এই প্রেক্ষাপটে বৃহস্পতিবার ৪ জুন, ২০২৬ তারিখে  দেশের সাম্প্রতিক বৃক্ষনিধনের চিত্র, প্রবণতা ও প্রভাব তুলে ধরতে আজ রাজধানীর আগারগাঁওস্থ পরিবেশ অধিদপ্তরের কনফারেন্স রুমে “গাছ নিধন মিডিয়া মনিটরিং ও অনুসন্ধানী প্রতিবেদন ২০২৫-২৬” শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টার (আরডিআরসি)-এর গবেষণায় এই তথ্য উঠে আসে। অনুষ্ঠানের সূচনাপর্বে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন শুভাষীস দাস শুভ, গবেষক, রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টার (আরডিআরসি)। গবেষণা প্রতিবেদন (কিনোট) উপস্থাপন করেন মোঃ আমিনুর রসুল, গবেষক দলের উপদেষ্টা সদস্য, ফেলো ও ট্রেজারার, রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টার (আরডিআরসি)। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ড. মোঃ লুতফুর রহমান, মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব), পরিবেশ অধিদপ্তর। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ জিয়াউল হক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, পরিবেশ অধিদপ্তর। আলোচনা অংশগ্রহণ করেন মিহির বিশ্বাস, সমন্বয়ক, বুড়িগঙ্গা বাঁচাও আন্দোলন; এহসান রনি, প্রতিষ্ঠাতা, গ্রিন সেভারস; মোস্তফা কামাল মজুমদার, এডিটর, গ্রিন ওয়াচ; হুমায়ন কবির সুমন, গ্রিনভয়েস; রফিকুল ইসলাম আজাদ, সাবেক সভাপতি, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি; খোন্দকার রেবেকা সান ইয়াত, নির্বাহী পরিচালক, ক্যাপ; এবং গোলাম ইফতেখার মাহমুদ, চিফ এডিটর, ঢাকা স্ট্রিম। সভা সঞ্চালনা করেন নিখিল চন্দ্র ভদ্র, সমন্বয়ক, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন।গত চার বছর ধরে প্রতিবছর ধারাবাহিক ভাবে আরডিআরসি গাছ কাটার রিপোর্ট প্রকাশ করে আসছে। এবছর গবেষণা প্রতিবেদনে এপ্রিল ২০২৫ থেকে এপ্রিল ২০২৬ সময়কালে দেশের বিভিন্ন জাতীয় ও আঞ্চলিক গণমাধ্যমে প্রকাশিত বৃক্ষনিধন ও বন উজাড়সংক্রান্ত সংবাদ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। গবেষণায় দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সংঘটিত গাছ কাটার ঘটনা, উন্নয়ন প্রকল্পের কারণে বৃক্ষ অপসারণ, বনভূমি ধ্বংসের প্রবণতা এবং এর পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব তুলে ধরা হয়েছে। আরডিআরসির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয় যে, নির্বিচারে বৃক্ষনিধন জীববৈচিত্র্য হ্রাস, তাপমাত্রা বৃদ্ধি, মাটিক্ষয়, জলাধার ও বাস্তুতন্ত্রের অবক্ষয় এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখছে। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে দেশে মোট ৫২,৩৭৫টি গাছ নিধনের ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, যা ২০২৪–২৫ অর্থবছরের ১,৮১,৮১৮টি গাছ নিধনের তুলনায় ৭১.২ শতাংশ কম। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে বৃক্ষনিধনের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে। ২০২৪–২৫ অর্থবছরে খুলনা (৮৫,০০০টি) ও লক্ষ্মীপুর (১৫,২৪২টি) জেলায় সর্বাধিক গাছ কাটার ঘটনা নথিভুক্ত হলেও, ২০২৫–২৬ অর্থবছরে রাজশাহী (২৩,০৪১টি) ও কক্সবাজার (১১,০০০টি) জেলায় সর্বাধিক বৃক্ষনিধনের তথ্য পাওয়া গেছে। গবেষনা রিপোর্টে বন বিভাগ, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, এলজিইডি, পানি উন্নয়ন বোর্ড, সিটি করপোরেশনসহ বিভিন্ন সরকারি সংস্থা, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, কাঠ ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বৃক্ষনিধনের অভিযোগ উঠে এসেছে। অন্তর্বতী সরকার সময়ে বন পুনরুদ্ধার কার্যক্রমের আওতায় ৫,০৯৩ একর দখলকৃত বনভূমি পুনরুদ্ধার ও পুনর্বনায়ন করা হয়। এছাড়া সোনাদিয়া দ্বীপে ৯,৪৬৭ একর, কক্সবাজারে ৭০০ একর এবং অন্যান্য এলাকাসহ মোট প্রায় ২,৮০,৪৩৮ একর বনভূমি পুনরুদ্ধার বা সংরক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে। এছাড়া ২০২৬ সালের এপ্রিলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ সম্প্রসারণ প্রকল্পে গাছ না কেটে বিকল্প নকশা গ্রহণের নির্দেশনা দেন, যার ফলে প্রায় ৩,০০০ গাছ রক্ষা পায়। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে রিভার অ্যান্ড ডেল্টা রিসার্চ সেন্টার (আরডিআরসি), গ্রীনভয়েস, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলন এবং ন্যাশনাল ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যাকশন ফোরাম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. মোঃ লুতফুর রহমান বলেন, আমাদের পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিবেশ দিবসে প্রথম কাজই হচ্ছে বৃক্ষরোপণ অভিজান শুরু করা।প্রধানমন্ত্রী পরিবেশ দিবসে ডুলাহাজরা থেকে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির সুচনা করবেন।পরিবেশ মন্ত্রণালয় শতবর্ষী গাছ বাচিয়ে কাবর্ন নিস্ব:রন এর প্রভাব থেকে আমাদের দেশকে রক্ষা করতে পারবো।এই রকম মনিটরিং রিপোর্ট এর মত কাজের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃষ্টি করা সম্ভব। প্রধান বক্তা মোঃ জিয়াউল হক প্রতিবেদনের গুরুত্ব তুলে ধরে বৃক্ষ নিধন রোধে সকলের সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানান। এ সময় তিনি সরকারের প্রণীত বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণ আইন, ২০২৬-এর বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি যুব সংগঠন, পরিবেশবিদ, সরকারি মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বন ও বৃক্ষ সংরক্ষণে কার্যকর ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মিহির বিশ্বাস, সমন্বয়ক, বুড়িগঙ্গা বাঁচাও আন্দোলন বলেন,আমরা অন্ধকারে আছি। এই রিপোর্টই বলে দেয় কত গাছ কাটা হলো কত গাছ লাগানো হলো। আগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে গাছ কাটা হতো। সকলের সম্মেলিত  অংশগ্রহণ এর মাধ্যমেই এই ঢাকাকে সবুজ করা সম্ভব। প্রতিবেদনে বন ও বৃক্ষসম্পদ সংরক্ষণে নয়টি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে। ১) বন আইন ও নীতিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা ২) জাতীয় বন ও বৃক্ষনিধন পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলা ৩) টেকসই কৃষি ও কৃষিবনায়ন সম্প্রসারণ ৪) নগর পরিকল্পনায় সবুজ অবকাঠামো অন্তর্ভুক্ত করা ৫) ব্যাপক বৃক্ষরোপণ ও পুনর্বনায়ন কর্মসূচি গ্রহণ ৬) জনসচেতনতা ও পরিবেশ শিক্ষা জোরদার করা ৭) আদিবাসী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অধিকার নিশ্চিত করা ৮) বিকল্প জীবিকা ও আয়বর্ধক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা ৯) আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
৪ জুন ২০২৬, ০৮:৩৯ পিএম

ঘোড়াশালে ৩০০ ফুট দৈর্ঘ্যের পতাকা টানালেন ব্রাজিল সমর্থকরা

ঘোড়াশালে ৩০০ ফুট দৈর্ঘ্যের পতাকা টানালেন ব্রাজিল সমর্থকরা

গত চার বছরের তুলনায় এ বছরে বৃক্ষ নিধনের হার সর্বনিম্ন

গত চার বছরের তুলনায় এ বছরে বৃক্ষ নিধনের হার সর্বনিম্ন

বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনা ও বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের উপায়

বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির সম্ভাবনা ও বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের উপায়

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ৮ সদস্যের কমিটি গঠন: পানিসম্পদমন্ত্রী

তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে ৮ সদস্যের কমিটি গঠন: পানিসম্পদমন্ত্রী

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্য পুনর্বিবেচনা করেছে কর্তৃপক্ষ

গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যুতের মূল্য পুনর্বিবেচনা করেছে কর্তৃপক্ষ

বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি

বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি

তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, অতিষ্ঠ জনজীবন

তীব্র তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, অতিষ্ঠ জনজীবন

১২৪৮ ফুটবলারের রেকর্ডছোঁয়া বিশ্বকাপ আসছে

১২৪৮ ফুটবলারের রেকর্ডছোঁয়া বিশ্বকাপ আসছে

বাংলাদেশের জলবায়ু সংকট ও ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি

বাংলাদেশের জলবায়ু সংকট ও ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি

ঢাকা বোর্ডের একাদশ শ্রেণির ই-সিফ পূরণ ও বোর্ড পরিবর্তনের রেজিস্ট্রেশনের ঘোষনা

ঢাকা বোর্ডের একাদশ শ্রেণির ই-সিফ পূরণ ও বোর্ড পরিবর্তনের রেজিস্ট্রেশনের ঘোষনা

১২৪৮ ফুটবলারের রেকর্ডছোঁয়া বিশ্বকাপ আসছে

সেই ১৯৩০, আটলান্টিক পাড়ি দিয়ে উরুগুয়েতে মাত্র ১৩টি দল নিয়ে শুরু হয়েছিল বিশ্বকাপের প্রথম আসর। বড়জোর ২৫০ ফুটবলার অংশ নিয়েছিল। শতবর্ষ ছুঁইছুঁই সেই বিশ্বকাপ এবার ৪৮ দলের মহাআসর। ১ হাজার ২৪৮ ফুটবলারের স্বপ্ন ছোয়াঁর মঞ্চ। ১১ জুন মেক্সিকো থেকে শুরু হতে যাওয়া বিশ্বকাপের এই ২৩তম আসরে গতকাল ছিল প্রতিটি দলের চূড়ান্ত স্কোয়াড দেওয়ার শেষ সময়। যেখানে আসর শুরুর আগেই রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা। ফিফার দেওয়া তথ্যে এর আগে কখনোই বিশ্বকাপের আসরে এত বেশি সংখ্যক ফুটবলার অংশ নেয়নি। দল ও খেলোয়াড়ের সংখ্যা বাড়ার কারণে ম্যাচের সংখ্যাও বেড়ে দাঁড়িয়েছে এবার ১০৪-এ। বিশ্বকাপের ৯৬ বছরের ইতিহাসে বর্ধিত এই ফরম্যাটের কারণেই আগে যে কোনো বারের চেয়ে এবার বড় উৎসবের আবহ তৈরি হয়েছে। উত্তর আমেরিকার তিন দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা আর মেক্সিকোও প্রস্তুত বিশ্বকাপের সর্ববৃহৎ এই আয়োজন সফল করতে। ফিফার কাছে নাম জমা দেওয়া এই ১ হাজার ২৪৮ ফুটলারের মধ্যে এমন তিনজন রয়েছেন, যারা কিনা ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাচ্ছেন। আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি, পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সঙ্গে এই তালিকায় মেক্সিকোর বর্ষীয়ান গোলরক্ষক গুইলারমো ওচোয়া রয়েছেন। হিসাব বলছে, এই আসরে এমন ৩৫৭ ফুটবলার রয়েছেন, যারা কিনা এর আগেও কোনো বিশ্বকাপ আসরে অংশ নিয়েছিলেন। অর্থাৎ বিশ্বকাপে এবার অভিজ্ঞদের চেয়ে তারুণ্য ও নবাগতের আধিক্যই বেশি। সব মিলিয়ে মোট ৮৯১ ফুটবলার এবার প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে পা রাখতে যাচ্ছেন। তাদের সবাই অবশ্য ফুটবলবিশ্বের কাছে একেবারে অচেনা নন। স্পেনের লামিনে ইয়ামাল, নরওয়ের আর্লিং হালান্ড যেমন এ তালিকায় আছেন, তেমনি কুরাসাওয়ের লিয়েন্দ্র বাকুনাও আছেন। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর যুক্তি, ‘ফুটবলের বিশ্বায়ন বাড়াতেই এবার দলের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এতে এমন কিছু দেশের বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন পূরণ হবে, যারা হয়তো আগে কখনোই পারেনি।’ হয়েছেও তাই; এবারই প্রথম কুরাসাও, কেপ ভার্দে, জর্ডান আর উজবেকিস্তান বিশ্বআসরে অংশ নিতে যাচ্ছে। এবারের বিশ্বকাপ দলগুলোতে বয়সের এক দারুণ বৈচিত্র্য দেখা গেছে। টুর্নামেন্টের সবচেয়ে কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে নাম লিখিয়েছেন মেক্সিকোর গিলবার্তো মোরা। মাত্র ১৭ বছর ২৪০ দিন বয়সে তিনি নাম লেখালেন বিশ্বকাপ স্কোয়াডে। তাঁর মতো এমন বছর কুড়ির নিচে ফুটবলার আছেন এবার মোট ২২ জন। আর চল্লিশোর্ধ্ব ফুটবলার আছেন মোট সাতজন। স্কটল্যান্ডের ক্রেইগ জর্ডন এবারের আসরের সবচেয়ে বুড়ো ফুটবলার। ৪৩ বছর ১৬২ দিন বয়সে যিনি বিশ্বকাপ স্কোয়াডে নাম লিখিয়েছেন। এবারের আসরেও চলবে লাতিন বনাম ইউরোপেরই লড়াই। তবে এবারে বিশ্বকাপ খেলতে যাওয়া ফুটবলারদের মধ্যে ইউরোপিয়ান ক্লাবগুলোর আধিপত্যই বেশি। হিসাব বলছে, ১ হাজার ২৪৮ ফুটবলার বিশ্বের ৭১টি দেশের ভিন্ন ভিন্ন মোট ৪৪৯ ক্লাবের হয়ে ফুটবল খেলে থাকেন। এই ৭১টি দেশের মধ্যে এশিয়ার ১৪টি, লাতিনের আটটি, উত্তর আমেরিকার সাতটি করে দেশ রয়েছে। ক্লাবগুলোর মধ্যে ম্যানচেস্টার সিটি সবার চেয়ে এগিয়ে। তাদের ১৯ জন ফুটবলার এবারের বিশ্বকাপে নিজ নিজ দেশের হয়ে খেলতে নামছেন। বিশ্বকাপে সৌদি আরব আর কাতার একটি অনন্য নজির তৈরি করেছে। তাদের স্কোয়াডের ২৬ জনের ২৫ জনই তাদের ঘরোয়া লিগের ফুটবলার। শেষ মুহূর্তে বড় কোনো ইনজুরি না হলে ফিফার কাছে জমা দেওয়া প্রতিটি দলের ২৬ জনের এই চূড়ান্ত স্কোয়াড আর বদলানোর কোনো সুযোগ নেই। সব মিলিয়ে এবারের আসর সত্যিকার অর্থেই রেকর্ড ভেঙে শুরু হতে যাচ্ছে।

১২৪৮ ফুটবলারের রেকর্ডছোঁয়া বিশ্বকাপ আসছে
১৩ মে ২০২৬, ১১:৪২ পিএম
পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়—এটি কি বাংলাদেশ ক্রিকেটের নতুন যুগের সূচনা?

পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়—এটি কি বাংলাদেশ ক্রিকেটের নতুন যুগের সূচনা?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন