বুধবার সন্ধ্যায় গুলশানের বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করা হয় আওয়ামী লীগের সাবেক এই প্রভাবশালী নেতাকে; সকালে আদালতে হাজিরা দিয়ে আত্মসমর্পণের ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি।সাবেক ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী এবং প্রবীণ রাজনীতিবিদ আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত তাঁর নিজ বাসভবন থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। মূলত ২০১৩ সালের মে মাসে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ডিবির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা একটি মামলায় লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল এবং সেই আইনি বাধ্যবাধকতা মেনেই ডিবি পুলিশ এই অভিযান পরিচালনা করেছে। দিনভর নানা নাটকীয়তার পর সন্ধ্যার এই গ্রেপ্তার রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। উল্লেখ্য যে, আজ বুধবার সকালেই লতিফ সিদ্দিকী ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অন্য একটি মামলায় হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন যে, শাপলা চত্বরের ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার খবর তিনি পেয়েছেন। তিনি দাবি করেন, আইনের প্রতি তাঁর পূর্ণ শ্রদ্ধা রয়েছে এবং তিনি কোনোভাবেই আত্মগোপন করতে চান না। বরং আগামী সপ্তাহের শুরুতেই তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সশরীরে হাজির হয়ে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন। তবে ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার আগেই ডিবি পুলিশ তাঁকে তাঁর গুলশানের ডেরা থেকে হেফাজতে নেয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুল লতিফ সিদ্দিকী আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে দীর্ঘকাল যুক্ত ছিলেন এবং পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে ২০১৪ সালে হজ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে তিনি দলের ভেতরে-বাইরে সমালোচিত হন এবং একপর্যায়ে মন্ত্রিত্ব ও দলীয় পদ হারান। ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয়লাভ করলেও ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে সংসদ বিলুপ্ত হওয়ার পর তিনি তাঁর পদ হারান। শাপলা চত্বরের ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে তিনি বারবারই বলে এসেছেন যে, তিনি সে সময়কার কোনো নীতিনির্ধারণী বিষয়ে জড়িত ছিলেন না। বর্তমানে তাঁকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে রাখা হয়েছে। পরি-কন্ঠ/মুয়াজ
নতুন এক গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া বেশির ভাগ টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।
আপনি কি মনে করেন, প্রতিদিন যে টুথপেস্ট দিয়ে দাঁত ব্রাশ করছি, সেটি সত্যিই নিরাপদ?