পহেলা বৈশাখ কেবল পঞ্জিকার একটি নতুন দিন নয়, বরং এটি বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এক অক্ষয় দর্পণ। বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-এর এই শুভক্ষণে দেশ ও বিদেশের সকল বাংলাভাষীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার এক বিশেষ বাণীতে তিনি বলেন, নতুনের এই আবাহন আমাদের অতীতের জীর্ণতাকে দূরে ঠেলে সুন্দর আগামীর পথে চলার অনুপ্রেরণা জোগায়। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশের কৃষিভিত্তিক সমাজব্যবস্থার সঙ্গে বৈশাখের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। এই দিনটির মাধ্যমে আমাদের ঐতিহ্যবাহী লোকজ সংস্কৃতি নতুনভাবে প্রাণ পায়।তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের মাঝেও কৃষি ও প্রকৃতির এই চিরায়ত মেলবন্ধনই আমাদের সংস্কৃতির সার্থকতা। গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, দেড় দশকের দুঃশাসন শেষে নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে পথ চলা শুরু হয়েছে, তা সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে সচেষ্ট। এই লক্ষ্যেই পহেলা বৈশাখ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করছে ‘কৃষক কার্ড’, যা কৃষি অর্থনীতিতে বিপ্লব আনবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন। এছাড়া নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ফ্যামিলি কার্ড ও ধর্মগুরুদের জন্য সহায়তা কর্মসূচির কথাও স্মরণ করিয়ে দেন তিনি। বাণীতে প্রধানমন্ত্রী ধর্মীয় সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের আহ্বান জানিয়ে একটি উন্নত ও মানবিক রাষ্ট্র গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুন বছরের সূর্যোদয় সবার জীবনে সমৃদ্ধি আর স্বস্তি বয়ে আনবে। পরি-কন্ঠ/মুয়াজ