পরিবেশ কন্ঠ

About Us

আমাদের সম্পর্কে – ফ্যাক্টচেক বিভাগ

দৈনিক পরিবেশ কণ্ঠ

বর্তমান ডিজিটাল যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিস্তারের ফলে যেকোনো তথ্য খুব দ্রুত লাখো মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। ইন্টারনেট সহজলভ্য হওয়ায় তথ্য পাওয়া এখন আগের চেয়ে অনেক সহজ হলেও, সেই তথ্যের সত্যতা, নির্ভরযোগ্যতা এবং যথার্থতা যাচাই করা সবার পক্ষে সম্ভব হয় না।

ফলে প্রতিনিয়ত ছড়িয়ে পড়ছে—

  • অপতথ্য
  • কুতথ্য
  • বিভ্রান্তিকর তথ্য
  • গুজব
  • বানোয়াট দাবি
  • বিকৃত তথ্য

এসব ভুল তথ্য শনাক্ত করা, সত্য যাচাই করা এবং পাঠকদের কাছে নির্ভরযোগ্য তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যেই দৈনিক পরিবেশ কণ্ঠ ফ্যাক্টচেক বিভাগ যাত্রা শুরু করে।


আমাদের যাত্রা

বাংলা অনলাইন সংবাদমাধ্যম হিসেবে দৈনিক পরিবেশ কণ্ঠ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে সংবাদ, পরিবেশ, সমাজ ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট নির্ভরযোগ্য তথ্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে।

ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিস্তার বাড়তে থাকায় প্রতিষ্ঠানটির একটি বিশেষ ইউনিট হিসেবে ফ্যাক্টচেক বিভাগ চালু করা হয়।

বাংলাদেশে বিভিন্ন স্বতন্ত্র ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান থাকলেও, মূলধারার সংবাদমাধ্যমের অংশ হিসেবে দায়িত্বশীল তথ্য যাচাই কার্যক্রম পরিচালনা করাই আমাদের অন্যতম লক্ষ্য।


আমরা কী যাচাই করি?

দৈনিক পরিবেশ কণ্ঠ ফ্যাক্টচেক বিভাগ নিয়মিত যাচাই করে—

  • সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল দাবি
  • রাজনৈতিক বক্তব্য
  • অর্থনৈতিক তথ্য
  • ধর্মীয় দাবি
  • শিক্ষা বিষয়ক বিভ্রান্তিকর তথ্য
  • স্বাস্থ্য সংক্রান্ত ভুল তথ্য
  • ইতিহাস বিকৃতি
  • পরিবেশ সংক্রান্ত ভুল তথ্য
  • সংস্কৃতি বিষয়ক বিভ্রান্তি
  • ভাইরাল ছবি ও ভিডিও
  • জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট যেকোনো দাবি

যখনই কোনো ভুল, বিভ্রান্তিকর বা অসত্য তথ্য আমাদের নজরে আসে, আমরা সেটি যাচাই করে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করি।


আমাদের প্রতিবেদনের বৈশিষ্ট্য

আমাদের প্রতিটি ফ্যাক্টচেক প্রতিবেদনে থাকে—

  • নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র
  • প্রমাণভিত্তিক বিশ্লেষণ
  • প্রয়োজনীয় নথিপত্র
  • তথ্যের উৎস
  • স্ক্রিনশট
  • ছবি/ভিডিও যাচাই
  • ব্যাখ্যাসহ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

যাতে পাঠকরাও চাইলে নিজেরা তথ্য যাচাই করতে পারেন।


মাল্টিমিডিয়া ফ্যাক্টচেক

শুধু লিখিত প্রতিবেদনের মধ্যেই আমরা সীমাবদ্ধ নই।

দৈনিক পরিবেশ কণ্ঠ ফ্যাক্টচেক কনটেন্ট প্রকাশ করা হয়—

  • ওয়েবসাইটে
  • Facebook
  • YouTube
  • Instagram
  • অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে

গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোতে আমরা ভিডিও ফ্যাক্টচেকও প্রকাশ করি, যাতে দীর্ঘ লেখা পড়তে অনাগ্রহী পাঠকরাও সহজে তথ্য জানতে পারেন।


পাঠকের অংশগ্রহণ

পাঠক চাইলে কোনো তথ্য যাচাইয়ের অনুরোধ জানাতে পারেন।

অভিযোগ, মতামত বা তথ্য যাচাইয়ের অনুরোধ পাঠাতে যোগাযোগ করুন:

ই-মেইল: poribeshkantho@gmail.com

ওয়েবসাইট: দৈনিক পরিবেশ কণ্ঠ


আমাদের নিরপেক্ষতা নীতি

দৈনিক পরিবেশ কণ্ঠ ফ্যাক্টচেক বিভাগ শতভাগ নিরপেক্ষতা বজায় রাখার চেষ্টা করে।

আমরা—

  • রাজনৈতিক পক্ষপাত এড়িয়ে চলি
  • মতাদর্শগত প্রভাবমুক্ত থাকার চেষ্টা করি
  • ব্যক্তিগত স্বার্থ থেকে দূরে থাকি
  • শুধুমাত্র প্রমাণনির্ভর সিদ্ধান্ত প্রকাশ করি

ফ্যাক্টচেকার নিয়োগ নীতি

ফ্যাক্টচেক বিভাগের সদস্যদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো—

তারা কোনো রাজনৈতিক সংগঠন, প্রোপাগান্ডা গ্রুপ, অ্যাকটিভিস্ট সংগঠন অথবা জনমতকে প্রভাবিত করতে পারে—এমন কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারবেন না।


ভুল সংশোধন নীতি

আমাদের লক্ষ্য শতভাগ নির্ভুলতা।

তবে কোনো প্রতিবেদনে ভুল তথ্য, অস্পষ্টতা বা বিভ্রান্তির সুযোগ থাকলে আমরা দ্রুত সংশোধনী প্রকাশ করি।

স্বচ্ছতা বজায় রাখা আমাদের অন্যতম অঙ্গীকার।


আন্তর্জাতিক মানদণ্ড

দৈনিক পরিবেশ কণ্ঠ ফ্যাক্টচেক বিভাগ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত ফ্যাক্টচেকিং নীতিমালা অনুসরণ করে।

আমরা International Fact-Checking Network–এর Code of Principles অনুসরণ করার চেষ্টা করি।


আমাদের কাজের পদ্ধতি

১. দাবি শনাক্তকরণ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, সংবাদমাধ্যম এবং জনপরিসরে ভাইরাল দাবিগুলো পর্যবেক্ষণ করা হয়।

২. গবেষণা

দাবি যাচাইয়ে ব্যবহার করা হয়—

  • সার্চ ইঞ্জিন
  • ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্স
  • রিভার্স ইমেজ সার্চ
  • ভিডিও যাচাই টুল
  • দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম
  • ফ্যাক্টচেকিং প্ল্যাটফর্ম

৩. বিশেষজ্ঞ মতামত

প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হয়।

৪. সম্পাদকীয় যাচাই

ফ্যাক্টচেকার ও সম্পাদক যৌথভাবে তথ্য যাচাই করেন।

৫. চূড়ান্ত প্রকাশ

সব তথ্য যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় সূত্র ও নথিপত্রসহ প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

৬. সোশ্যাল মিডিয়া প্রচার

প্রকাশিত তথ্য ফটোকার্ড, ভিডিও ও শর্ট কনটেন্ট আকারে সামাজিক মাধ্যমে প্রচার করা হয়।


আমাদের অঙ্গীকার

সত্যের পক্ষে।
গুজবের বিরুদ্ধে।
জনস্বার্থে।

দৈনিক পরিবেশ কণ্ঠ বিশ্বাস করে—
সঠিক তথ্যই একটি সচেতন সমাজ গঠনের সবচেয়ে বড় শক্তি।