হলটির নাম পরিবর্তনের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক অনুমোদন না থাকায় পুনরায় মূল নামফলক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রধান ফটকে আবারও পুরনো নামফলক ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত বুধবার দুপুরে হলের ফটক থেকে জোরপূর্বক বসানো ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ লেখা নামফলকটি অপসারণের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া শুরু করে কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটে নাম পরিবর্তনের কোনো চূড়ান্ত অনুমোদন না থাকায় এমন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট মহল।
গত বছরের ২০ ডিসেম্বর রাতে শিক্ষার্থীরা ক্রেন ব্যবহার করে হলের প্রধান ফটকের নামফলক পরিবর্তন করেছিলেন। তৎকালীন পরিস্থিতি ও শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে হলটির নাম বদলে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ লিখে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে সিন্ডিকেট সভায় নাম পরিবর্তনের সুপারিশ করা হলেও তা প্রশাসনিক বৈধতা পায়নি। মূলত প্রাতিষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়া হলের নাম পরিবর্তনের এই প্রক্রিয়াটিকে অবৈধ বিবেচনা করেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখন আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ইসরাফিল রতন জানান, হলটির বর্তমান নামটি শিক্ষার্থীদের নিজস্ব উদ্যোগ ও দাবির প্রেক্ষিতে লেখা হয়েছিল, যা প্রশাসনের নীতিনির্ধারণী স্তরে কোনো অনুমোদন পায়নি। তাই হল প্রশাসন আগের নামফলকটিই পুনরায় প্রতিস্থাপনের কাজ শুরু করেছে। এ বিষয়ে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া সম্ভব হয়নি। ক্যাম্পাসে বর্তমানে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বজায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের নাম পরিবর্তনের জোরালো দাবি ওঠে। শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে কাজী নজরুল ইসলাম হলের দাবিও তুলেছিল শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। তবে প্রশাসনিক নিয়ম ও সিন্ডিকেটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়া যেকোনো নাম পরিবর্তনকে নিয়মবহির্ভূত হিসেবেই দেখছে বর্তমান প্রশাসন। হলের প্রধান ফটকে আবারও মূল নামফলক স্থাপনের মধ্য দিয়ে একটি দীর্ঘস্থায়ী বিতর্কের সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হলটির নাম পরিবর্তনের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক অনুমোদন না থাকায় পুনরায় মূল নামফলক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রধান ফটকে আবারও পুরনো নামফলক ফিরিয়ে আনার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গত বুধবার দুপুরে হলের ফটক থেকে জোরপূর্বক বসানো ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ লেখা নামফলকটি অপসারণের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া শুরু করে কর্তৃপক্ষ। বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটে নাম পরিবর্তনের কোনো চূড়ান্ত অনুমোদন না থাকায় এমন প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট মহল।
গত বছরের ২০ ডিসেম্বর রাতে শিক্ষার্থীরা ক্রেন ব্যবহার করে হলের প্রধান ফটকের নামফলক পরিবর্তন করেছিলেন। তৎকালীন পরিস্থিতি ও শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে হলটির নাম বদলে ‘শহীদ ওসমান হাদি হল’ লিখে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে সিন্ডিকেট সভায় নাম পরিবর্তনের সুপারিশ করা হলেও তা প্রশাসনিক বৈধতা পায়নি। মূলত প্রাতিষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়া হলের নাম পরিবর্তনের এই প্রক্রিয়াটিকে অবৈধ বিবেচনা করেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখন আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ইসরাফিল রতন জানান, হলটির বর্তমান নামটি শিক্ষার্থীদের নিজস্ব উদ্যোগ ও দাবির প্রেক্ষিতে লেখা হয়েছিল, যা প্রশাসনের নীতিনির্ধারণী স্তরে কোনো অনুমোদন পায়নি। তাই হল প্রশাসন আগের নামফলকটিই পুনরায় প্রতিস্থাপনের কাজ শুরু করেছে। এ বিষয়ে হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া সম্ভব হয়নি। ক্যাম্পাসে বর্তমানে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বজায় রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের নাম পরিবর্তনের জোরালো দাবি ওঠে। শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম পরিবর্তন করে কাজী নজরুল ইসলাম হলের দাবিও তুলেছিল শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। তবে প্রশাসনিক নিয়ম ও সিন্ডিকেটের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়া যেকোনো নাম পরিবর্তনকে নিয়মবহির্ভূত হিসেবেই দেখছে বর্তমান প্রশাসন। হলের প্রধান ফটকে আবারও মূল নামফলক স্থাপনের মধ্য দিয়ে একটি দীর্ঘস্থায়ী বিতর্কের সমাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন