বিশ্ব রাজনীতির উত্তপ্ত আবহে এবার বরফ গলার ইঙ্গিত মিলছে দীর্ঘদিনের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে। মার্কিন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক এক মন্তব্য ঘিরে বিশ্বজুড়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী দুই দিনের মধ্যেই ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সংলাপ শুরু হতে পারে। আলোচনার সম্ভাব্য কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যাওয়ার ব্যাপারে নিজেদের প্রবল আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেছেন তিনি।
এর আগে পাকিস্তানের রাজধানীতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের মধ্যে একটি প্রাথমিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়াই তা শেষ হয়। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের মাধ্যমে বার্তা বিনিময়ের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, পরবর্তী দফার আলোচনার জন্য এখন ইসলামাবাদ ও তুরস্কের ইস্তাম্বুলের নাম গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এবারের আলোচনায় প্রধান তিনটি অমীমাংসিত বিষয় টেবিলের ওপর রয়েছে। প্রথমটি হলো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি—যেখানে ওয়াশিংটন ২০ বছরের জন্য এই প্রক্রিয়া স্থগিতের প্রস্তাব দিলেও তেহরান ৫ বছরের পক্ষপাতী। দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুটি হলো বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের প্রাণকেন্দ্র হরমুজ প্রণালি ব্যবস্থাপনা, যার ভবিষ্যৎ নিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নতুন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করছেন। এছাড়া ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ৪৫০ কেজির বেশি ইউরেনিয়াম মজুদ সরিয়ে নেওয়া বা সেটির মাত্রা ৩ শতাংশে নামিয়ে আনার বিষয়টিও আলোচনার টেবিলে স্থান পেতে পারে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দুই পক্ষের নমনীয় অবস্থান শেষ পর্যন্ত একটি টেকসই চুক্তির পথে হাঁটার পথ প্রশস্ত করতে পারে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
বিশ্ব রাজনীতির উত্তপ্ত আবহে এবার বরফ গলার ইঙ্গিত মিলছে দীর্ঘদিনের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে। মার্কিন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক এক মন্তব্য ঘিরে বিশ্বজুড়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন, আগামী দুই দিনের মধ্যেই ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের সংলাপ শুরু হতে পারে। আলোচনার সম্ভাব্য কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যাওয়ার ব্যাপারে নিজেদের প্রবল আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেছেন তিনি।
এর আগে পাকিস্তানের রাজধানীতে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফের মধ্যে একটি প্রাথমিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ছাড়াই তা শেষ হয়। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের মাধ্যমে বার্তা বিনিময়ের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, পরবর্তী দফার আলোচনার জন্য এখন ইসলামাবাদ ও তুরস্কের ইস্তাম্বুলের নাম গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এবারের আলোচনায় প্রধান তিনটি অমীমাংসিত বিষয় টেবিলের ওপর রয়েছে। প্রথমটি হলো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি—যেখানে ওয়াশিংটন ২০ বছরের জন্য এই প্রক্রিয়া স্থগিতের প্রস্তাব দিলেও তেহরান ৫ বছরের পক্ষপাতী। দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুটি হলো বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের প্রাণকেন্দ্র হরমুজ প্রণালি ব্যবস্থাপনা, যার ভবিষ্যৎ নিয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নতুন দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করছেন। এছাড়া ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ৪৫০ কেজির বেশি ইউরেনিয়াম মজুদ সরিয়ে নেওয়া বা সেটির মাত্রা ৩ শতাংশে নামিয়ে আনার বিষয়টিও আলোচনার টেবিলে স্থান পেতে পারে। কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দুই পক্ষের নমনীয় অবস্থান শেষ পর্যন্ত একটি টেকসই চুক্তির পথে হাঁটার পথ প্রশস্ত করতে পারে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন