পুব আকাশে নতুন সূর্যের আভা ছড়িয়ে পড়তেই রাজধানীর রমনার বটমূলে শুরু হয়েছে বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণস্পন্দন ‘ছায়ানট’-এর ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ আয়োজন। মঙ্গলবার ভোরে ‘জাগো আলোক-লগনে’ গানের সুরে ১৪৩১ বঙ্গাব্দকে স্বাগত জানান শিল্পীরা।
এবারের পহেলা বৈশাখের এই আয়োজনে ছায়ানটের মূল সুর ছিল বিশ্বকবির কালজয়ী পঙ্ক্তি— ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’। অনুষ্ঠানের ৫৯তম এই পর্বে প্রভাতের স্নিগ্ধতা, দেশপ্রেম এবং মানবতা জাগরণের সুরের মাধ্যমে এক অসাম্প্রদায়িক ও উদার সমাজ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। বিগত বছরের সব গ্লানি ও জীর্ণতাকে পেছনে ফেলে একটি মানবিক ও সংস্কৃতিমনা সমাজ গড়ার লক্ষ্যে ছায়ানটের এবারের আহ্বান ছিল নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে সংস্কৃতি চর্চার অধিকার।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, লালন শাহ থেকে শুরু করে দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ও লোকজ সুরের এই অনন্য সংমিশ্রণে রমনার সবুজ প্রান্তর হয়ে ওঠে এক উৎসবমুখর মিলনমেলা। শত বাধা বিপত্তি ডিঙিয়ে বাঙালির আত্মপরিচয়ের এই উৎসব নতুন বছরে এক নতুন আশার আলো সঞ্চার করেছে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ
বিষয় : পহেলা বৈশাখ

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ এপ্রিল ২০২৬
পুব আকাশে নতুন সূর্যের আভা ছড়িয়ে পড়তেই রাজধানীর রমনার বটমূলে শুরু হয়েছে বাঙালি সংস্কৃতির প্রাণস্পন্দন ‘ছায়ানট’-এর ঐতিহ্যবাহী বর্ষবরণ আয়োজন। মঙ্গলবার ভোরে ‘জাগো আলোক-লগনে’ গানের সুরে ১৪৩১ বঙ্গাব্দকে স্বাগত জানান শিল্পীরা।
এবারের পহেলা বৈশাখের এই আয়োজনে ছায়ানটের মূল সুর ছিল বিশ্বকবির কালজয়ী পঙ্ক্তি— ‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’। অনুষ্ঠানের ৫৯তম এই পর্বে প্রভাতের স্নিগ্ধতা, দেশপ্রেম এবং মানবতা জাগরণের সুরের মাধ্যমে এক অসাম্প্রদায়িক ও উদার সমাজ গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। বিগত বছরের সব গ্লানি ও জীর্ণতাকে পেছনে ফেলে একটি মানবিক ও সংস্কৃতিমনা সমাজ গড়ার লক্ষ্যে ছায়ানটের এবারের আহ্বান ছিল নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে সংস্কৃতি চর্চার অধিকার।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম, লালন শাহ থেকে শুরু করে দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ও লোকজ সুরের এই অনন্য সংমিশ্রণে রমনার সবুজ প্রান্তর হয়ে ওঠে এক উৎসবমুখর মিলনমেলা। শত বাধা বিপত্তি ডিঙিয়ে বাঙালির আত্মপরিচয়ের এই উৎসব নতুন বছরে এক নতুন আশার আলো সঞ্চার করেছে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন