পরিবেশ কন্ঠ

তারেক রহমানের সঙ্গে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক


প্রকাশ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

তারেক রহমানের সঙ্গে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক
সংগৃহীত

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে কৌশলগত দ্বিপক্ষীয় আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে।

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনকে কেন্দ্র করে নিউ ইয়র্কে বিশ্ব নেতাদের কূটনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। এই সম্মেলনের ব্যস্ততার মাঝে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুরে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল। বৈঠকে দুই দেশের শীর্ষ নেতারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সমসাময়িক নানা বৈশ্বিক ইস্যুসহ আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনে বিশদ আলোচনা করেন।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিদ্যমান। থাইল্যান্ড বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে পরিচিত। গত দশকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, দুই দেশের মধ্যে কৃষি প্রযুক্তি, পর্যটন এবং ওষুধ শিল্পে বাণিজ্যের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং বিনিয়োগ ঝুঁকি কমানোর বিষয়টিই ছিল এই বৈঠকের মূল চালিকাশক্তি। বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে উভয় দেশ একমত হয়েছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে তারেক রহমানের এই সফর বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। থাইল্যান্ডের মতো வளர்মান অর্থনীতির দেশের সঙ্গে এ ধরনের সংলাপ বাংলাদেশের জন্য সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে বড় ভূমিকা রাখবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শুধু বাণিজ্য নয়, বরং ব্লু-ইকোনমি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় যৌথ কৌশল গ্রহণ করলে তা উভয় দেশের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক হবে। এই বৈঠকটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের নতুন করে প্রবেশাধিকার পাওয়ার ক্ষেত্রে এক মাইলফলক হতে পারে।

পরিশেষে, এই বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য বিভাগ একটি সমন্বিত রোডম্যাপ তৈরির কাজ শুরু করবে বলে আশা করা যাচ্ছে। আঞ্চলিক শান্তি রক্ষা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির স্বার্থে আগামী দিনে উচ্চপর্যায়ের আরও দ্বিপক্ষীয় সফর ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই ধারাবাহিক সংলাপের মাধ্যমে দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হবে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা।

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কন্ঠ

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


তারেক রহমানের সঙ্গে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে কৌশলগত দ্বিপক্ষীয় আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে।

জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনকে কেন্দ্র করে নিউ ইয়র্কে বিশ্ব নেতাদের কূটনৈতিক তৎপরতা তুঙ্গে। এই সম্মেলনের ব্যস্ততার মাঝে বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় দুপুরে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল। বৈঠকে দুই দেশের শীর্ষ নেতারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট সমসাময়িক নানা বৈশ্বিক ইস্যুসহ আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনে বিশদ আলোচনা করেন।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর সাথে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক বিদ্যমান। থাইল্যান্ড বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার হিসেবে পরিচিত। গত দশকের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, দুই দেশের মধ্যে কৃষি প্রযুক্তি, পর্যটন এবং ওষুধ শিল্পে বাণিজ্যের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং বিনিয়োগ ঝুঁকি কমানোর বিষয়টিই ছিল এই বৈঠকের মূল চালিকাশক্তি। বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের বিষয়ে উভয় দেশ একমত হয়েছে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতিতে তারেক রহমানের এই সফর বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। থাইল্যান্ডের মতো வளர்মান অর্থনীতির দেশের সঙ্গে এ ধরনের সংলাপ বাংলাদেশের জন্য সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে বড় ভূমিকা রাখবে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, শুধু বাণিজ্য নয়, বরং ব্লু-ইকোনমি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় যৌথ কৌশল গ্রহণ করলে তা উভয় দেশের উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সহায়ক হবে। এই বৈঠকটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বাজারে বাংলাদেশের নতুন করে প্রবেশাধিকার পাওয়ার ক্ষেত্রে এক মাইলফলক হতে পারে।

পরিশেষে, এই বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নে দুই দেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য বিভাগ একটি সমন্বিত রোডম্যাপ তৈরির কাজ শুরু করবে বলে আশা করা যাচ্ছে। আঞ্চলিক শান্তি রক্ষা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির স্বার্থে আগামী দিনে উচ্চপর্যায়ের আরও দ্বিপক্ষীয় সফর ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এই ধারাবাহিক সংলাপের মাধ্যমে দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হবে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা।

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ


পরিবেশ কন্ঠ

সম্পাদক: ড. মোহাম্মদ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ