পরিবেশ কন্ঠ

ইউপি নির্বাচনে নতুন বিধিমালা: কঠোর শাস্তি ও জামানত বৃদ্ধি


প্রকাশ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

ইউপি নির্বাচনে নতুন বিধিমালা: কঠোর শাস্তি ও জামানত বৃদ্ধি
সংগৃহীত

ইউপি নির্বাচনে কড়াকড়ি, থাকছে কঠোর শাস্তি

জামানত বৃদ্ধি ও হলফনামা বাধ্যতামূলক করে নতুন নির্বাচনী বিধিমালা চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অনিয়ম রোধে আমূল পরিবর্তনের পথে হাঁটছে নির্বাচন কমিশন। নতুন করে চূড়ান্ত হওয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা ২০২৬ অনুযায়ী, প্রার্থীদের জামানতের অংক বাড়িয়ে পাঁচ গুণ করা হয়েছে। এখন থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ২৫ হাজার এবং সদস্য প্রার্থীদের ৫ হাজার টাকা জামানত প্রদান করতে হবে। এছাড়া, নির্বাচনে প্রদত্ত মোট ভোটের ১৫ শতাংশ নিশ্চিত করতে না পারলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে বলে কড়া বার্তা দিয়েছে কমিশন। 

প্রথমবারের মতো চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জন্য সম্পদের বিবরণী ও আয়কর রিটার্নসহ বিস্তারিত হলফনামা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্বাচনী ব্যয়সীমাও দ্বিগুণ করে চেয়ারম্যান পদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ লাখ ও সদস্য পদের জন্য ২ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অনিয়ম ঠেকাতে আর্থিক লেনদেনেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কোনো প্রার্থী বা এজেন্ট আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে কমিশন তাৎক্ষণিক তদন্ত সাপেক্ষে প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে। 

বিশেষ করে ভোটারদের বাধা দেওয়া কিংবা নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের হুমকি দিলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। সমান ভোট পাওয়ার জটিলতা এড়াতে এবার লটারির পরিবর্তে পুনঃভোটের নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে। এছাড়া, এবার দলীয় প্রতীকের বদলে নির্দলীয়ভাবে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ ভোট গ্রহণের লক্ষ্যে কমিশনের এই উদ্যোগ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কন্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


ইউপি নির্বাচনে নতুন বিধিমালা: কঠোর শাস্তি ও জামানত বৃদ্ধি

প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

ইউপি নির্বাচনে কড়াকড়ি, থাকছে কঠোর শাস্তি


জামানত বৃদ্ধি ও হলফনামা বাধ্যতামূলক করে নতুন নির্বাচনী বিধিমালা চূড়ান্ত করেছে নির্বাচন কমিশন।

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অনিয়ম রোধে আমূল পরিবর্তনের পথে হাঁটছে নির্বাচন কমিশন। নতুন করে চূড়ান্ত হওয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা ২০২৬ অনুযায়ী, প্রার্থীদের জামানতের অংক বাড়িয়ে পাঁচ গুণ করা হয়েছে। এখন থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ২৫ হাজার এবং সদস্য প্রার্থীদের ৫ হাজার টাকা জামানত প্রদান করতে হবে। এছাড়া, নির্বাচনে প্রদত্ত মোট ভোটের ১৫ শতাংশ নিশ্চিত করতে না পারলে প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত করা হবে বলে কড়া বার্তা দিয়েছে কমিশন। 

প্রথমবারের মতো চেয়ারম্যান প্রার্থীদের জন্য সম্পদের বিবরণী ও আয়কর রিটার্নসহ বিস্তারিত হলফনামা জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। নির্বাচনী ব্যয়সীমাও দ্বিগুণ করে চেয়ারম্যান পদের জন্য সর্বোচ্চ ১০ লাখ ও সদস্য পদের জন্য ২ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অনিয়ম ঠেকাতে আর্থিক লেনদেনেও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। কোনো প্রার্থী বা এজেন্ট আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে কমিশন তাৎক্ষণিক তদন্ত সাপেক্ষে প্রার্থিতা বাতিল করতে পারবে। 

বিশেষ করে ভোটারদের বাধা দেওয়া কিংবা নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের হুমকি দিলে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ডসহ কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। সমান ভোট পাওয়ার জটিলতা এড়াতে এবার লটারির পরিবর্তে পুনঃভোটের নতুন নিয়ম চালু করা হয়েছে। এছাড়া, এবার দলীয় প্রতীকের বদলে নির্দলীয়ভাবে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে। নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ ভোট গ্রহণের লক্ষ্যে কমিশনের এই উদ্যোগ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ


পরিবেশ কন্ঠ

সম্পাদক: ড. মোহাম্মদ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ