জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্ব নেতাদের প্রতি সম্মিলিত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন সরকারপ্রধান।
জাতিসংঘ সদরদপ্তরে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের এক সভায় প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য সহজলভ্য অর্থায়ন ও স্মার্ট প্রযুক্তি হস্তান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নগণ্য হলেও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশটি চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ১। ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে প্যারিস চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নে তিনি বিশ্ব নেতাদের কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।
দেশের উপকূলীয় অঞ্চল রক্ষা ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জলবায়ু অভিযোজন প্রকল্পে বিপুল বরাদ্দ ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। বিশেষ করে ২৫ কোটি গাছ লাগানো, নদী খনন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার ২০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও ন্যায্য অংশীদারিত্ব ছাড়া এসব বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অত্যন্ত কঠিন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সবশেষে ক্ষয়ক্ষতি ও লোকসান তহবিল কার্যকর করা এবং নিয়মিত অর্থায়নের ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জলবায়ু-স্মার্ট প্রযুক্তির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পথ তৈরির প্রস্তাব করেন। নিউইয়র্কে চলমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিয়ে তিনি এসব বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে বিশ্বনেতাদের সাথে আলোচনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখছেন।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় বিশ্ব নেতাদের প্রতি সম্মিলিত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন সরকারপ্রধান।
জাতিসংঘ সদরদপ্তরে আয়োজিত উচ্চপর্যায়ের এক সভায় প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের জলবায়ু-ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য সহজলভ্য অর্থায়ন ও স্মার্ট প্রযুক্তি হস্তান্তরের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নগণ্য হলেও ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশটি চরম ঝুঁকিতে রয়েছে। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ১। ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে প্যারিস চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নে তিনি বিশ্ব নেতাদের কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।
দেশের উপকূলীয় অঞ্চল রক্ষা ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জলবায়ু অভিযোজন প্রকল্পে বিপুল বরাদ্দ ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। বিশেষ করে ২৫ কোটি গাছ লাগানো, নদী খনন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার ২০ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও ন্যায্য অংশীদারিত্ব ছাড়া এসব বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য অত্যন্ত কঠিন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সবশেষে ক্ষয়ক্ষতি ও লোকসান তহবিল কার্যকর করা এবং নিয়মিত অর্থায়নের ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জলবায়ু-স্মার্ট প্রযুক্তির সহজলভ্যতা নিশ্চিত করতে একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পথ তৈরির প্রস্তাব করেন। নিউইয়র্কে চলমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিয়ে তিনি এসব বৈশ্বিক ইস্যু নিয়ে বিশ্বনেতাদের সাথে আলোচনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখছেন।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন