পরিবেশ কণ্ঠ

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি ও সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নিয়ে ট্রাম্পের বড় দাবি

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বড় চুক্তি: ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা



ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বড় চুক্তি: ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা
সংগৃহীত

দীর্ঘদিনের স্নায়ুযুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে ইরানের সঙ্গে একটি বড় ধরনের সমঝোতা বা চুক্তির ‘খুবই কাছাকাছি’ পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত প্রত্যয়ের সঙ্গে জানিয়েছেন যে, তেহরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরসহ প্রায় সব ধরনের শর্ত মেনে নিতে সম্মত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রদান করেন। তিনি জানান, ইরান এখন এমন অনেক বিষয়েই নমনীয়তা দেখাচ্ছে, যা তারা অতীতে কল্পনাও করতে পারেনি। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা ফেরানো এবং সম্ভাব্য যুদ্ধ এড়ানোর লক্ষ্যেই এই কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো হচ্ছে। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, যদি এই চুক্তিটি চূড়ান্ত হয় এবং পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এর আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়, তবে তিনি পাকিস্তান সফরেও যেতে পারেন। 

বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ট্রাম্প আশা করছেন এর আগেই চূড়ান্ত কোনো সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে এই সপ্তাহান্তেই পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে পারে। 

তবে ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, যদি কোনো কারণে এই সমঝোতা ব্যর্থ হয়, তবে আবারও যুদ্ধের দামামা বেজে উঠতে পারে। বর্তমানে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ অত্যন্ত কঠোরভাবে কার্যকর রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। 

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কণ্ঠ

শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬


ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বড় চুক্তি: ট্রাম্পের নতুন ঘোষণা

প্রকাশের তারিখ : ১৭ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

দীর্ঘদিনের স্নায়ুযুদ্ধের অবসান ঘটিয়ে ইরানের সঙ্গে একটি বড় ধরনের সমঝোতা বা চুক্তির ‘খুবই কাছাকাছি’ পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অত্যন্ত প্রত্যয়ের সঙ্গে জানিয়েছেন যে, তেহরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরসহ প্রায় সব ধরনের শর্ত মেনে নিতে সম্মত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রদান করেন। তিনি জানান, ইরান এখন এমন অনেক বিষয়েই নমনীয়তা দেখাচ্ছে, যা তারা অতীতে কল্পনাও করতে পারেনি। মূলত মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা ফেরানো এবং সম্ভাব্য যুদ্ধ এড়ানোর লক্ষ্যেই এই কূটনৈতিক তৎপরতা চালানো হচ্ছে। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, যদি এই চুক্তিটি চূড়ান্ত হয় এবং পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে এর আনুষ্ঠানিক স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়, তবে তিনি পাকিস্তান সফরেও যেতে পারেন। 

বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ট্রাম্প আশা করছেন এর আগেই চূড়ান্ত কোনো সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে এই সপ্তাহান্তেই পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হতে পারে। 

তবে ট্রাম্প সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, যদি কোনো কারণে এই সমঝোতা ব্যর্থ হয়, তবে আবারও যুদ্ধের দামামা বেজে উঠতে পারে। বর্তমানে হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন অবরোধ অত্যন্ত কঠোরভাবে কার্যকর রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। 

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ


পরিবেশ কণ্ঠ

সম্পাদক: ড. মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ