অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১১-এর গৌরবোজ্জ্বল পথচলার ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আলোচনা ও সমন্বিত কার্যকরের অঙ্গীকার।
দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ দমনে এলিট ফোর্স হিসেবে পরিচিত র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১ তার গৌরবময় পথচলার ২০ বছর পূর্ণ করেছে। বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জে এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করা হয়। দুই দশকের এই পথচলায় সন্ত্রাসবাদ দমন, মাদক নির্মূল এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব-১১ যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, অনুষ্ঠানে সেই সাফল্যের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয়।
নারায়ণগঞ্জের একটি সুসজ্জিত মিলনায়তনে আয়োজিত এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন নেত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই অতিথিরা র্যাব-১১-এর গত বিশ বছরের উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম এবং সাফল্যের ওপর আলোকপাত করেন।
নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির এবং জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ র্যাব-১১-এর মানবিক ও সাহসী কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রেখে কীভাবে তারা জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে, তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। র্যাব-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, জনগণের নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা রক্ষায় তারা সর্বদা বদ্ধপরিকর।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বিজিবি-৬২-এর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মির্জা মোহাম্মদ আরেফাত, ডিস্ট্রিক্ট অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স অফিসার মো. আনোয়ার হোসেন এবং এনএসআইয়ের যুগ্ম পরিচালক ফিরোজ কবির মাহমুদ উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও গভীর সমন্বয় কীভাবে জেলার সামগ্রিক শান্তি বজায় রাখতে সহায়ক হয়েছে, সেই বিষয়টিও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ও সার্কেল এএসপিদের সরব উপস্থিতি অনুষ্ঠানের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তোলে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই ক্ষণে উপস্থিত কর্মকর্তারা আগামী দিনগুলোতে অপরাধমুক্ত সমাজ গড়তে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। কেক কাটা এবং প্রীতিভোজের মাধ্যমে শেষ হওয়া এই আয়োজনটি ছিল আনন্দ ও পেশাদারিত্বের এক মেলবন্ধন। র্যাব-১১-এর এই দীর্ঘ পথচলা কেবল অপরাধ দমনের নয়, বরং সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার গল্প।
ভবিষ্যতে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর আভিযানিক কার্যক্রমের মাধ্যমে তারা দেশের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন উপস্থিত সুধীজন।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অপরাধ দমন ও জননিরাপত্তায় র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১১-এর গৌরবোজ্জ্বল পথচলার ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আলোচনা ও সমন্বিত কার্যকরের অঙ্গীকার।
দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ দমনে এলিট ফোর্স হিসেবে পরিচিত র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১১ তার গৌরবময় পথচলার ২০ বছর পূর্ণ করেছে। বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে নারায়ণগঞ্জে এই বিশেষ দিনটি উদযাপন করা হয়। দুই দশকের এই পথচলায় সন্ত্রাসবাদ দমন, মাদক নির্মূল এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র্যাব-১১ যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, অনুষ্ঠানে সেই সাফল্যের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করা হয়।
নারায়ণগঞ্জের একটি সুসজ্জিত মিলনায়তনে আয়োজিত এই প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন নেত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই অতিথিরা র্যাব-১১-এর গত বিশ বছরের উল্লেখযোগ্য কার্যক্রম এবং সাফল্যের ওপর আলোকপাত করেন।
নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির এবং জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমানসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ র্যাব-১১-এর মানবিক ও সাহসী কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রেখে কীভাবে তারা জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে, তা বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়। র্যাব-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, জনগণের নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা রক্ষায় তারা সর্বদা বদ্ধপরিকর।
এছাড়া অনুষ্ঠানে বিজিবি-৬২-এর পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মির্জা মোহাম্মদ আরেফাত, ডিস্ট্রিক্ট অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিন্যান্স অফিসার মো. আনোয়ার হোসেন এবং এনএসআইয়ের যুগ্ম পরিচালক ফিরোজ কবির মাহমুদ উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও গভীর সমন্বয় কীভাবে জেলার সামগ্রিক শান্তি বজায় রাখতে সহায়ক হয়েছে, সেই বিষয়টিও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ও সার্কেল এএসপিদের সরব উপস্থিতি অনুষ্ঠানের গুরুত্ব আরও বাড়িয়ে তোলে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই ক্ষণে উপস্থিত কর্মকর্তারা আগামী দিনগুলোতে অপরাধমুক্ত সমাজ গড়তে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। কেক কাটা এবং প্রীতিভোজের মাধ্যমে শেষ হওয়া এই আয়োজনটি ছিল আনন্দ ও পেশাদারিত্বের এক মেলবন্ধন। র্যাব-১১-এর এই দীর্ঘ পথচলা কেবল অপরাধ দমনের নয়, বরং সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার গল্প।
ভবিষ্যতে আরও আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর আভিযানিক কার্যক্রমের মাধ্যমে তারা দেশের উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন উপস্থিত সুধীজন।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন