নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি বর্তমানে এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এই জনপদের প্রায় প্রতিটি ঘরেই এখন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর আর্তনাদ শোনা যাচ্ছে। পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি ঘটায় জনমনে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে, সোনাপুর এলাকার বাসিন্দা তাওলাদ হোসেনের সাত বছর বয়সী শিশু কন্যা তানজুম তাহারা রাইসার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ায় এলাকায় শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে রাইসা প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত হলে তাকে দ্রুত স্থানীয় মদনপুর আল-বারাকা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা বুঝতে পারেন যে পরিস্থিতি সাধারণ চিকিৎসার বাইরে চলে গেছে। অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে ভর্তি না করে অবিলম্বে রাজধানীর উন্নত কোনো হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। এরপর কালক্ষেপণ না করে শিশুটিকে ঢাকার কাকরাইলস্থ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে রাইসা ওই হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ডের পঞ্চম তলার সাত নম্বর কেবিনে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আদরের সন্তানের এমন সংকটময় মুহূর্তে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তার অসহায় পিতা-মাতা।
সোনাপুর এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এলাকাটি বর্তমানে ডেঙ্গুর অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। যত্রতত্র জমে থাকা পানি এবং ঝোপঝাড় পরিষ্কার না করায় এডিস মশার বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের পক্ষ থেকে মশক নিধনে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। নিয়মিত ওষুধ ছিটানো বা পরিচ্ছন্নতা অভিযান না থাকায় পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে তারা মনে করছেন।
এলাকাবাসী অবিলম্বে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা দাবি তুলেছেন যেন জরুরি ভিত্তিতে সোনাপুর এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা হয় এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়। তানজুম তাহারা রাইসার মতো আর কোনো শিশুর জীবন যেন অকালে ঝরে না পড়ে, সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আকুল আবেদন জানিয়েছেন সোনাপুরবাসী।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি বর্তমানে এক ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এই জনপদের প্রায় প্রতিটি ঘরেই এখন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর আর্তনাদ শোনা যাচ্ছে। পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি ঘটায় জনমনে তীব্র আতঙ্ক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে, সোনাপুর এলাকার বাসিন্দা তাওলাদ হোসেনের সাত বছর বয়সী শিশু কন্যা তানজুম তাহারা রাইসার শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ায় এলাকায় শোকাবহ পরিবেশ বিরাজ করছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, কয়েকদিন আগে রাইসা প্রচণ্ড জ্বরে আক্রান্ত হলে তাকে দ্রুত স্থানীয় মদনপুর আল-বারাকা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকরা বুঝতে পারেন যে পরিস্থিতি সাধারণ চিকিৎসার বাইরে চলে গেছে। অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে ভর্তি না করে অবিলম্বে রাজধানীর উন্নত কোনো হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। এরপর কালক্ষেপণ না করে শিশুটিকে ঢাকার কাকরাইলস্থ ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে রাইসা ওই হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ডের পঞ্চম তলার সাত নম্বর কেবিনে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আদরের সন্তানের এমন সংকটময় মুহূর্তে দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন তার অসহায় পিতা-মাতা।
সোনাপুর এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, এলাকাটি বর্তমানে ডেঙ্গুর অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। যত্রতত্র জমে থাকা পানি এবং ঝোপঝাড় পরিষ্কার না করায় এডিস মশার বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনের পক্ষ থেকে মশক নিধনে দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। নিয়মিত ওষুধ ছিটানো বা পরিচ্ছন্নতা অভিযান না থাকায় পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে তারা মনে করছেন।
এলাকাবাসী অবিলম্বে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা দাবি তুলেছেন যেন জরুরি ভিত্তিতে সোনাপুর এলাকায় মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা হয় এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিশেষ মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়। তানজুম তাহারা রাইসার মতো আর কোনো শিশুর জীবন যেন অকালে ঝরে না পড়ে, সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আকুল আবেদন জানিয়েছেন সোনাপুরবাসী।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন