পাঁচ দিনের ফলপ্রসূ নিউইয়র্ক সফর শেষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগদান শেষে পাঁচ দিনের ফলপ্রসূ সফর সমাপ্ত করে ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে-৫৮২ ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে। আন্তর্জাতিক ফোরামে প্রথম ভাষণ দেওয়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক কূটনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করে এই গুরুত্বপূর্ণ সফরের সফল সমাপ্তি ঘটল।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, নিউইয়র্কে চার দিনের ব্যস্ত সূচিতে প্রধানমন্ত্রী মোট ৩০টি রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ দেশের সরকারপ্রধানদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসব বৈঠকে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধান, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি রোহিঙ্গা সংকট নিরসনের মতো জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট মৌলিক ইস্যুগুলো সর্বোচ্চ গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একাধিক বিশেষ সাইডলাইন অধিবেশনে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বহুমাত্রিক সফর বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক অবস্থানকে আন্তর্জাতিক মহলে আরো সংহত করেছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি ডা। জুবাইদা রহমানের অংশগ্রহণ বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে প্রশংসিত হয়েছে। তিনি নারী নেতৃত্ব বিষয়ক জাতিসংঘ প্ল্যাটফর্ম ও মাতৃস্বাস্থ্য সংক্রান্ত মোট আটটি আন্তর্জাতিক ইভেন্টে যোগ দিয়ে চারটিতে তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য তুলে ধরেন। আন্তর্জাতিক নীতি-নির্ধারকদের সঙ্গে এই প্রত্যক্ষ সংলাপ জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকারকে বিশ্বমঞ্চে দৃশ্যমান করতে ব্যাপক সাহায্য করেছে, যা ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্রকে প্রসারিত করবে।
সার্বিকভাবে এই সফর আন্তর্জাতিক ফোরামে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার পাশাপাশি বহুমুখী অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি করেছে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্কের যে রূপরেখা নির্ধারিত হয়েছে, তা দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। ঢাকার প্রত্যাশা, অধিবেশনপরবর্তী অব্যাহত কূটনৈতিক তৎপরতা দেশের জাতীয় প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং টেকসই বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব জোরদারে আগামী দিনগুলোতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পাঁচ দিনের ফলপ্রসূ নিউইয়র্ক সফর শেষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগদান শেষে পাঁচ দিনের ফলপ্রসূ সফর সমাপ্ত করে ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সকালে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ইকে-৫৮২ ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে অবতরণ করে। আন্তর্জাতিক ফোরামে প্রথম ভাষণ দেওয়ার পাশাপাশি বৈশ্বিক কূটনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করে এই গুরুত্বপূর্ণ সফরের সফল সমাপ্তি ঘটল।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন জানান, নিউইয়র্কে চার দিনের ব্যস্ত সূচিতে প্রধানমন্ত্রী মোট ৩০টি রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে ১১টি গুরুত্বপূর্ণ দেশের সরকারপ্রধানদের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এসব বৈঠকে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধান, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি রোহিঙ্গা সংকট নিরসনের মতো জাতীয় স্বার্থসংশ্লিষ্ট মৌলিক ইস্যুগুলো সর্বোচ্চ গুরুত্ব পায়। পাশাপাশি তিনি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একাধিক বিশেষ সাইডলাইন অধিবেশনে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বহুমাত্রিক সফর বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক অবস্থানকে আন্তর্জাতিক মহলে আরো সংহত করেছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি ডা। জুবাইদা রহমানের অংশগ্রহণ বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে প্রশংসিত হয়েছে। তিনি নারী নেতৃত্ব বিষয়ক জাতিসংঘ প্ল্যাটফর্ম ও মাতৃস্বাস্থ্য সংক্রান্ত মোট আটটি আন্তর্জাতিক ইভেন্টে যোগ দিয়ে চারটিতে তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য তুলে ধরেন। আন্তর্জাতিক নীতি-নির্ধারকদের সঙ্গে এই প্রত্যক্ষ সংলাপ জনস্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকারকে বিশ্বমঞ্চে দৃশ্যমান করতে ব্যাপক সাহায্য করেছে, যা ভবিষ্যৎ সহযোগিতার ক্ষেত্রকে প্রসারিত করবে।
সার্বিকভাবে এই সফর আন্তর্জাতিক ফোরামে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করার পাশাপাশি বহুমুখী অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি করেছে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা ও দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সম্পর্কের যে রূপরেখা নির্ধারিত হয়েছে, তা দ্রুত বাস্তবায়নের তাগিদ দিয়েছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞরা। ঢাকার প্রত্যাশা, অধিবেশনপরবর্তী অব্যাহত কূটনৈতিক তৎপরতা দেশের জাতীয় প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং টেকসই বৈশ্বিক অংশীদারিত্ব জোরদারে আগামী দিনগুলোতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন