স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার শ্রীমদ্দি গ্রাম থেকে সোনারগাঁয়ের সোনাময়ী গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গরু-ছাগলসহ ১৩ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার রওনা হয়। মেঘনা নদীর সোনাময়ী এলাকায় পৌঁছানোর পর আকস্মিক ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি উল্টে যায়।
দুর্ঘটনার পর আমান সিমেন্ট কোম্পানির একটি উদ্ধারকারী নৌযানের সহায়তায় আটজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তবে একই পরিবারের চারজন নিখোঁজ ছিলেন। পরে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে রায়েশা বেগমের মরদেহ পাওয়া যায়। এরপর শনিবার সকালে বৈদ্যেরবাজার এলাকায় নদীর পানি থেকে ভাসমান অবস্থায় সজীব হোসেন, সামিয়া আক্তার ও সামিন হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।
সবশেষে পাঁচ দিন পর নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে একই পরিবারের চার সদস্যের সন্ধান মিলল।
উদ্ধারকাজে ফায়ার সার্ভিস, নৌ-পুলিশ ও কোস্ট গার্ডের সদস্যরা অংশ নেন। নদীর স্রোত, বৈরী আবহাওয়া ও পানির গভীরতার কারণে অভিযান পরিচালনায় নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয় উদ্ধারকারীদের।
এদিকে দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে ট্রলার চলাচল, অতিরিক্ত ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার এবং ছোট নৌযানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সরঞ্জাম না থাকার বিষয়গুলো সামনে এসেছে। তবে দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, মেঘনা নদীতে ছোট ট্রলার চলাচলে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করা জরুরি। বিশেষ করে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সময় নৌযান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, যাত্রীসংখ্যা নির্ধারণ এবং জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম নিশ্চিত করা গেলে এ ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
একই পরিবারের চার সদস্যকে হারিয়ে স্বজনদের মধ্যে চলছে শোকের মাতম। স্বজন ও এলাকাবাসীর দাবি, মেঘনা নদীতে নৌযান চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে কুমিল্লার শ্রীমদ্দি গ্রাম থেকে সোনারগাঁয়ের সোনাময়ী গ্রামে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গরু-ছাগলসহ ১৩ জন যাত্রী নিয়ে একটি ট্রলার রওনা হয়। মেঘনা নদীর সোনাময়ী এলাকায় পৌঁছানোর পর আকস্মিক ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি উল্টে যায়।
দুর্ঘটনার পর আমান সিমেন্ট কোম্পানির একটি উদ্ধারকারী নৌযানের সহায়তায় আটজনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তবে একই পরিবারের চারজন নিখোঁজ ছিলেন। পরে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে রায়েশা বেগমের মরদেহ পাওয়া যায়। এরপর শনিবার সকালে বৈদ্যেরবাজার এলাকায় নদীর পানি থেকে ভাসমান অবস্থায় সজীব হোসেন, সামিয়া আক্তার ও সামিন হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।
সবশেষে পাঁচ দিন পর নিখোঁজ হেলাল উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধারের মধ্য দিয়ে একই পরিবারের চার সদস্যের সন্ধান মিলল।
উদ্ধারকাজে ফায়ার সার্ভিস, নৌ-পুলিশ ও কোস্ট গার্ডের সদস্যরা অংশ নেন। নদীর স্রোত, বৈরী আবহাওয়া ও পানির গভীরতার কারণে অভিযান পরিচালনায় নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয় উদ্ধারকারীদের।
এদিকে দুর্ঘটনার কারণ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে ট্রলার চলাচল, অতিরিক্ত ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার এবং ছোট নৌযানে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা সরঞ্জাম না থাকার বিষয়গুলো সামনে এসেছে। তবে দুর্ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত প্রয়োজন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, মেঘনা নদীতে ছোট ট্রলার চলাচলে নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করা জরুরি। বিশেষ করে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার সময় নৌযান চলাচল নিয়ন্ত্রণ, যাত্রীসংখ্যা নির্ধারণ এবং জীবনরক্ষাকারী সরঞ্জাম নিশ্চিত করা গেলে এ ধরনের দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
একই পরিবারের চার সদস্যকে হারিয়ে স্বজনদের মধ্যে চলছে শোকের মাতম। স্বজন ও এলাকাবাসীর দাবি, মেঘনা নদীতে নৌযান চলাচলে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর ও স্থায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন