পরিবেশ কন্ঠ

প্রশাসনে ফ্যাসিবাদের দোসররা ঘাপটি মেরে আছে


প্রকাশ : ১১ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

প্রশাসনে ফ্যাসিবাদের দোসররা ঘাপটি মেরে আছে
রুহুল কবির রিজভী

সাবেক সরকারের আমলে লুটপাটের কারণে দেশের ব্যাংক খাত এখন সম্পূর্ণ রিক্ত ও ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আগের সরকারের আমলে ব্যাংক খাত থেকে নির্বিচারে অর্থ লুটপাট করা হয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকগুলো ফাঁকা হয়ে শূন্য মাঠের মতো পড়ে আছে। রাজধানীর রমনার এইবি মিলনায়তনে আয়োজিত পোশাক খাতের সমস্যা বিষয়ক এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। রিজভী বলেন, দেশের অর্থনীতিকে ধস থেকে রক্ষা করতে অবিলম্বে বন্ধ শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

পোশাক খাতের সংকট নিরসনে তিনি জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ঘাটতি দূরীকরণ এবং ঋণপত্র বা এলসি খোলার জটিলতা দ্রুত সমাধানের ওপর জোর দেন। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ও যোগ্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা পরিচালনার মাধ্যমে সেগুলোকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা সম্ভব। অনুষ্ঠানে পোশাক খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণের তাগিদ দেন তিনি। এক্ষেত্রে অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

শহীদ নাজির উদ্দিন জেহাদের স্মরণসভায় রিজভী আরও দাবি করেন, দেশের প্রশাসন ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনও ঘাপটি মেরে বসে আছে। তিনি উল্লেখ করেন,৯০-এর পরাজিত স্বৈরাচারী ও ২৪-এর ফ্যাসিস্ট শক্তি একই সূত্রে গাঁথা। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার এবং গুম-খুনের রাজনীতির জন্য তিনি পূর্ববর্তী সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন। বর্তমান প্রশাসনকে এই চক্রের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

আগামী দুর্গাপূজা ঘিরে কোনো অপশক্তি যেন চক্রান্ত করতে না পারে, সেজন্য বিএনপির নেতাকর্মীদের মণ্ডপ পাহারা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন রিজভী। অনুষ্ঠানে আমান উল্লাহ আমান, খায়রুল কবির খোকন ও নাজিম উদ্দিন আলমসহ ছাত্রদলের সাবেক নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সবশেষে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই এখন নতুন সরকারের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

বিষয় : রুহুল কবির রিজভী

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কন্ঠ

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬


প্রশাসনে ফ্যাসিবাদের দোসররা ঘাপটি মেরে আছে

প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

সাবেক সরকারের আমলে লুটপাটের কারণে দেশের ব্যাংক খাত এখন সম্পূর্ণ রিক্ত ও ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আগের সরকারের আমলে ব্যাংক খাত থেকে নির্বিচারে অর্থ লুটপাট করা হয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকগুলো ফাঁকা হয়ে শূন্য মাঠের মতো পড়ে আছে। রাজধানীর রমনার এইবি মিলনায়তনে আয়োজিত পোশাক খাতের সমস্যা বিষয়ক এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। রিজভী বলেন, দেশের অর্থনীতিকে ধস থেকে রক্ষা করতে অবিলম্বে বন্ধ শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।

পোশাক খাতের সংকট নিরসনে তিনি জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ঘাটতি দূরীকরণ এবং ঋণপত্র বা এলসি খোলার জটিলতা দ্রুত সমাধানের ওপর জোর দেন। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার ও যোগ্য ব্যক্তিদের মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা পরিচালনার মাধ্যমে সেগুলোকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা সম্ভব। অনুষ্ঠানে পোশাক খাতের বিদ্যমান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণের তাগিদ দেন তিনি। এক্ষেত্রে অভিজ্ঞ প্রকৌশলীদের কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

শহীদ নাজির উদ্দিন জেহাদের স্মরণসভায় রিজভী আরও দাবি করেন, দেশের প্রশাসন ও সমাজের বিভিন্ন স্তরে ফ্যাসিবাদের দোসররা এখনও ঘাপটি মেরে বসে আছে। তিনি উল্লেখ করেন,৯০-এর পরাজিত স্বৈরাচারী ও ২৪-এর ফ্যাসিস্ট শক্তি একই সূত্রে গাঁথা। দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার এবং গুম-খুনের রাজনীতির জন্য তিনি পূর্ববর্তী সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন। বর্তমান প্রশাসনকে এই চক্রের বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

আগামী দুর্গাপূজা ঘিরে কোনো অপশক্তি যেন চক্রান্ত করতে না পারে, সেজন্য বিএনপির নেতাকর্মীদের মণ্ডপ পাহারা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন রিজভী। অনুষ্ঠানে আমান উল্লাহ আমান, খায়রুল কবির খোকন ও নাজিম উদ্দিন আলমসহ ছাত্রদলের সাবেক নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। সবশেষে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাই এখন নতুন সরকারের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ


পরিবেশ কন্ঠ

সম্পাদক: ড. মোহাম্মদ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ