বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রথমবারের মতো রেকর্ড পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে।
বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তার উৎপাদন সক্ষমতায় নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। কেন্দ্রটির দুটি ইউনিট থেকে প্রথমবারের মতো ১ হাজার ৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে, যা সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। দীর্ঘদিনের যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে কেন্দ্রটি এখন পুরোদমে সচল হওয়ায় দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। নিয়মিত তদারকি ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ফলে এই রেকর্ড উৎপাদন অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট নথিপত্র অনুযায়ী,২০১০ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরপর ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার করপোরেশনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির আওতায় গঠিত হয় বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড। দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর কেন্দ্রটি উৎপাদনে আসে এবং বর্তমানে এর দুটি ইউনিট দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম জানান, যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে এর আগে উৎপাদন বিঘ্নিত হলেও বর্তমানে তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রথম ইউনিট থেকে ৬৫৬ মেগাওয়াট এবং দ্বিতীয় ইউনিট থেকে ৬৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নিয়মিত গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। নিয়মিত মেরামত ও প্রকৌশলী দলের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে কেন্দ্রটির স্বাভাবিক কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখা সম্ভব হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বর্তমানে কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটই পূর্ণমাত্রায় চালু থাকায় স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুতের সংকট কিছুটা হলেও লাঘব হচ্ছে। ভবিষ্যতে কেন্দ্রটির উৎপাদন সক্ষমতা আরও বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে বিআইএফপিসিএল। জ্বালানি সাশ্রয় ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখার ক্ষেত্রে রামপাল এখন অন্যতম আস্থার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। প্রশাসনিক ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নিয়মিত এই কেন্দ্রের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দুটি ইউনিট থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রথমবারের মতো রেকর্ড পরিমাণ বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়েছে।
বাগেরহাটের রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তার উৎপাদন সক্ষমতায় নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছে। কেন্দ্রটির দুটি ইউনিট থেকে প্রথমবারের মতো ১ হাজার ৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে, যা সরাসরি জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে। দীর্ঘদিনের যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে কেন্দ্রটি এখন পুরোদমে সচল হওয়ায় দেশের বিদ্যুৎ সরবরাহে গুরুত্বপূর্ণ ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে। নিয়মিত তদারকি ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ফলে এই রেকর্ড উৎপাদন অর্জন সম্ভব হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট নথিপত্র অনুযায়ী,২০১০ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ উদ্যোগে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এরপর ২০১২ সালের ২৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার করপোরেশনের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তির আওতায় গঠিত হয় বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড। দীর্ঘ প্রক্রিয়ার পর কেন্দ্রটি উৎপাদনে আসে এবং বর্তমানে এর দুটি ইউনিট দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির মানবসম্পদ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক আনোয়ারুল আজিম জানান, যান্ত্রিক গোলযোগের কারণে এর আগে উৎপাদন বিঘ্নিত হলেও বর্তমানে তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রথম ইউনিট থেকে ৬৫৬ মেগাওয়াট এবং দ্বিতীয় ইউনিট থেকে ৬৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ নিয়মিত গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। নিয়মিত মেরামত ও প্রকৌশলী দলের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে কেন্দ্রটির স্বাভাবিক কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্ন রাখা সম্ভব হয়েছে বলে জানান সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
বর্তমানে কেন্দ্রটির দুটি ইউনিটই পূর্ণমাত্রায় চালু থাকায় স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুতের সংকট কিছুটা হলেও লাঘব হচ্ছে। ভবিষ্যতে কেন্দ্রটির উৎপাদন সক্ষমতা আরও বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে বিআইএফপিসিএল। জ্বালানি সাশ্রয় ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করে বিদ্যুৎ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখার ক্ষেত্রে রামপাল এখন অন্যতম আস্থার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। প্রশাসনিক ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নিয়মিত এই কেন্দ্রের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন