পরিবেশ কন্ঠ

না ফেরার দেশে বিডিনিউজ সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী


প্রকাশ : ০২ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

না ফেরার দেশে বিডিনিউজ সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী
সংগৃহীত

লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫৯ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন প্রখ্যাত সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদী।

অনলাইন সংবাদমাধ্যম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত অসুস্থতার কারণে বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে জরুরিভিত্তিতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২৩ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যুতে গণমাধ্যম অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ব্যক্তিগত সফরে লন্ডনে অবস্থানকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তৌফিক ইমরোজ খালিদী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করা খালিদী তাঁর কর্মজীবনের শুরু থেকেই সাংবাদিকতায় অসামান্য মেধা ও দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। ডেইলি স্টার ও বিবিসির মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গণমাধ্যমে কাজ করার পর ২০০৬ সালে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের হাল ধরেন। এরপর থেকে দীর্ঘ সময় তিনি সংবাদমাধ্যমটির প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, ডিজিটাল সাংবাদিকতার বিকাশে খালিদী ছিলেন একজন অকুতোভয় পথিকৃৎ। দেশ একজন অভিজ্ঞ ও বরেণ্য গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বকে হারাল, যা অপূরণীয়। এদিকে সাংবাদিকের সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা তাঁর এই প্রয়াণে ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ করে শোক প্রকাশ করছেন। তাঁর মৃত্যুতে পুরো গণমাধ্যম পাড়ায় নেমে এসেছে গভীর স্তব্ধতা ও শোকের মাতম।

বর্তমানে তাঁর মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া সম্পর্কে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। জানাজা ও দাফনের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে বিডিনিউজের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। গুণী এই সাংবাদিকের অবদান বাংলাদেশের সাংবাদিকতা ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর অকাল প্রস্থান অনলাইন গণমাধ্যমের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কন্ঠ

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬


না ফেরার দেশে বিডিনিউজ সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী

প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫৯ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন প্রখ্যাত সাংবাদিক তৌফিক ইমরোজ খালিদী।

অনলাইন সংবাদমাধ্যম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী লন্ডনের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত অসুস্থতার কারণে বৃহস্পতিবার রাতে তাঁকে জরুরিভিত্তিতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ২৩ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যুতে গণমাধ্যম অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ব্যক্তিগত সফরে লন্ডনে অবস্থানকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তৌফিক ইমরোজ খালিদী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করা খালিদী তাঁর কর্মজীবনের শুরু থেকেই সাংবাদিকতায় অসামান্য মেধা ও দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। ডেইলি স্টার ও বিবিসির মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গণমাধ্যমে কাজ করার পর ২০০৬ সালে তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের হাল ধরেন। এরপর থেকে দীর্ঘ সময় তিনি সংবাদমাধ্যমটির প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

তৌফিক ইমরোজ খালিদীর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এক শোকবার্তায় তিনি বলেন, ডিজিটাল সাংবাদিকতার বিকাশে খালিদী ছিলেন একজন অকুতোভয় পথিকৃৎ। দেশ একজন অভিজ্ঞ ও বরেণ্য গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বকে হারাল, যা অপূরণীয়। এদিকে সাংবাদিকের সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা তাঁর এই প্রয়াণে ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ করে শোক প্রকাশ করছেন। তাঁর মৃত্যুতে পুরো গণমাধ্যম পাড়ায় নেমে এসেছে গভীর স্তব্ধতা ও শোকের মাতম।

বর্তমানে তাঁর মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া সম্পর্কে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। জানাজা ও দাফনের বিষয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে বিডিনিউজের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে। গুণী এই সাংবাদিকের অবদান বাংলাদেশের সাংবাদিকতা ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর অকাল প্রস্থান অনলাইন গণমাধ্যমের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ


পরিবেশ কন্ঠ

সম্পাদক: ড. মোহাম্মদ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ