শেকড়ের টান, আত্মার বন্ধন আর জন্মভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা—এই তিনের মেলবন্ধনে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে একত্রিত হলেন মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুরের প্রবাসীরা। প্রবাসের ব্যস্ত জীবনের গণ্ডি পেরিয়ে নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে হৃদ্যতা, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করতে আয়োজিত এ মিলনমেলা পরিণত হয় এক আন্তরিক ও প্রাণবন্ত মিলনক্ষেত্রে।
পূর্ব লন্ডনের আপটন পার্কে অবস্থিত Vanu Lavish Bites-এ আয়োজিত এ মিলনমেলার উদ্যোগ নেন Dr Ataur Rahman, ব্যারিস্টার রাজিব, হিসাবরক্ষক Fareque Hossain ,কাউন্সিলর বেগম সাহেরা ,সুমন শিকদার, শামসের আকবর পলাশ , শরিফুল ইসলাম শিবলু, জাকির হোসেন চান সহ মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুরের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ।
মিলনমেলায় অংশগ্রহণকারীরা পারস্পরিক কুশল বিনিময়, স্মৃতিচারণ ও মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে প্রবাসে নিজেদের মধ্যে ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
প্রবাসের মাটিতে এ ধরনের আয়োজন শুধু পরিচিত মুখগুলোর সঙ্গে পুনর্মিলনের উপলক্ষ নয়; বরং নতুন প্রজন্মের কাছে নিজস্ব শিকড়, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরারও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। ভৌগোলিক দূরত্ব পেরিয়ে একই অঞ্চলের মানুষের এমন মিলন প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও অর্থবহ করে তোলে।
দেশ থেকে দূরে, কিন্তু শেকড়ের বন্ধনে এক—মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুরবাসীর এই মিলনমেলা প্রমাণ করে, সম্প্রীতি ও ভালোবাসার কোনো ভৌগোলিক সীমানা নেই।
প্রবাসে ঐক্য, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের এই বন্ধন আগামী দিনগুলোতেও অটুট থাকবে—এমন প্রত্যাশা সবার।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ অক্টোবর ২০২৬
শেকড়ের টান, আত্মার বন্ধন আর জন্মভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা—এই তিনের মেলবন্ধনে যুক্তরাজ্যের লন্ডনে একত্রিত হলেন মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুরের প্রবাসীরা। প্রবাসের ব্যস্ত জীবনের গণ্ডি পেরিয়ে নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে হৃদ্যতা, ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করতে আয়োজিত এ মিলনমেলা পরিণত হয় এক আন্তরিক ও প্রাণবন্ত মিলনক্ষেত্রে।
পূর্ব লন্ডনের আপটন পার্কে অবস্থিত Vanu Lavish Bites-এ আয়োজিত এ মিলনমেলার উদ্যোগ নেন Dr Ataur Rahman, ব্যারিস্টার রাজিব, হিসাবরক্ষক Fareque Hossain ,কাউন্সিলর বেগম সাহেরা ,সুমন শিকদার, শামসের আকবর পলাশ , শরিফুল ইসলাম শিবলু, জাকির হোসেন চান সহ মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুরের বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গ।
মিলনমেলায় অংশগ্রহণকারীরা পারস্পরিক কুশল বিনিময়, স্মৃতিচারণ ও মতবিনিময়ের মধ্য দিয়ে প্রবাসে নিজেদের মধ্যে ঐক্য, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখার গুরুত্ব তুলে ধরেন।
প্রবাসের মাটিতে এ ধরনের আয়োজন শুধু পরিচিত মুখগুলোর সঙ্গে পুনর্মিলনের উপলক্ষ নয়; বরং নতুন প্রজন্মের কাছে নিজস্ব শিকড়, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরারও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। ভৌগোলিক দূরত্ব পেরিয়ে একই অঞ্চলের মানুষের এমন মিলন প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও অর্থবহ করে তোলে।
দেশ থেকে দূরে, কিন্তু শেকড়ের বন্ধনে এক—মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুরবাসীর এই মিলনমেলা প্রমাণ করে, সম্প্রীতি ও ভালোবাসার কোনো ভৌগোলিক সীমানা নেই।
প্রবাসে ঐক্য, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের এই বন্ধন আগামী দিনগুলোতেও অটুট থাকবে—এমন প্রত্যাশা সবার।

আপনার মতামত লিখুন