রবীন্দ্রসরোবরে গান, কবিতা আর র্যাপের ছন্দে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ছড়িয়ে দিতে একত্রিত হচ্ছেন দেশের জনপ্রিয় তরুণ শিল্পীরা।
রাজধানীর ধানমন্ডির প্রাণকেন্দ্র রবীন্দ্রসরোবর আজ আবারও মুখরিত হবে তারুণ্যের দ্রোহে। বিগত জুলাইয়ের উত্তাল দিনগুলোর স্মৃতিকে অম্লান রাখতে এবং প্রতিবাদী সুরের মূর্ছনায় সেই সময়ের সংগ্রামকে শ্রদ্ধা জানাতে আয়োজিত হচ্ছে বিশেষ সাংস্কৃতিক উৎসব ‘সাউন্ড অব জুলাই’। ‘চলুন এক সঙ্গে গাই–জুলাইয়ের গান’ শিরোনামে এই ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানটি শুরু হবে আজ বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে এবং চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত।
এই আয়োজনের মূল উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করছে জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স এবং এতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করছে দেশের শীর্ষস্থানীয় কর্মসংস্থান বিষয়ক পোর্টাল বিডিজবস। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। তবে দর্শকদের সুশৃঙ্খল অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অনলাইনে ফ্রি রেজিস্ট্রেশনের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ হিসেবে থাকছেন সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ও জনপ্রিয় র্যাপার শিল্পীরা। বিশেষ করে ‘আওয়াজ উডা’ গানের মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানের সময় মশাল জ্বালানো র্যাপার হান্নান তার ক্ষুরধার পরিবেশনা নিয়ে মঞ্চে হাজির হবেন।
এছাড়াও থাকছেন ‘কথা ক’ খ্যাত জনপ্রিয় র্যাপার সেজান এবং কাজী আহনাফ তামিদের মতো প্রতিভাবান শিল্পীরা। তাদের গাওয়া র্যাপ গানে উঠে আসবে রাজপথের কঠিন লড়াই, অধিকার আদায়ের দাবি এবং আগামীর সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন। কনসার্ট প্রসঙ্গে শিল্পী সেজান অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, ‘সাউন্ড অব জুলাই’ কেবল একটি সাধারণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়। এটি আমাদের জুলাইয়ের সেই আন্দোলনের রক্তঝরা স্মৃতি, প্রতিবাদ এবং অগণিত মানুষের আত্মত্যাগকে সুর ও কবিতার মাধ্যমে নতুন করে স্মরণ করার একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস।
আমরা আশা করছি শ্রোতাদের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়ায় রবীন্দ্রসরোবর আজ এক অনন্য প্রতিবাদী রূপ ধারণ করবে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, গান ও র্যাপের পাশাপাশি এই অনুষ্ঠানে থাকবে প্রতিবাদী কবিতা পাঠ ও বিপ্লবের অভিজ্ঞতা বিনিময়। এর মাধ্যমে জুলাইয়ের সেই দিনগুলোর বীরত্বপূর্ণ আখ্যান নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য। বিডিজবস এবং জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স বিশ্বাস করে, সংস্কৃতির এই শক্তিই পারে নতুন প্রজন্মকে দেশের প্রতি আরও দায়বদ্ধ করতে এবং জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে প্রতিটি হৃদয়ে জাগিয়ে রাখতে।
আজকের এই পড়ন্ত বিকেলে ধানমন্ডির লেক পাড়ে হাজারো তরুণের কণ্ঠে যখন জুলাইয়ের গান ধ্বনিত হবে, তা কেবল সুর হিসেবে নয় বরং এক নতুন বাংলাদেশের সংকল্প হিসেবেই ইতিহাসের পাতায় স্থান পাবে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ আগস্ট ২০২৬
রবীন্দ্রসরোবরে গান, কবিতা আর র্যাপের ছন্দে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ছড়িয়ে দিতে একত্রিত হচ্ছেন দেশের জনপ্রিয় তরুণ শিল্পীরা।
রাজধানীর ধানমন্ডির প্রাণকেন্দ্র রবীন্দ্রসরোবর আজ আবারও মুখরিত হবে তারুণ্যের দ্রোহে। বিগত জুলাইয়ের উত্তাল দিনগুলোর স্মৃতিকে অম্লান রাখতে এবং প্রতিবাদী সুরের মূর্ছনায় সেই সময়ের সংগ্রামকে শ্রদ্ধা জানাতে আয়োজিত হচ্ছে বিশেষ সাংস্কৃতিক উৎসব ‘সাউন্ড অব জুলাই’। ‘চলুন এক সঙ্গে গাই–জুলাইয়ের গান’ শিরোনামে এই ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানটি শুরু হবে আজ বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে এবং চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত।
এই আয়োজনের মূল উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করছে জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স এবং এতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করছে দেশের শীর্ষস্থানীয় কর্মসংস্থান বিষয়ক পোর্টাল বিডিজবস। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, অনুষ্ঠানটি সবার জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। তবে দর্শকদের সুশৃঙ্খল অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে অনলাইনে ফ্রি রেজিস্ট্রেশনের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ হিসেবে থাকছেন সময়ের সবচেয়ে আলোচিত ও জনপ্রিয় র্যাপার শিল্পীরা। বিশেষ করে ‘আওয়াজ উডা’ গানের মাধ্যমে গণঅভ্যুত্থানের সময় মশাল জ্বালানো র্যাপার হান্নান তার ক্ষুরধার পরিবেশনা নিয়ে মঞ্চে হাজির হবেন।
এছাড়াও থাকছেন ‘কথা ক’ খ্যাত জনপ্রিয় র্যাপার সেজান এবং কাজী আহনাফ তামিদের মতো প্রতিভাবান শিল্পীরা। তাদের গাওয়া র্যাপ গানে উঠে আসবে রাজপথের কঠিন লড়াই, অধিকার আদায়ের দাবি এবং আগামীর সুন্দর বাংলাদেশের স্বপ্ন। কনসার্ট প্রসঙ্গে শিল্পী সেজান অত্যন্ত আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, ‘সাউন্ড অব জুলাই’ কেবল একটি সাধারণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান নয়। এটি আমাদের জুলাইয়ের সেই আন্দোলনের রক্তঝরা স্মৃতি, প্রতিবাদ এবং অগণিত মানুষের আত্মত্যাগকে সুর ও কবিতার মাধ্যমে নতুন করে স্মরণ করার একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস।
আমরা আশা করছি শ্রোতাদের স্বতঃস্ফূর্ত সাড়ায় রবীন্দ্রসরোবর আজ এক অনন্য প্রতিবাদী রূপ ধারণ করবে। আয়োজকরা জানিয়েছেন, গান ও র্যাপের পাশাপাশি এই অনুষ্ঠানে থাকবে প্রতিবাদী কবিতা পাঠ ও বিপ্লবের অভিজ্ঞতা বিনিময়। এর মাধ্যমে জুলাইয়ের সেই দিনগুলোর বীরত্বপূর্ণ আখ্যান নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই তাদের মূল লক্ষ্য। বিডিজবস এবং জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্স বিশ্বাস করে, সংস্কৃতির এই শক্তিই পারে নতুন প্রজন্মকে দেশের প্রতি আরও দায়বদ্ধ করতে এবং জুলাই বিপ্লবের চেতনাকে প্রতিটি হৃদয়ে জাগিয়ে রাখতে।
আজকের এই পড়ন্ত বিকেলে ধানমন্ডির লেক পাড়ে হাজারো তরুণের কণ্ঠে যখন জুলাইয়ের গান ধ্বনিত হবে, তা কেবল সুর হিসেবে নয় বরং এক নতুন বাংলাদেশের সংকল্প হিসেবেই ইতিহাসের পাতায় স্থান পাবে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন