পরিবেশ কন্ঠ

সাধারণ মানুষের প্রাণের মানুষ মোঃ রাশেদুল ইসলাম



সাধারণ মানুষের প্রাণের মানুষ মোঃ রাশেদুল ইসলাম
সংগৃহীত

সোনারগাঁও উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ রাশেদুল ইসলাম—শুধু একজন সরকারি কর্মকর্তা নন, তিনি সোনারগাঁওবাসীর কাছে একজন আপন মানুষ, একজন নির্ভরতার নাম।

উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে মানুষ যখন কোনো সমস্যা, প্রয়োজন কিংবা জটিলতা নিয়ে আসেন, তখন অনেক সময় দায়িত্বের সীমারেখার ঊর্ধ্বে উঠে তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। সাধারণ মানুষ অনেকেই জানেন না কোন কাগজ কোথায় জমা দিতে হবে, কোন দপ্তরে পাঠাতে হবে কিংবা কোন কাজটি কীভাবে সম্পন্ন করতে হবে। এসব ক্ষেত্রে মোঃ রাশেদুল ইসলাম ধৈর্য ধরে তাদের কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

কাগজপত্রে ভুল-ত্রুটি থাকলে অনেক সময় নিজ উদ্যোগে তা সংশোধনের ব্যবস্থা করে সঠিক দপ্তরে পাঠানোর সহযোগিতাও করেন। অথচ এসব কাজের অনেকটাই তাঁর দায়িত্বের নির্দিষ্ট পরিধির বাইরে। কিন্তু মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ, ভালোবাসা ও আন্তরিকতা থেকেই তিনি পাশে দাঁড়ান।

স্থানীয় মানুষ হওয়ার সুবাদে সোনারগাঁওয়ের মানুষের সুখ-দুঃখ ও প্রয়োজনকে তিনি আরও কাছ থেকে অনুভব করেন। তাই সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানবিক একজন মানুষ হিসেবেও তিনি অনেকের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

এ কারণেই অনেকের কাছে তিনি শুধু ‘রাশেদ ভাই’ নন—কখনো বড় ভাই, কখনো বড় ছেলের মতো আপনজন। তাঁর আন্তরিক ব্যবহার, সহযোগিতার মানসিকতা ও মানুষের প্রতি সম্মান সোনারগাঁওবাসীর হৃদয়ে আলাদা একটি জায়গা করে নিয়েছে।

একজন সরকারি কর্মকর্তা যখন দায়িত্বের পাশাপাশি মানবিকতা, আন্তরিকতা ও সেবার মানসিকতা নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ান, তখনই সরকারি সেবা মানুষের কাছে সত্যিকার অর্থে আপন হয়ে ওঠে।

মোঃ রাশেদুল ইসলাম—সোনারগাঁওবাসীর ভালোবাসায় একজন মানবিক সরকারি কর্মকর্তা, একজন আপন মানুষ।

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কন্ঠ

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬


সাধারণ মানুষের প্রাণের মানুষ মোঃ রাশেদুল ইসলাম

প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সোনারগাঁও উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ রাশেদুল ইসলাম—শুধু একজন সরকারি কর্মকর্তা নন, তিনি সোনারগাঁওবাসীর কাছে একজন আপন মানুষ, একজন নির্ভরতার নাম।

উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে মানুষ যখন কোনো সমস্যা, প্রয়োজন কিংবা জটিলতা নিয়ে আসেন, তখন অনেক সময় দায়িত্বের সীমারেখার ঊর্ধ্বে উঠে তিনি আন্তরিকতার সঙ্গে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। সাধারণ মানুষ অনেকেই জানেন না কোন কাগজ কোথায় জমা দিতে হবে, কোন দপ্তরে পাঠাতে হবে কিংবা কোন কাজটি কীভাবে সম্পন্ন করতে হবে। এসব ক্ষেত্রে মোঃ রাশেদুল ইসলাম ধৈর্য ধরে তাদের কথা শোনেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

কাগজপত্রে ভুল-ত্রুটি থাকলে অনেক সময় নিজ উদ্যোগে তা সংশোধনের ব্যবস্থা করে সঠিক দপ্তরে পাঠানোর সহযোগিতাও করেন। অথচ এসব কাজের অনেকটাই তাঁর দায়িত্বের নির্দিষ্ট পরিধির বাইরে। কিন্তু মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ, ভালোবাসা ও আন্তরিকতা থেকেই তিনি পাশে দাঁড়ান।

স্থানীয় মানুষ হওয়ার সুবাদে সোনারগাঁওয়ের মানুষের সুখ-দুঃখ ও প্রয়োজনকে তিনি আরও কাছ থেকে অনুভব করেন। তাই সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানবিক একজন মানুষ হিসেবেও তিনি অনেকের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

এ কারণেই অনেকের কাছে তিনি শুধু ‘রাশেদ ভাই’ নন—কখনো বড় ভাই, কখনো বড় ছেলের মতো আপনজন। তাঁর আন্তরিক ব্যবহার, সহযোগিতার মানসিকতা ও মানুষের প্রতি সম্মান সোনারগাঁওবাসীর হৃদয়ে আলাদা একটি জায়গা করে নিয়েছে।

একজন সরকারি কর্মকর্তা যখন দায়িত্বের পাশাপাশি মানবিকতা, আন্তরিকতা ও সেবার মানসিকতা নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়ান, তখনই সরকারি সেবা মানুষের কাছে সত্যিকার অর্থে আপন হয়ে ওঠে।

মোঃ রাশেদুল ইসলাম—সোনারগাঁওবাসীর ভালোবাসায় একজন মানবিক সরকারি কর্মকর্তা, একজন আপন মানুষ।


পরিবেশ কন্ঠ

সম্পাদক: ড. মোহাম্মদ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ