পরিবেশ কণ্ঠ

প্রাপ্য আদায়ে শ্রম আদালতে অভিযোগ; উল্টো ‘মিথ্যা মামলার’ শিকার সাবেক সিনিয়র ম্যানেজার

একের পর এক অনিয়ম: ডাচ্ বাংলা প্যাক লিমিটেডের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে আসছে



একের পর এক অনিয়ম: ডাচ্ বাংলা প্যাক লিমিটেডের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে আসছে
ছবি: পরিবেশ কন্ঠ

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় অবস্থিত ডাচ-বাংলা প্যাক লিমিটেডের বিরুদ্ধে চাকরি শেষে কর্মচারীদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ না করা এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়াগত অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ভুক্তভোগী মোঃ আনোয়ার হোসেন।

ভুক্তভোগী মোঃ আনোয়ার হোসেন, যিনি প্রতিষ্ঠানটির সাবেক সিনিয়র ম্যানেজার (ইলেকট্রিক ডিপার্টমেন্ট) হিসেবে দীর্ঘদিন কর্মরত ছিলেন, জানান—তিনি প্রতিষ্ঠানের সকল নিয়ম মেনে যথাযথ প্রক্রিয়ায় চাকরি থেকে অব্যাহতি গ্রহণ করেন। তবে চাকরি শেষ হওয়ার পরও তার প্রাপ্য সকল পাওনা পরিশোধ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তার দাবি, পাওনা আদায়ের জন্য একাধিকবার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কোনো ইতিবাচক সাড়া পাননি। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর-এ একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে মুন্সিগঞ্জ কার্যালয় থেকে নোটিশ জারি করা হলে মীমাংসার উদ্দেশ্যে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে এসব বৈঠকে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে গড়িমসি করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। জানা যায়, প্রথম বৈঠকে সময় নেওয়া হয়, দ্বিতীয় বৈঠকে প্রতিনিধি পাঠিয়ে পুনরায় সময় চাওয়া হয় এবং তৃতীয় বৈঠকে প্রতিষ্ঠানের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না।

এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে আনোয়ার হোসেন বলেন, “আমি নিয়ম মেনে চাকরি ছেড়েছি এবং আমার ন্যায্য পাওনা চাইছি। কিন্তু আমাকে পাওনা না দিয়ে উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, পাওনা টাকা দাবি করাকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা তিনি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেন।

ভুক্তভোগীর দাবি, এটি একক ঘটনা নয়; প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আরও একাধিক কর্মচারীর অনুরূপ অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে ডাচ-বাংলা প্যাক লিমিটেড কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কণ্ঠ

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬


একের পর এক অনিয়ম: ডাচ্ বাংলা প্যাক লিমিটেডের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে আসছে

প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় অবস্থিত ডাচ-বাংলা প্যাক লিমিটেডের বিরুদ্ধে চাকরি শেষে কর্মচারীদের ন্যায্য পাওনা পরিশোধ না করা এবং বিভিন্ন প্রক্রিয়াগত অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগে ক্ষোভ প্রকাশ করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ভুক্তভোগী মোঃ আনোয়ার হোসেন।

ভুক্তভোগী মোঃ আনোয়ার হোসেন, যিনি প্রতিষ্ঠানটির সাবেক সিনিয়র ম্যানেজার (ইলেকট্রিক ডিপার্টমেন্ট) হিসেবে দীর্ঘদিন কর্মরত ছিলেন, জানান—তিনি প্রতিষ্ঠানের সকল নিয়ম মেনে যথাযথ প্রক্রিয়ায় চাকরি থেকে অব্যাহতি গ্রহণ করেন। তবে চাকরি শেষ হওয়ার পরও তার প্রাপ্য সকল পাওনা পরিশোধ করা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তার দাবি, পাওনা আদায়ের জন্য একাধিকবার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলেও কোনো ইতিবাচক সাড়া পাননি। পরবর্তীতে তিনি বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ অনুযায়ী কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর-এ একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে মুন্সিগঞ্জ কার্যালয় থেকে নোটিশ জারি করা হলে মীমাংসার উদ্দেশ্যে একাধিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে এসব বৈঠকে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে গড়িমসি করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। জানা যায়, প্রথম বৈঠকে সময় নেওয়া হয়, দ্বিতীয় বৈঠকে প্রতিনিধি পাঠিয়ে পুনরায় সময় চাওয়া হয় এবং তৃতীয় বৈঠকে প্রতিষ্ঠানের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না।

এতে ক্ষোভ প্রকাশ করে আনোয়ার হোসেন বলেন, “আমি নিয়ম মেনে চাকরি ছেড়েছি এবং আমার ন্যায্য পাওনা চাইছি। কিন্তু আমাকে পাওনা না দিয়ে উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, পাওনা টাকা দাবি করাকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে, যা তিনি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উল্লেখ করেন।

ভুক্তভোগীর দাবি, এটি একক ঘটনা নয়; প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আরও একাধিক কর্মচারীর অনুরূপ অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ ব্যাপারে ডাচ-বাংলা প্যাক লিমিটেড কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।


পরিবেশ কণ্ঠ

সম্পাদক: ড. মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ