পরিবেশ কণ্ঠ

তাপপ্রবাহের কবলে বাংলাদেশ; লোডশেডিং ও পানি সংকটে বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি ও চরম জনদুর্ভোগ

তীব্র দাবদাহ ও লোডশেডিংয়ের ভয়াবহ প্রভাব: জনজীবনে চরম বিপর্যয়



তীব্র দাবদাহ ও লোডশেডিংয়ের ভয়াবহ প্রভাব: জনজীবনে চরম বিপর্যয়
সংগৃহীত

তীব্র দাবদাহে হাঁসফাঁস জনজীবন: দোসর হয়ে এল লাগামহীন লোডশেডিং


তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাসে দেশজুড়ে উদ্বেগ; বিদ্যুৎ ও পানির তীব্র সংকটে চরম দুর্ভোগে খেটে খাওয়া মানুষ ও শিশুরা।


গত কয়েক দিনের সামান্য স্বস্তির পর বাংলাদেশ আবারো পুড়ছে তীব্র দাবদাহে। রোদের প্রখরতা বাড়ার সাথে সাথে জনজীবন হয়ে উঠেছে ওষ্ঠাগত। দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলসহ খোদ রাজধানী ঢাকাতেও তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানাচ্ছে, আগামী কয়েক দিনে এই তাপমাত্রা কমার কোনো সম্ভাবনা নেই, বরং আর্দ্রতার আধিক্যে অনুভূত গরমের তীব্রতা থাকবে অনেক বেশি। (কী ঘটেছে?) মূলত বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় এল-নিনো প্রভাবের কারণে দেশজুড়ে এই ভয়াবহ তাপপ্রবাহের সৃষ্টি হয়েছে। (কেন হয়েছে?) এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই মরার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে নিরবচ্ছিন্ন লোডশেডিং। 

জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন হ্রাস পাওয়ায় এবং অসহ্য গরমে এসির ব্যবহার বাড়ায় চাহিদার তুলনায় সরবরাহের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ফলে গ্রামীণ এলাকায় ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। (কীভাবে ঘটেছে?) এই অসহনীয় গরম আর বিদ্যুৎহীনতায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খোলা আকাশের নিচে কাজ করা দিনমজুর, রিকশাচালক ও নির্মাণ শ্রমিকরা। 

হাসপাতালে বাড়ছে হিটস্ট্রোক ও পানিশূন্যতায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা, যাদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধরাই বেশি। এছাড়া ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা দিয়েছে সুপেয় পানির তীব্র সংকট। (কোথায় ঘটেছে?) এমন পরিস্থিতিতে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বের হওয়া এবং প্রচুর পানি ও তরল খাবার গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। 

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

বিষয় : লোডশেডিং

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কণ্ঠ

শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬


তীব্র দাবদাহ ও লোডশেডিংয়ের ভয়াবহ প্রভাব: জনজীবনে চরম বিপর্যয়

প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

তীব্র দাবদাহে হাঁসফাঁস জনজীবন: দোসর হয়ে এল লাগামহীন লোডশেডিং


তাপমাত্রা বৃদ্ধির পূর্বাভাসে দেশজুড়ে উদ্বেগ; বিদ্যুৎ ও পানির তীব্র সংকটে চরম দুর্ভোগে খেটে খাওয়া মানুষ ও শিশুরা।


গত কয়েক দিনের সামান্য স্বস্তির পর বাংলাদেশ আবারো পুড়ছে তীব্র দাবদাহে। রোদের প্রখরতা বাড়ার সাথে সাথে জনজীবন হয়ে উঠেছে ওষ্ঠাগত। দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলসহ খোদ রাজধানী ঢাকাতেও তাপমাত্রার পারদ ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখী। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানাচ্ছে, আগামী কয়েক দিনে এই তাপমাত্রা কমার কোনো সম্ভাবনা নেই, বরং আর্দ্রতার আধিক্যে অনুভূত গরমের তীব্রতা থাকবে অনেক বেশি। (কী ঘটেছে?) মূলত বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় এল-নিনো প্রভাবের কারণে দেশজুড়ে এই ভয়াবহ তাপপ্রবাহের সৃষ্টি হয়েছে। (কেন হয়েছে?) এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যেই মরার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে নিরবচ্ছিন্ন লোডশেডিং। 

জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন হ্রাস পাওয়ায় এবং অসহ্য গরমে এসির ব্যবহার বাড়ায় চাহিদার তুলনায় সরবরাহের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। ফলে গ্রামীণ এলাকায় ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। (কীভাবে ঘটেছে?) এই অসহনীয় গরম আর বিদ্যুৎহীনতায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন খোলা আকাশের নিচে কাজ করা দিনমজুর, রিকশাচালক ও নির্মাণ শ্রমিকরা। 

হাসপাতালে বাড়ছে হিটস্ট্রোক ও পানিশূন্যতায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা, যাদের মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধরাই বেশি। এছাড়া ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা দিয়েছে সুপেয় পানির তীব্র সংকট। (কোথায় ঘটেছে?) এমন পরিস্থিতিতে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে না বের হওয়া এবং প্রচুর পানি ও তরল খাবার গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। 

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ


পরিবেশ কণ্ঠ

সম্পাদক: ড. মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ