মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ চড়িয়ে এবার ইরানের সবকটি বন্দর কঠোর অবরোধের আওতায় নিয়ে এসেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পূর্বঘোষিত সময়সীমা অনুযায়ী এই অভিযান শুরু করেছে মার্কিন নৌবাহিনী।
সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ওয়াশিংটন থেকে এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পর রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-এর নেতৃত্বে শুরু হয় এই নজিরবিহীন জলপথ অবরোধ। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সাফ জানিয়ে দিয়েছে, অবরোধ করা এই জলসীমায় যদি কোনো দেশের জাহাজ প্রবেশের চেষ্টা করে, তবে তা সরাসরি আটক বা জব্দ করা হবে। প্রয়োজনে জাহাজের গতিপথ ঘুরিয়ে দিতে বাধ্য করবে মার্কিন বাহিনী।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রীতিমতো যুদ্ধের হুঙ্কার দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, অবরোধ এলাকায় কোনো ইরানি জাহাজ দেখামাত্রই তা ধ্বংস করে দেওয়া হবে।
ট্রাম্প তার পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, সমুদ্রে মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে যে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়, ইরানের ক্ষেত্রেও একই নীতি অনুসরণ করা হবে। ট্রাম্পের দাবি, ইতিমধ্যে ইরানের নৌবাহিনীর একটি বড় অংশ তারা অকেজো করে দিয়েছেন। তবে কিছু ছোট ‘ফাস্ট অ্যাটাক জাহাজ’ এখনও রয়ে গেছে, যেগুলোকে তিনি মার্কিন বাহিনীর জন্য কোনো হুমকি বলে মনে করেন না। এই পরিস্থিতির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে এক অনিশ্চয়তা ও সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সূত্র: আলজাজিরা
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ চড়িয়ে এবার ইরানের সবকটি বন্দর কঠোর অবরোধের আওতায় নিয়ে এসেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পূর্বঘোষিত সময়সীমা অনুযায়ী এই অভিযান শুরু করেছে মার্কিন নৌবাহিনী।
সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় ওয়াশিংটন থেকে এই সবুজ সংকেত পাওয়ার পর রণতরি ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন’-এর নেতৃত্বে শুরু হয় এই নজিরবিহীন জলপথ অবরোধ। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সাফ জানিয়ে দিয়েছে, অবরোধ করা এই জলসীমায় যদি কোনো দেশের জাহাজ প্রবেশের চেষ্টা করে, তবে তা সরাসরি আটক বা জব্দ করা হবে। প্রয়োজনে জাহাজের গতিপথ ঘুরিয়ে দিতে বাধ্য করবে মার্কিন বাহিনী।
এদিকে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রীতিমতো যুদ্ধের হুঙ্কার দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, অবরোধ এলাকায় কোনো ইরানি জাহাজ দেখামাত্রই তা ধ্বংস করে দেওয়া হবে।
ট্রাম্প তার পোস্টে আরও উল্লেখ করেন, সমুদ্রে মাদক পাচারকারীদের বিরুদ্ধে যে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়, ইরানের ক্ষেত্রেও একই নীতি অনুসরণ করা হবে। ট্রাম্পের দাবি, ইতিমধ্যে ইরানের নৌবাহিনীর একটি বড় অংশ তারা অকেজো করে দিয়েছেন। তবে কিছু ছোট ‘ফাস্ট অ্যাটাক জাহাজ’ এখনও রয়ে গেছে, যেগুলোকে তিনি মার্কিন বাহিনীর জন্য কোনো হুমকি বলে মনে করেন না। এই পরিস্থিতির ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে এক অনিশ্চয়তা ও সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সূত্র: আলজাজিরা
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন