নিহত শ্রমিকের মৃত্যুতে কিশোর আটক হলেও মামলার এজাহারে ভিন্ন ব্যক্তির নাম, জনমনে তীব্র ক্ষোভ।
রাজধানীর বারিধারার ব্যস্ত সড়কে ফুটপাতে বিশ্রামরত এক নির্মাণ শ্রমিককে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার ঘটনাটি এখন চরম রহস্যে ঘেরা। মঙ্গলবার বিকেলে ঘাতক কালো গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাতে বসে থাকা মেহেদী হাসান মীমকে পিষ্ট করলে ঘটনাস্থলেই তার করুণ মৃত্যু হয়। সিসিটিভি ফুটেজে স্পষ্ট দেখা যায়, গাড়িটি থেকে টি-শার্ট পরিহিত এক কিশোর চালকের আসনে থেকে বেরিয়ে আসছে।
উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা তাৎক্ষণিকভাবে ওই কিশোরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করলেও আইনি প্রক্রিয়ায় দেখা দিয়েছে বড় ধরনের অসঙ্গতি। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় মামলা দায়ের করা হলেও এজাহারে মূল চালক হিসেবে আকাশ মারাক নামে অন্য একজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যা স্থানীয়দের মাঝে গভীর সন্দেহের জন্ম দিয়েছে। অভিযুক্ত ওই কিশোর বিমানের এক ক্যাপ্টেনের সন্তান এবং ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থী বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অথচ দুর্ঘটনার পর থেকেই পুলিশ প্রথমে তাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে প্রবল সমালোচনার মুখে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গুলশান থানার পুলিশ বলছে, সড়ক পরিবহন আইনে নিহতের ভাইয়ের দায়ের করা মামলায় চালক হিসেবে আকাশের নাম রয়েছে, কিন্তু কেন প্রকৃত চালক ওই কিশোরকে শুরুতে বাদ দেওয়া হয়েছিল তার সদুত্তর মেলেনি।
বাদীপক্ষের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এদিকে, বুধবার অভিযুক্তের বাসায় গিয়ে দেখা গেছে পুরো বাড়িটি তালাবদ্ধ। প্রভাবশালীদের চাপে প্রকৃত অপরাধীকে আড়াল করার এই চেষ্টা বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। ঘটনার সত্য উদঘাটনে প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন সচেতন নাগরিকরা।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিহত শ্রমিকের মৃত্যুতে কিশোর আটক হলেও মামলার এজাহারে ভিন্ন ব্যক্তির নাম, জনমনে তীব্র ক্ষোভ।
রাজধানীর বারিধারার ব্যস্ত সড়কে ফুটপাতে বিশ্রামরত এক নির্মাণ শ্রমিককে গাড়িচাপা দিয়ে হত্যার ঘটনাটি এখন চরম রহস্যে ঘেরা। মঙ্গলবার বিকেলে ঘাতক কালো গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাতে বসে থাকা মেহেদী হাসান মীমকে পিষ্ট করলে ঘটনাস্থলেই তার করুণ মৃত্যু হয়। সিসিটিভি ফুটেজে স্পষ্ট দেখা যায়, গাড়িটি থেকে টি-শার্ট পরিহিত এক কিশোর চালকের আসনে থেকে বেরিয়ে আসছে।
উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শীরা তাৎক্ষণিকভাবে ওই কিশোরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করলেও আইনি প্রক্রিয়ায় দেখা দিয়েছে বড় ধরনের অসঙ্গতি। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় মামলা দায়ের করা হলেও এজাহারে মূল চালক হিসেবে আকাশ মারাক নামে অন্য একজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, যা স্থানীয়দের মাঝে গভীর সন্দেহের জন্ম দিয়েছে। অভিযুক্ত ওই কিশোর বিমানের এক ক্যাপ্টেনের সন্তান এবং ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থী বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অথচ দুর্ঘটনার পর থেকেই পুলিশ প্রথমে তাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে প্রবল সমালোচনার মুখে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গুলশান থানার পুলিশ বলছে, সড়ক পরিবহন আইনে নিহতের ভাইয়ের দায়ের করা মামলায় চালক হিসেবে আকাশের নাম রয়েছে, কিন্তু কেন প্রকৃত চালক ওই কিশোরকে শুরুতে বাদ দেওয়া হয়েছিল তার সদুত্তর মেলেনি।
বাদীপক্ষের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এদিকে, বুধবার অভিযুক্তের বাসায় গিয়ে দেখা গেছে পুরো বাড়িটি তালাবদ্ধ। প্রভাবশালীদের চাপে প্রকৃত অপরাধীকে আড়াল করার এই চেষ্টা বিচার ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। ঘটনার সত্য উদঘাটনে প্রশাসনের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন সচেতন নাগরিকরা।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন