ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২০১৮ ব্যাচের সদস্য এক আইনজীবী অভিযোগ করেছেন, তার নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে কে বা কারা সরকারি কর্মকর্তাদের নাম ও পদবি উল্লেখ করে বিভিন্ন ধরনের আপত্তিকর ও অসত্য বক্তব্য সম্বলিত চিঠি বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে পাঠিয়েছে। তবে ওই চিঠির সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং চিঠিতে ব্যবহৃত স্বাক্ষরও তার নয় বলে দাবি করেছেন তিনি।
অভিযোগকারী আইনজীবী জানান, বিষয়টি প্রমাণের জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের কাছে বিভিন্ন প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন এবং বারবার ওই চিঠির বিষয়ে তদন্ত করার অনুরোধ করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার অভিযোগের বিষয়ে কোনো কার্যকর তদন্ত করা হয়নি বলে দাবি তার।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, লেবার কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গত ৩ মাস ১২ দিন ধরে তাকে লেবার কোর্টে নিয়মিত প্র্যাকটিস করতে দিচ্ছেন না। এমনকি বিভিন্ন লেবার কোর্টে লিখিত চিঠি দিয়ে তাকে মামলা পরিচালনার সুযোগ না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
ভুক্তভোগী আইনজীবীর বক্তব্য, তিনি একজন নিয়মিত প্র্যাকটিশনার এবং আইনজীবী হিসেবে তার পেশাগত অধিকার রয়েছে। কোনো চিঠি তিনি দেননি—এমন দাবি করার পরও কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং কেন তাকে প্র্যাকটিস থেকে বিরত রাখা হচ্ছে, সে বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট বার কর্তৃপক্ষের কাছে প্রশ্ন তুলেছেন।
তিনি বলেন, “আমি বারবার বলেছি, যে চিঠি আমার নামে দেওয়া হয়েছে সেটির তদন্ত করা হোক। আমি প্রমাণও দিয়েছি। কিন্তু আমার অভিযোগের তদন্ত না করে আমাকে প্র্যাকটিস করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। একজন নবীন আইনজীবীর সঙ্গে এ ধরনের আচরণ কেন করা হচ্ছে—এটাই আমার প্রশ্ন।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের অভিভাবক হিসেবে বার নেতৃবৃন্দের উচিত আইনজীবীদের পাশে দাঁড়ানো এবং কোনো অভিযোগ থাকলে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা। আমি আইনজীবী পরিবারের একজন সদস্য। আজ আমি হেনস্তার শিকার হচ্ছি, আগামীকাল অন্য কোনো আইনজীবীও এমন পরিস্থিতির শিকার হতে পারেন।”
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চিঠিগুলোর উৎস, স্বাক্ষরের সত্যতা এবং তার বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ওই আইনজীবী।
একই সঙ্গে তিনি আইনজীবী সমাজের সহকর্মীদের তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমি এই পেশার মানুষ। এই পেশা ছাড়া কীভাবে বাঁচব? আমার পাশে দাঁড়ান, বিষয়টি শেয়ার করুন এবং একটি ন্যায়সংগত তদন্তের জন্য আওয়াজ তুলুন।”

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা আইনজীবী সমিতির ২০১৮ ব্যাচের সদস্য এক আইনজীবী অভিযোগ করেছেন, তার নাম ও পরিচয় ব্যবহার করে কে বা কারা সরকারি কর্মকর্তাদের নাম ও পদবি উল্লেখ করে বিভিন্ন ধরনের আপত্তিকর ও অসত্য বক্তব্য সম্বলিত চিঠি বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে পাঠিয়েছে। তবে ওই চিঠির সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং চিঠিতে ব্যবহৃত স্বাক্ষরও তার নয় বলে দাবি করেছেন তিনি।
অভিযোগকারী আইনজীবী জানান, বিষয়টি প্রমাণের জন্য তিনি সংশ্লিষ্টদের কাছে বিভিন্ন প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন এবং বারবার ওই চিঠির বিষয়ে তদন্ত করার অনুরোধ করেছেন। কিন্তু এখন পর্যন্ত তার অভিযোগের বিষয়ে কোনো কার্যকর তদন্ত করা হয়নি বলে দাবি তার।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, লেবার কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গত ৩ মাস ১২ দিন ধরে তাকে লেবার কোর্টে নিয়মিত প্র্যাকটিস করতে দিচ্ছেন না। এমনকি বিভিন্ন লেবার কোর্টে লিখিত চিঠি দিয়ে তাকে মামলা পরিচালনার সুযোগ না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।
ভুক্তভোগী আইনজীবীর বক্তব্য, তিনি একজন নিয়মিত প্র্যাকটিশনার এবং আইনজীবী হিসেবে তার পেশাগত অধিকার রয়েছে। কোনো চিঠি তিনি দেননি—এমন দাবি করার পরও কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং কেন তাকে প্র্যাকটিস থেকে বিরত রাখা হচ্ছে, সে বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট বার কর্তৃপক্ষের কাছে প্রশ্ন তুলেছেন।
তিনি বলেন, “আমি বারবার বলেছি, যে চিঠি আমার নামে দেওয়া হয়েছে সেটির তদন্ত করা হোক। আমি প্রমাণও দিয়েছি। কিন্তু আমার অভিযোগের তদন্ত না করে আমাকে প্র্যাকটিস করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। একজন নবীন আইনজীবীর সঙ্গে এ ধরনের আচরণ কেন করা হচ্ছে—এটাই আমার প্রশ্ন।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের অভিভাবক হিসেবে বার নেতৃবৃন্দের উচিত আইনজীবীদের পাশে দাঁড়ানো এবং কোনো অভিযোগ থাকলে নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করা। আমি আইনজীবী পরিবারের একজন সদস্য। আজ আমি হেনস্তার শিকার হচ্ছি, আগামীকাল অন্য কোনো আইনজীবীও এমন পরিস্থিতির শিকার হতে পারেন।”
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চিঠিগুলোর উৎস, স্বাক্ষরের সত্যতা এবং তার বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন ওই আইনজীবী।
একই সঙ্গে তিনি আইনজীবী সমাজের সহকর্মীদের তার পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমি এই পেশার মানুষ। এই পেশা ছাড়া কীভাবে বাঁচব? আমার পাশে দাঁড়ান, বিষয়টি শেয়ার করুন এবং একটি ন্যায়সংগত তদন্তের জন্য আওয়াজ তুলুন।”

আপনার মতামত লিখুন