ঢাকায় বাংলাদেশ সোসাইটি অব আল্ট্রাসনগ্রাফির ৩৮তম জাতীয় কনফারেন্স ও আন্তর্জাতিক ওয়ার্কশপ এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। সর্বাধুনিক আল্ট্রাসনোগ্রাফি সেবা নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষণ ও একাডামিক উৎকর্ষের বিকল্প নাই বলে অভিমত দিয়েছেন বিএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। ‘আল্ট্রাসাউন্ড ফার্স্ট, আলাট্রাসাউন্ড লাস্ট’ এই স্লোগান নিয়ে বাংলাদেশ সোসাইটি অব আলট্রাসনগ্রাফি (BSU)-এর উদ্যোগে উক্ত সোসাইটির ৩৮তম জাতীয় কনফারেন্স ও আন্তর্জাতিক ওয়ার্কশপ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং তারিখে রাজধানী ঢাকার একটি পাঁচ তারাকা হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এর সম্মানিত উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সোসাইটি অব আলট্রাসনগ্রাফি (বিএসইউ) এর সম্মানিত সভাপতি অধ্যাপক ডা. রায়হান হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বৈজ্ঞানিক অধিবেশনের আয়োজন করা হয়। এছাড়াও রয়েছে ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ফর আল্ট্রাসাউন্ড ইন মেডিসিন এন্ড বায়োলজি এবং এশিয়ান ফেডারেশন ফর আল্ট্রাসাউন্ড ইন মেডিসিন এন্ড বায়োলজি এর সক্রিয় অংশগ্রহণে আল্ট্রাসাউন্ড বিষয়ে আন্তর্জাতিক ওয়ার্কশপ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএমইউ এর সম্মানিত উপাচার্য মহোদয় অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বাংলাদেশ সোসাইটি অব আলট্রাসনগ্রাফির ৩৮তম জাতীয় কনফারেন্স ও আন্তর্জাতিক ওয়ার্কশপ থেকে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের দ্রুত ও নিখুঁত বিকাশে ডায়াগনস্টিক মেডিসিন বা রোগ নির্ণয় ব্যবস্থার গুরুত্ব বর্তমানে সর্বজনস্বীকৃত। রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় আধুনিক আল্ট্রাসনোগ্রাফি একটি অপরিহার্য অংশ। আল্ট্রাসনোগ্রাফি সেবার গুণগত মান অবশ্যই বজায় রাখতে হবে। আল্ট্রাসনোগ্রাফির বিষয়ে চিকিৎসকদের নিরবচ্ছিন্ন প্রশিক্ষণ ও একাডামিক উৎকর্ষের বিকল্প নাই। এজন্য বাংলাদেশে বিশ্বের সর্বাধুনিক আল্ট্রাসনোগ্রাফি সেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সাথে সাথে একাডেমিক বিষয়েও সমানভাবে শিক্ষালাভের সুযোগ সৃষ্টি এবং তা কাজে লাগাতে হবে। এই সম্মেলনে দেশের সাথে সাথে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞগণ অংশ নিচ্ছেন, তাঁদের কাছ থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দেশীয় চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ, শিক্ষার্থীদেরকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি বিষয়ে যেমন সমৃদ্ধ করবে একই সাথে বাংলাদেশে রোগীদেরকে বিশ্বমানের আল্ট্রাসনোগ্রাফি সেবা নিশ্চিত করতে বিরাট ভূমিকা রাখবে। সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ সোসাইটি অব আলট্রাসনগ্রাফি (বিএসইউ) এর সম্মানিত সভাপতি অধ্যাপক ডা. রায়হান হোসেন বলেন, ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ সোসাইটি অব আলট্রাসনগ্রাফি প্রতিষ্ঠার পর থেকে আল্ট্রাসাউন্ড সেবার প্রসারে দেশব্যাপী কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এর ছয়টি ট্রেনিং ইন্সটিটিউট রয়েছে, যেখান থেকে আলট্রাসনগ্রাফি বিষয়ে চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। তবে গুণগত মান বজায় রাখা ও আলট্রাসনগ্রাফি সেবার প্রসারে বিশ্ববিদ্যালয় যেমন বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রয়োজনীয় সহায়তায় উচ্চতর কোর্স চালুসহ এ বিষয়ে শিক্ষা কার্যক্রমকে এগিয়ে নেয়া সময়েরই দাবি। বাংলাদেশ সোসাইটি অব আলট্রাসনগ্রাফির সহ-সভপাতি ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন এন্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেস (নিনমাস) এর সম্মানিত পরিচালক নিউক্লিয়ার মেডিসিন ও থাইরয়েড বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ. কে. এম. ফজলুল বারী জানান, জাতীয় এই কনফারেন্সে ও আন্তর্জাতিক ওয়ার্কশপে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দুই শতাধিক সনোলজিস্টগণ যোগদান করেছেন। একই সাথে ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, ভারত ও শ্রীলঙ্কা থেকে বিশেষজ্ঞগণ অংশ নিচ্ছেন। যা বাংলাদেশ সোসাইটি অব আলট্রাসনগ্রাফির কর্মকান্ডকে আরো গতিশীল করবে, জ্ঞানে বিজ্ঞানে চিকিৎসকদের আরো সমৃদ্ধ করবে এবং দেশের রোগীদের রোগ নির্ণয়সহ চিকিৎসাসেবায় আমূল পরিবর্তন আনাসহ বিরাট অবদান রাখবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম এ করীম, বাংলাদেশ সোসাইটি অব আলট্রাসনগ্রাফির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বাংলাদেশ মহিলা সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফওজিয়া মোসলেম, ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ফর আল্ট্রাসাউন্ড ইন মেডিসিন এন্ড বায়োলজি এর পরিচালক (সেন্টার অব এডুকেশন) অধ্যাপক ডা. কানু গোপাল বালা, বাংলাদেশ সোসাইটি অব আলট্রাসনগ্রাফির সহ-সভাপতি অধ্যাপক জেসমিন আরা হক, মহাসচিব অধ্যাপক ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস প্রমুখসহ দেশ-বিদেশের বিশেষজ্ঞগণ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলাদেশ সোসাইটি অব আলট্রাসনগ্রাফির ট্রেজারার ডা. মোঃ আব্দুর রশীদ। ছবি: পিযুষ কুমার বিশ্বাস।

শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকায় বাংলাদেশ সোসাইটি অব আল্ট্রাসনগ্রাফির ৩৮তম জাতীয় কনফারেন্স ও আন্তর্জাতিক ওয়ার্কশপ এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। সর্বাধুনিক আল্ট্রাসনোগ্রাফি সেবা নিশ্চিত করতে প্রশিক্ষণ ও একাডামিক উৎকর্ষের বিকল্প নাই বলে অভিমত দিয়েছেন বিএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। ‘আল্ট্রাসাউন্ড ফার্স্ট, আলাট্রাসাউন্ড লাস্ট’ এই স্লোগান নিয়ে বাংলাদেশ সোসাইটি অব আলট্রাসনগ্রাফি (BSU)-এর উদ্যোগে উক্ত সোসাইটির ৩৮তম জাতীয় কনফারেন্স ও আন্তর্জাতিক ওয়ার্কশপ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ইং তারিখে রাজধানী ঢাকার একটি পাঁচ তারাকা হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এর সম্মানিত উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাজমুল হোসেন। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সোসাইটি অব আলট্রাসনগ্রাফি (বিএসইউ) এর সম্মানিত সভাপতি অধ্যাপক ডা. রায়হান হোসেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বৈজ্ঞানিক অধিবেশনের আয়োজন করা হয়। এছাড়াও রয়েছে ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ফর আল্ট্রাসাউন্ড ইন মেডিসিন এন্ড বায়োলজি এবং এশিয়ান ফেডারেশন ফর আল্ট্রাসাউন্ড ইন মেডিসিন এন্ড বায়োলজি এর সক্রিয় অংশগ্রহণে আল্ট্রাসাউন্ড বিষয়ে আন্তর্জাতিক ওয়ার্কশপ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএমইউ এর সম্মানিত উপাচার্য মহোদয় অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী বাংলাদেশ সোসাইটি অব আলট্রাসনগ্রাফির ৩৮তম জাতীয় কনফারেন্স ও আন্তর্জাতিক ওয়ার্কশপ থেকে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের দ্রুত ও নিখুঁত বিকাশে ডায়াগনস্টিক মেডিসিন বা রোগ নির্ণয় ব্যবস্থার গুরুত্ব বর্তমানে সর্বজনস্বীকৃত। রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় আধুনিক আল্ট্রাসনোগ্রাফি একটি অপরিহার্য অংশ। আল্ট্রাসনোগ্রাফি সেবার গুণগত মান অবশ্যই বজায় রাখতে হবে। আল্ট্রাসনোগ্রাফির বিষয়ে চিকিৎসকদের নিরবচ্ছিন্ন প্রশিক্ষণ ও একাডামিক উৎকর্ষের বিকল্প নাই। এজন্য বাংলাদেশে বিশ্বের সর্বাধুনিক আল্ট্রাসনোগ্রাফি সেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জনের সাথে সাথে একাডেমিক বিষয়েও সমানভাবে শিক্ষালাভের সুযোগ সৃষ্টি এবং তা কাজে লাগাতে হবে। এই সম্মেলনে দেশের সাথে সাথে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বিশেষজ্ঞগণ অংশ নিচ্ছেন, তাঁদের কাছ থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দেশীয় চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদ, শিক্ষার্থীদেরকে আল্ট্রাসনোগ্রাফি বিষয়ে যেমন সমৃদ্ধ করবে একই সাথে বাংলাদেশে রোগীদেরকে বিশ্বমানের আল্ট্রাসনোগ্রাফি সেবা নিশ্চিত করতে বিরাট ভূমিকা রাখবে। সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ সোসাইটি অব আলট্রাসনগ্রাফি (বিএসইউ) এর সম্মানিত সভাপতি অধ্যাপক ডা. রায়হান হোসেন বলেন, ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ সোসাইটি অব আলট্রাসনগ্রাফি প্রতিষ্ঠার পর থেকে আল্ট্রাসাউন্ড সেবার প্রসারে দেশব্যাপী কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এর ছয়টি ট্রেনিং ইন্সটিটিউট রয়েছে, যেখান থেকে আলট্রাসনগ্রাফি বিষয়ে চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। তবে গুণগত মান বজায় রাখা ও আলট্রাসনগ্রাফি সেবার প্রসারে বিশ্ববিদ্যালয় যেমন বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রয়োজনীয় সহায়তায় উচ্চতর কোর্স চালুসহ এ বিষয়ে শিক্ষা কার্যক্রমকে এগিয়ে নেয়া সময়েরই দাবি। বাংলাদেশ সোসাইটি অব আলট্রাসনগ্রাফির সহ-সভপাতি ও ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন এন্ড অ্যালায়েড সায়েন্সেস (নিনমাস) এর সম্মানিত পরিচালক নিউক্লিয়ার মেডিসিন ও থাইরয়েড বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এ. কে. এম. ফজলুল বারী জানান, জাতীয় এই কনফারেন্সে ও আন্তর্জাতিক ওয়ার্কশপে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দুই শতাধিক সনোলজিস্টগণ যোগদান করেছেন। একই সাথে ভিয়েতনাম, পাকিস্তান, ভারত ও শ্রীলঙ্কা থেকে বিশেষজ্ঞগণ অংশ নিচ্ছেন। যা বাংলাদেশ সোসাইটি অব আলট্রাসনগ্রাফির কর্মকান্ডকে আরো গতিশীল করবে, জ্ঞানে বিজ্ঞানে চিকিৎসকদের আরো সমৃদ্ধ করবে এবং দেশের রোগীদের রোগ নির্ণয়সহ চিকিৎসাসেবায় আমূল পরিবর্তন আনাসহ বিরাট অবদান রাখবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রাক্তন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম এ করীম, বাংলাদেশ সোসাইটি অব আলট্রাসনগ্রাফির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বাংলাদেশ মহিলা সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফওজিয়া মোসলেম, ওয়ার্ল্ড ফেডারেশন ফর আল্ট্রাসাউন্ড ইন মেডিসিন এন্ড বায়োলজি এর পরিচালক (সেন্টার অব এডুকেশন) অধ্যাপক ডা. কানু গোপাল বালা, বাংলাদেশ সোসাইটি অব আলট্রাসনগ্রাফির সহ-সভাপতি অধ্যাপক জেসমিন আরা হক, মহাসচিব অধ্যাপক ডা. শংকর কুমার বিশ্বাস প্রমুখসহ দেশ-বিদেশের বিশেষজ্ঞগণ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলাদেশ সোসাইটি অব আলট্রাসনগ্রাফির ট্রেজারার ডা. মোঃ আব্দুর রশীদ। ছবি: পিযুষ কুমার বিশ্বাস।

আপনার মতামত লিখুন