আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২৯ বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন আদেশে এলসি ছাড়াই যে কোনো পরিমাণ পণ্য আমদানির সুযোগ রাখা হয়েছে। ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির মাধ্যমে স্থানীয় উৎস থেকে টাকায় উপকরণ সংগ্রহের সুযোগসহ বিভিন্ন বিষয় যুক্ত করা হয়েছে। গত ২৪ আগস্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে নতুন এ আদেশ জারি করা হয়। ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এটি কার্যকর থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায়, নতুন আমদানি নীতি আদেশের আওতায় বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন সংশ্লিষ্ট কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিধানের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আমদানি মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে ওপেন অ্যাকাউন্ট পদ্ধতি ব্যবহারের সুযোগের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। আমদানিকারকদের আমদানি দায় পরিশোধে যা অধিকতর নমনীয়তা দেবে। আমদানি নীতি আদেশের অনুচ্ছেদের ৬(৩) আলোকে সার্কুলারে বলা হয়েছে, শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে আমদানিযোগ্য সব পণ্য নির্ধারিত মূল্যসীমা নির্বিশেষে ঋণপত্র খোলা ছাড়াই ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে আমদানি করা যাবে। অবশ্য এ জন্য বৈদেশিক মুদ্রা-সংক্রান্ত বিধিবিধান মানতে হবে।
নতুন আদেশের অনুচ্ছেদ ২৫-এ উৎপাদনে ব্যবহৃত উপকরণ আমদানি ও সংগ্রহের বিধান রয়েছে। এ বিধানের আওতায় রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের মাধ্যমে স্থানীয় উৎস থেকে টাকায় পণ্য সংগ্রহ এবং ফ্রি-অব-কস্ট ভিত্তিতে উৎপাদন উপকরণ সংগ্রহের সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া উৎপাদন উপকরণ আমদানি ও সংগ্রহের ক্ষেত্রে বন্ডেড ওয়্যারহাউস ব্যবস্থার প্রযোজ্যতা সম্পর্কেও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে সরকারি আদেশ বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দেশনা দিয়ে থাকে। এ নির্দেশনা নতুন আমদানি নীতি কাঠামোর সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনাকে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করবে, বাণিজ্য লেনদেনে নমনীয়তা বাড়াবে এবং মূল্য পরিশোধ ব্যবস্থার মাধ্যমে রপ্তানিমুখী শিল্প খাতকে সহায়তা করবে।
বিষয় : আমদানি

সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আমদানি নীতি আদেশ ২০২৬-২৯ বাস্তবায়নে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন আদেশে এলসি ছাড়াই যে কোনো পরিমাণ পণ্য আমদানির সুযোগ রাখা হয়েছে। ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির মাধ্যমে স্থানীয় উৎস থেকে টাকায় উপকরণ সংগ্রহের সুযোগসহ বিভিন্ন বিষয় যুক্ত করা হয়েছে। গত ২৪ আগস্ট বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে নতুন এ আদেশ জারি করা হয়। ২০২৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত এটি কার্যকর থাকবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায়, নতুন আমদানি নীতি আদেশের আওতায় বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন সংশ্লিষ্ট কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিধানের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। এর মধ্যে আমদানি মূল্য পরিশোধের ক্ষেত্রে ওপেন অ্যাকাউন্ট পদ্ধতি ব্যবহারের সুযোগের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। আমদানিকারকদের আমদানি দায় পরিশোধে যা অধিকতর নমনীয়তা দেবে। আমদানি নীতি আদেশের অনুচ্ছেদের ৬(৩) আলোকে সার্কুলারে বলা হয়েছে, শিল্প ও বাণিজ্যিক খাতে আমদানিযোগ্য সব পণ্য নির্ধারিত মূল্যসীমা নির্বিশেষে ঋণপত্র খোলা ছাড়াই ক্রয়-বিক্রয় চুক্তির মাধ্যমে আমদানি করা যাবে। অবশ্য এ জন্য বৈদেশিক মুদ্রা-সংক্রান্ত বিধিবিধান মানতে হবে।
নতুন আদেশের অনুচ্ছেদ ২৫-এ উৎপাদনে ব্যবহৃত উপকরণ আমদানি ও সংগ্রহের বিধান রয়েছে। এ বিধানের আওতায় রপ্তানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্রের মাধ্যমে স্থানীয় উৎস থেকে টাকায় পণ্য সংগ্রহ এবং ফ্রি-অব-কস্ট ভিত্তিতে উৎপাদন উপকরণ সংগ্রহের সুযোগ রাখা হয়েছে। এ ছাড়া উৎপাদন উপকরণ আমদানি ও সংগ্রহের ক্ষেত্রে বন্ডেড ওয়্যারহাউস ব্যবস্থার প্রযোজ্যতা সম্পর্কেও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন কর্মকর্তা বলেন, নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে সরকারি আদেশ বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দেশনা দিয়ে থাকে। এ নির্দেশনা নতুন আমদানি নীতি কাঠামোর সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনাকে আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ করবে, বাণিজ্য লেনদেনে নমনীয়তা বাড়াবে এবং মূল্য পরিশোধ ব্যবস্থার মাধ্যমে রপ্তানিমুখী শিল্প খাতকে সহায়তা করবে।

আপনার মতামত লিখুন