নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুনের ছোট ভাই সুমন। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
সুমনের দাবি, প্রকাশিত সংবাদে তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে, তার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। তার ভাষ্য, চেয়ারম্যান মামুনের সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে তাকে জড়িয়ে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনে অভিযোগকারী হিসেবে যে নারীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তার সঙ্গে তাদের পরিবারের কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই। এমনকি ওই নারীকে তারা ব্যক্তিগতভাবেও চেনেন না বলে দাবি করেন সুমন। এ কারণে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে তিনি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেন।
সুমনের আরও অভিযোগ, সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক বা প্রতিবেদক তার কিংবা তার বড় ভাই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে যোগাযোগ করে বক্তব্য নেননি। তাদের বক্তব্য যাচাই না করে একতরফাভাবে সংবাদ প্রকাশ করায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
তার দাবি, এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে তাদের সামাজিক মর্যাদা ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে প্রকাশিত সংবাদে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে সুমন জানান, বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ সময় তিনি সংবাদমাধ্যমের প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো অভিযোগ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য নেওয়া, তথ্য যাচাই করা এবং বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করা জরুরি।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুনের ছোট ভাই সুমন। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
সুমনের দাবি, প্রকাশিত সংবাদে তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে, তার সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। তার ভাষ্য, চেয়ারম্যান মামুনের সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্যে তাকে জড়িয়ে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, প্রকাশিত প্রতিবেদনে অভিযোগকারী হিসেবে যে নারীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তার সঙ্গে তাদের পরিবারের কোনো ধরনের সম্পর্ক নেই। এমনকি ওই নারীকে তারা ব্যক্তিগতভাবেও চেনেন না বলে দাবি করেন সুমন। এ কারণে তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগকে তিনি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উল্লেখ করেন।
সুমনের আরও অভিযোগ, সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক বা প্রতিবেদক তার কিংবা তার বড় ভাই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুনের সঙ্গে যোগাযোগ করে বক্তব্য নেননি। তাদের বক্তব্য যাচাই না করে একতরফাভাবে সংবাদ প্রকাশ করায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
তার দাবি, এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে তাদের সামাজিক মর্যাদা ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে। তবে প্রকাশিত সংবাদে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে সুমন জানান, বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রচারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এ সময় তিনি সংবাদমাধ্যমের প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে বলেন, কোনো অভিযোগ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য নেওয়া, তথ্য যাচাই করা এবং বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করা জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন