পরিবেশ কন্ঠ

ব্যতিক্রমী তিন কর্মবীরকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহায়তার আশ্বাস


প্রকাশ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

ব্যতিক্রমী তিন কর্মবীরকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহায়তার আশ্বাস
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি

সমাজকল্যাণে নিবেদিত তিন অদম্য ব্যক্তির জীবনসংগ্রামের কথা শুনে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সমাজের গণ্ডি পেরিয়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখা তিন অদম্য ব্যক্তিকে বুধবার সচিবালয়ে ডেকে বিশেষ সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা জয় করে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, বিসিএস ত্যাগ করে শিক্ষকতা ও দীর্ঘ তিন দশক ধরে বৃক্ষরোপণের মতো মহতী কাজ করা এই তিন ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সরাসরি সাক্ষাৎ করে নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তাদের এই দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সরকারপ্রধান।

নরসিংদীর আলতাফ হোসেন দুই হাত ছাড়াই পা দিয়ে লিখে বিদ্যালয় পরিচালনার বিরল নজির স্থাপন করেছেন। এছাড়া বুয়েট থেকে উত্তীর্ণ হয়ে প্রকৌশল পেশা ছেড়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার আলো ছড়াতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকতাকে বেছে নিয়েছেন নায়লা শারাফ। অন্যদিকে ভোলার রেজাউল কিবরিয়া বাবুল নিজস্ব অর্থ ও শ্রমে হাজার হাজার বৃক্ষ রোপণ করে সবুজায়নে অবদান রেখে চলেছেন। তাদের প্রত্যেকের ভিন্নধর্মী উদ্যোগ ও ত্যাগের গল্পগুলো জাতীয় উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী তাদের বলেন, ব্যক্তিগত উদ্যোগে সমাজের কল্যাণে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের মতো সবাই দেশের উন্নয়নে সক্রিয় হলে লক্ষ্য অর্জনে গতি আসবে। এ সময় তাদের কাজের বর্তমান পরিস্থিতি ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সরকারপ্রধান। তিন জনই প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তাদের দেশপ্রেম ও মানবিক কার্যক্রমকে উৎসাহিত করতে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সাক্ষাৎ শেষে তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। প্রশাসনিক সহায়তার নিশ্চয়তা পাওয়ায় তাদের উদ্যোগগুলো আরও সুসংহত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। ভবিষ্যতে এই ধরনের মহতী কাজের স্বীকৃতি প্রদান এবং দেশব্যাপী জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে। প্রধানমন্ত্রীর এই মানবিক সহায়তা দেশের সাধারণ মানুষকেও ইতিবাচক কাজে উৎসাহ জোগাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

বিষয় : শিক্ষক প্রাথমিক শিক্ষা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃক্ষরোপণ শিক্ষক মানবিক সহায়তা

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কন্ঠ

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬


ব্যতিক্রমী তিন কর্মবীরকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহায়তার আশ্বাস

প্রকাশের তারিখ : ১৪ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

সমাজকল্যাণে নিবেদিত তিন অদম্য ব্যক্তির জীবনসংগ্রামের কথা শুনে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সমাজের গণ্ডি পেরিয়ে ব্যক্তিগত উদ্যোগে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখা তিন অদম্য ব্যক্তিকে বুধবার সচিবালয়ে ডেকে বিশেষ সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা জয় করে বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, বিসিএস ত্যাগ করে শিক্ষকতা ও দীর্ঘ তিন দশক ধরে বৃক্ষরোপণের মতো মহতী কাজ করা এই তিন ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সরাসরি সাক্ষাৎ করে নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। তাদের এই দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন সরকারপ্রধান।

নরসিংদীর আলতাফ হোসেন দুই হাত ছাড়াই পা দিয়ে লিখে বিদ্যালয় পরিচালনার বিরল নজির স্থাপন করেছেন। এছাড়া বুয়েট থেকে উত্তীর্ণ হয়ে প্রকৌশল পেশা ছেড়ে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষার আলো ছড়াতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকতাকে বেছে নিয়েছেন নায়লা শারাফ। অন্যদিকে ভোলার রেজাউল কিবরিয়া বাবুল নিজস্ব অর্থ ও শ্রমে হাজার হাজার বৃক্ষ রোপণ করে সবুজায়নে অবদান রেখে চলেছেন। তাদের প্রত্যেকের ভিন্নধর্মী উদ্যোগ ও ত্যাগের গল্পগুলো জাতীয় উন্নয়নের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী তাদের বলেন, ব্যক্তিগত উদ্যোগে সমাজের কল্যাণে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আপনাদের মতো সবাই দেশের উন্নয়নে সক্রিয় হলে লক্ষ্য অর্জনে গতি আসবে। এ সময় তাদের কাজের বর্তমান পরিস্থিতি ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন সরকারপ্রধান। তিন জনই প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তাদের দেশপ্রেম ও মানবিক কার্যক্রমকে উৎসাহিত করতে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সাক্ষাৎ শেষে তারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। প্রশাসনিক সহায়তার নিশ্চয়তা পাওয়ায় তাদের উদ্যোগগুলো আরও সুসংহত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। ভবিষ্যতে এই ধরনের মহতী কাজের স্বীকৃতি প্রদান এবং দেশব্যাপী জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসে। প্রধানমন্ত্রীর এই মানবিক সহায়তা দেশের সাধারণ মানুষকেও ইতিবাচক কাজে উৎসাহ জোগাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ


পরিবেশ কন্ঠ

সম্পাদক: ড. মোহাম্মদ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ