বন্দর উপজেলার মদনপুর বাসস্ট্যান্ড ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ এবং মশার বংশবিস্তার রোধে বিশেষ দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
বর্ষার এই মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলায় জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে এবং মরণঘাতী এই জ্বরের হাত থেকে সুরক্ষিত রাখতে এক বিশেষ লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির উদ্যোগে মঙ্গলবার মদনপুর বাসস্ট্যান্ড এবং এর আশেপাশের জনাকীর্ণ এলাকাগুলোতে এই সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়।
আয়োজকদের মূল লক্ষ্য ছিল সাধারণ পথচারী, স্থানীয় ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক এবং সাধারণ মানুষের কাছে ডেঙ্গু প্রতিরোধের বার্তা পৌঁছে দেওয়া। পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ হোসাইনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই কার্যক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোঃ ফলিলুর রহমান।
কর্মসূচির শুরুতেই বক্তারা ডেঙ্গু জ্বরের ভয়াবহতা এবং এর প্রতিরোধে ব্যক্তিগত ও সামাজিক কর্তব্যের বিষয়ে আলোকপাত করেন। তারা বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় কেবল চিকিৎসার ওপর নির্ভর করলে চলবে না; বরং এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল হতে হবে।
বিশেষ করে বাড়ির ছাদ, বারান্দার ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, নির্মাণাধীন ভবন কিংবা ড্রেনের জমা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। সচেতনতামূলক আলোচনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জমজম হোমিও হলের প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ মোঃ ইছহাক, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও সাংবাদিক দ্বীন ইসলাম এবং সোসাইটির সহ-সভাপতি মাসুম আকন।
তারা উল্লেখ করেন যে, তীব্র জ্বর, মাথাব্যথা কিংবা শরীর ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। নিয়মিত ডাবের পানি এবং তরল জাতীয় খাবার গ্রহণের মাধ্যমে শারীরিক জটিলতা কমানোর উপায় নিয়েও লিফলেটে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ হোসাইন তার বক্তব্যে বলেন, একটি ডেঙ্গুমুক্ত সমাজ গড়তে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি সামাজিক সংগঠন, শিক্ষার্থী এবং জনপ্রতিনিধিদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি মদনপুর বাসস্ট্যান্ডের মতো জনবহুল এলাকাগুলোতে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরা লিফলেট বিতরণের পাশাপাশি মশার উৎপত্তিস্থলগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো ধ্বংস করার বিষয়ে স্থানীয়দের পরামর্শ দেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে এ ধরনের সচেতনতামূলক প্রচারণা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

রোববার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বন্দর উপজেলার মদনপুর বাসস্ট্যান্ড ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ এবং মশার বংশবিস্তার রোধে বিশেষ দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে।
বর্ষার এই মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলায় জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে এবং মরণঘাতী এই জ্বরের হাত থেকে সুরক্ষিত রাখতে এক বিশেষ লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির উদ্যোগে মঙ্গলবার মদনপুর বাসস্ট্যান্ড এবং এর আশেপাশের জনাকীর্ণ এলাকাগুলোতে এই সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়।
আয়োজকদের মূল লক্ষ্য ছিল সাধারণ পথচারী, স্থানীয় ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক এবং সাধারণ মানুষের কাছে ডেঙ্গু প্রতিরোধের বার্তা পৌঁছে দেওয়া। পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ হোসাইনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই কার্যক্রমে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মদনপুর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোঃ ফলিলুর রহমান।
কর্মসূচির শুরুতেই বক্তারা ডেঙ্গু জ্বরের ভয়াবহতা এবং এর প্রতিরোধে ব্যক্তিগত ও সামাজিক কর্তব্যের বিষয়ে আলোকপাত করেন। তারা বলেন, ডেঙ্গু মোকাবিলায় কেবল চিকিৎসার ওপর নির্ভর করলে চলবে না; বরং এডিস মশার বংশবিস্তার রোধে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল হতে হবে।
বিশেষ করে বাড়ির ছাদ, বারান্দার ফুলের টব, পরিত্যক্ত পাত্র, নির্মাণাধীন ভবন কিংবা ড্রেনের জমা পানি নিয়মিত পরিষ্কার করার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। সচেতনতামূলক আলোচনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জমজম হোমিও হলের প্রতিষ্ঠাতা ডাঃ মোঃ ইছহাক, সংগঠনের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ও সাংবাদিক দ্বীন ইসলাম এবং সোসাইটির সহ-সভাপতি মাসুম আকন।
তারা উল্লেখ করেন যে, তীব্র জ্বর, মাথাব্যথা কিংবা শরীর ব্যথার মতো উপসর্গ দেখা দিলে আতঙ্কিত না হয়ে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। নিয়মিত ডাবের পানি এবং তরল জাতীয় খাবার গ্রহণের মাধ্যমে শারীরিক জটিলতা কমানোর উপায় নিয়েও লিফলেটে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে।
পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান মোঃ হোসাইন তার বক্তব্যে বলেন, একটি ডেঙ্গুমুক্ত সমাজ গড়তে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি সামাজিক সংগঠন, শিক্ষার্থী এবং জনপ্রতিনিধিদের সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। তিনি মদনপুর বাসস্ট্যান্ডের মতো জনবহুল এলাকাগুলোতে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীরা লিফলেট বিতরণের পাশাপাশি মশার উৎপত্তিস্থলগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো ধ্বংস করার বিষয়ে স্থানীয়দের পরামর্শ দেন। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে এ ধরনের সচেতনতামূলক প্রচারণা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন