সোনারগাঁওয়ের খাশেরকান্দায় সাবেক গ্রাম পুলিশের অসুস্থ ছেলের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে হাজির হলেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নে রাজনীতির বাইরেও এক পশলা মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের খাশেরকান্দা এলাকার কৃতিসন্তান এবং সাবেক গ্রাম পুলিশ মরহুম হযরত আলী মিয়ার সুযোগ্য তনয় মো. সুমন দীর্ঘদিন ধরে এক কঠিন শারীরিক অসুস্থতার সাথে লড়াই করছেন। তাঁর এই দুঃসময়ে এবং শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে গত শুক্রবার বিকেলে তাঁর বাসভবনে উপস্থিত হন বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক হাজী আব্দুল্লাহ আল মামুন।
একটি অঞ্চলের সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা কেবল সভা-সমাবেশে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তা সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত দুঃখ-কষ্টের অংশীদার হওয়ার মাধ্যমেই পূর্ণতা পায়। হাজী মামুন যখন সুমনের বাড়িতে পৌঁছান, তখন সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তিনি সুমনের শয্যাপাশে বসে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেন এবং তাঁর চিকিৎসার অগ্রগতি ও বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে পরিবারের সদস্যদের সাথে বিস্তারিত আলাপ করেন। সুমনের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, এই সংকটে তাঁরা একাকী নন। সমাজের বিত্তবান ও সচেতন ব্যক্তিদের দায়িত্বই হলো একে অপরের বিপদে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া।
পরিদর্শনকালে হাজী আব্দুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, “সুমন আমাদেরই সন্তান, আমাদেরই ভাই। তাঁর পিতা মরহুম হযরত আলী মিয়া এই এলাকার মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় গ্রাম পুলিশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। আজ তাঁর ছেলের এই কঠিন সময়ে আমরা পাশে না দাঁড়ালে তা হবে চরম অমানবিকতা। আমরা সকলে মিলে মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করি যেন তিনি সুমনকে দ্রুত সুস্থ করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দেন।” তিনি কেবল সমবেদনা জানিয়েই ক্ষান্ত হননি, বরং সুমনের সুচিকিৎসার জন্য পরিবারের পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
এ সময় মামুনের সাথে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় মুরুব্বি এবং রাজনৈতিক কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা সকলে সমবেতভাবে অসুস্থ সুমনের রোগমুক্তির জন্য পরম করুণাময়ের কাছে দোয়া কামনা করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা মামুনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলছেন, ভোটের রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে এমন মানবিক আচরণ বর্তমানে বিরল। রাজনৈতিক নেতাদের যদি সাধারণ মানুষের এমন ব্যক্তিগত সংকটে পাওয়া যায়, তবেই সমাজের আমূল পরিবর্তন সম্ভব।
উল্লেখ্য যে, সুমন দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর পিতা হযরত আলী মিয়ার সামাজিক পরিচিতি এবং সুমনের নিজস্ব সদাচারী আচরণের কারণে স্থানীয় মহলে এই পরিবারটির বিশেষ সম্মান রয়েছে। হাজী মামুনের এই সফর পরিবারটির মনে এক নতুন আশার আলো সঞ্চার করেছে। সমাজ ও মানুষের সেবায় এমন উদ্যোগ আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন উপস্থিত সকলে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোনারগাঁওয়ের খাশেরকান্দায় সাবেক গ্রাম পুলিশের অসুস্থ ছেলের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে হাজির হলেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়নে রাজনীতির বাইরেও এক পশলা মানবিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে। ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের খাশেরকান্দা এলাকার কৃতিসন্তান এবং সাবেক গ্রাম পুলিশ মরহুম হযরত আলী মিয়ার সুযোগ্য তনয় মো. সুমন দীর্ঘদিন ধরে এক কঠিন শারীরিক অসুস্থতার সাথে লড়াই করছেন। তাঁর এই দুঃসময়ে এবং শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে গত শুক্রবার বিকেলে তাঁর বাসভবনে উপস্থিত হন বৈদ্যেরবাজার ইউনিয়ন পরিষদের আগামী নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক হাজী আব্দুল্লাহ আল মামুন।
একটি অঞ্চলের সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা কেবল সভা-সমাবেশে সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তা সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত দুঃখ-কষ্টের অংশীদার হওয়ার মাধ্যমেই পূর্ণতা পায়। হাজী মামুন যখন সুমনের বাড়িতে পৌঁছান, তখন সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তিনি সুমনের শয্যাপাশে বসে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করেন এবং তাঁর চিকিৎসার অগ্রগতি ও বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে পরিবারের সদস্যদের সাথে বিস্তারিত আলাপ করেন। সুমনের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে তিনি আশ্বস্ত করেন যে, এই সংকটে তাঁরা একাকী নন। সমাজের বিত্তবান ও সচেতন ব্যক্তিদের দায়িত্বই হলো একে অপরের বিপদে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া।
পরিদর্শনকালে হাজী আব্দুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, “সুমন আমাদেরই সন্তান, আমাদেরই ভাই। তাঁর পিতা মরহুম হযরত আলী মিয়া এই এলাকার মানুষের জানমালের নিরাপত্তায় গ্রাম পুলিশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। আজ তাঁর ছেলের এই কঠিন সময়ে আমরা পাশে না দাঁড়ালে তা হবে চরম অমানবিকতা। আমরা সকলে মিলে মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করি যেন তিনি সুমনকে দ্রুত সুস্থ করে আমাদের মাঝে ফিরিয়ে দেন।” তিনি কেবল সমবেদনা জানিয়েই ক্ষান্ত হননি, বরং সুমনের সুচিকিৎসার জন্য পরিবারের পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
এ সময় মামুনের সাথে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্থানীয় মুরুব্বি এবং রাজনৈতিক কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা সকলে সমবেতভাবে অসুস্থ সুমনের রোগমুক্তির জন্য পরম করুণাময়ের কাছে দোয়া কামনা করেন। স্থানীয় বাসিন্দারা মামুনের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলছেন, ভোটের রাজনীতির উর্ধ্বে উঠে এমন মানবিক আচরণ বর্তমানে বিরল। রাজনৈতিক নেতাদের যদি সাধারণ মানুষের এমন ব্যক্তিগত সংকটে পাওয়া যায়, তবেই সমাজের আমূল পরিবর্তন সম্ভব।
উল্লেখ্য যে, সুমন দীর্ঘদিন ধরে বাড়িতেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁর পিতা হযরত আলী মিয়ার সামাজিক পরিচিতি এবং সুমনের নিজস্ব সদাচারী আচরণের কারণে স্থানীয় মহলে এই পরিবারটির বিশেষ সম্মান রয়েছে। হাজী মামুনের এই সফর পরিবারটির মনে এক নতুন আশার আলো সঞ্চার করেছে। সমাজ ও মানুষের সেবায় এমন উদ্যোগ আগামী দিনেও অব্যাহত থাকবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন উপস্থিত সকলে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন