পরিবেশ কন্ঠ

সর্বগ্রাসী মধুমতির থাবায় বিলীন ভিটেমাটি : টেকসই বাঁধের আকুতি

মাগুরার মহম্মদপুরের দুই গ্রামে শত শত মানুষের হাহাকার



 মাগুরার মহম্মদপুরের দুই গ্রামে শত শত মানুষের হাহাকার
মধুমতি নদীর ভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব পরিবারের চিত্র

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার চুড়ারগাতী ও গয়েশপুর গ্রামে সর্বগ্রাসী মধুমতি নদীর তীব্র ভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে একের পর এক পরিবার। নদীর প্রবল স্রোত ও ভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে শত শত বছরের পুরনো বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। ভিটেমাটি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, যাদের চোখে-মুখে এখন কেবলই অনিশ্চয়তা ও হাহাকার। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত কয়েকদিন ধরে মধুমতি নদীর পানি বৃদ্ধি ও প্রবল স্রোতের কারণে চুড়ারগাতী ও গয়েশপুর এলাকায় ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিন নদীর পেটে চলে যাচ্ছে বিঘা বিঘা আবাদি জমি, গাছপালা এবং বসতঘর। ভাঙনের গতি এতোটাই তীব্র যে, অনেকে নিজেদের শেষ সম্বলটুকু সরিয়ে নেওয়ার সুযোগও পাচ্ছেন না। চোঁখের সামনে নিজেদের আজীবনের উপার্জিত সম্পদ নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে মধুমতির ভাঙন তীব্র রূপ নিলেও নদী রক্ষায় এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমাধান করা হয়নি। ফলে প্রতি বছরই অনেক পরিবার ভূমিহীন হয়ে পড়ছে। জরুরি ভিত্তিতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নিলে অচিরেই মানচিত্র থেকে মুছে যেতে পারে এই দুই সমৃদ্ধ গ্রাম। এ অবস্থায় নদী ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও ওয়াটার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (পানি উন্নয়ন বোর্ড) প্রতি আকুল আকুতি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। সেই সঙ্গে নদী তীরবর্তী অসহায় মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ডাম্পিং এবং একটি টেকসই নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) মহোদয়ের আশু সু-নজর ও হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কন্ঠ

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মাগুরার মহম্মদপুরের দুই গ্রামে শত শত মানুষের হাহাকার

প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার চুড়ারগাতী ও গয়েশপুর গ্রামে সর্বগ্রাসী মধুমতি নদীর তীব্র ভাঙনে ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হচ্ছে একের পর এক পরিবার। নদীর প্রবল স্রোত ও ভাঙনে বিলীন হয়ে যাচ্ছে শত শত বছরের পুরনো বসতবাড়ি ও ফসলি জমি। ভিটেমাটি হারিয়ে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন অনেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, যাদের চোখে-মুখে এখন কেবলই অনিশ্চয়তা ও হাহাকার। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত কয়েকদিন ধরে মধুমতি নদীর পানি বৃদ্ধি ও প্রবল স্রোতের কারণে চুড়ারগাতী ও গয়েশপুর এলাকায় ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রতিদিন নদীর পেটে চলে যাচ্ছে বিঘা বিঘা আবাদি জমি, গাছপালা এবং বসতঘর। ভাঙনের গতি এতোটাই তীব্র যে, অনেকে নিজেদের শেষ সম্বলটুকু সরিয়ে নেওয়ার সুযোগও পাচ্ছেন না। চোঁখের সামনে নিজেদের আজীবনের উপার্জিত সম্পদ নদীগর্ভে তলিয়ে যেতে দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে মধুমতির ভাঙন তীব্র রূপ নিলেও নদী রক্ষায় এখন পর্যন্ত কোনো স্থায়ী সমাধান করা হয়নি। ফলে প্রতি বছরই অনেক পরিবার ভূমিহীন হয়ে পড়ছে। জরুরি ভিত্তিতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা না নিলে অচিরেই মানচিত্র থেকে মুছে যেতে পারে এই দুই সমৃদ্ধ গ্রাম। এ অবস্থায় নদী ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও ওয়াটার ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের (পানি উন্নয়ন বোর্ড) প্রতি আকুল আকুতি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। সেই সঙ্গে নদী তীরবর্তী অসহায় মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ডাম্পিং এবং একটি টেকসই নদী রক্ষা বাঁধ নির্মাণের জন্য স্থানীয় সংসদ সদস্য (এমপি) মহোদয়ের আশু সু-নজর ও হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ।


পরিবেশ কন্ঠ

সম্পাদক: ড. মোহাম্মদ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ