আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে একটা সময় জয়ের পথেই ছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। কিন্তু শেষ দিকে দ্রুত উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ার শঙ্কা জেগেছিল। সেখান থেকে শেষ ওভারে ১৪ রান তুলে অবিশ্বাস্যভাবে ম্যাচ টাই করেছে বাংলাদেশের যুবারা।
সোমবার ওমানের আল আমেরাত ক্রিকেট গ্রাউন্ডে যুব ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ৩০৪ রান করে আফগানিস্তান। জবাবে ৮ উইকেট হারিয়ে সমান ৩০৪ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস। দুই দলের লড়াইয়ে মোট রান হয়েছে ৬০৮। যা কিনা যুব ওয়ানডেতে দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে সর্বোচ্চ।
আফগানিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৬ রান করেন নোমান সালারজাই। ৯০ বলের ইনিংসে পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা মারেন তিনি। ফারিদুল্লাহ ইহসাসের ৫১ এবং তাহির সারওয়ারির ৪৩ রানের ইনিংসও বড় সংগ্রহ গড়তে সাহায্য করে। শেষ দিকে আমির হামজার ১১ বলে ২১ রানে তিনশ পেরিয়ে যায় আফগান যুবারা।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন রুবাই ইসলাম রিজন। ৭২ রান খরচায় চার উইকেট নেন তিনি। এসকে জারিফ সিয়াম ৩৪ রানে দুটি উইকেট পান। একটি করে উইকেট নেন আল আমিন হোসেন ও শাকিল খান।
৩০৫ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ভালো শুরু করে বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে এসকে জারিফ সিয়াম ও আবদুল্লাহ আল মুহি যোগ করেন ৭০ রান। জারিফ ২২ রান করে ফিরলেও আবদুল্লাহর ব্যাটে আসে ৫০ রান। এরপর আলামিন হোসেন রনির আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে জয়ের পথে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ৫৬ বলে ৭১ রান করেন তিনি, যেখানে ছিল আটটি চার ও দুটি ছক্কা।
দলীয় ২৩৯ রানে সাজঘরে ফেরার আগে আহসান আল মুমিন ৬৬ বলে পাঁচটি চারে ৫৬ রান করেন। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। অধিনায়ক ফরিদ হাসান, রবিউল ইসলাম অনিক ও শাকিল খান দ্রুত ফিরে গেলে জয়ের সমীকরণ কঠিন হয়ে পড়ে।
শেষ দিকে রিজনের ব্যাটে জয়ের আশা দেখে বাংলাদেশ। নয় নম্বরে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৯ বলে তিনটি চার ও দুটি ছক্কায় ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। অন্য প্রান্তে শেখ আতিউর রহমান অপরাজিত থাকেন ৩ রানে। শেষ ওভারে ১৪ রান তুলে সমতা নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের বোলারদের মধ্যে নূর আলী নিয়াজাই তিনটি এবং সোহেল খান ও লুৎফুল্লাহ মোহাম্মাদি দুটি করে উইকেট নেন।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬
আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে একটা সময় জয়ের পথেই ছিল বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। কিন্তু শেষ দিকে দ্রুত উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ার শঙ্কা জেগেছিল। সেখান থেকে শেষ ওভারে ১৪ রান তুলে অবিশ্বাস্যভাবে ম্যাচ টাই করেছে বাংলাদেশের যুবারা।
সোমবার ওমানের আল আমেরাত ক্রিকেট গ্রাউন্ডে যুব ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আগে ব্যাট করে ৯ উইকেটে ৩০৪ রান করে আফগানিস্তান। জবাবে ৮ উইকেট হারিয়ে সমান ৩০৪ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস। দুই দলের লড়াইয়ে মোট রান হয়েছে ৬০৮। যা কিনা যুব ওয়ানডেতে দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে সর্বোচ্চ।
আফগানিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৭৬ রান করেন নোমান সালারজাই। ৯০ বলের ইনিংসে পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা মারেন তিনি। ফারিদুল্লাহ ইহসাসের ৫১ এবং তাহির সারওয়ারির ৪৩ রানের ইনিংসও বড় সংগ্রহ গড়তে সাহায্য করে। শেষ দিকে আমির হামজার ১১ বলে ২১ রানে তিনশ পেরিয়ে যায় আফগান যুবারা।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন রুবাই ইসলাম রিজন। ৭২ রান খরচায় চার উইকেট নেন তিনি। এসকে জারিফ সিয়াম ৩৪ রানে দুটি উইকেট পান। একটি করে উইকেট নেন আল আমিন হোসেন ও শাকিল খান।
৩০৫ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ভালো শুরু করে বাংলাদেশ। উদ্বোধনী জুটিতে এসকে জারিফ সিয়াম ও আবদুল্লাহ আল মুহি যোগ করেন ৭০ রান। জারিফ ২২ রান করে ফিরলেও আবদুল্লাহর ব্যাটে আসে ৫০ রান। এরপর আলামিন হোসেন রনির আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে জয়ের পথে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ৫৬ বলে ৭১ রান করেন তিনি, যেখানে ছিল আটটি চার ও দুটি ছক্কা।
দলীয় ২৩৯ রানে সাজঘরে ফেরার আগে আহসান আল মুমিন ৬৬ বলে পাঁচটি চারে ৫৬ রান করেন। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ। অধিনায়ক ফরিদ হাসান, রবিউল ইসলাম অনিক ও শাকিল খান দ্রুত ফিরে গেলে জয়ের সমীকরণ কঠিন হয়ে পড়ে।
শেষ দিকে রিজনের ব্যাটে জয়ের আশা দেখে বাংলাদেশ। নয় নম্বরে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৯ বলে তিনটি চার ও দুটি ছক্কায় ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। অন্য প্রান্তে শেখ আতিউর রহমান অপরাজিত থাকেন ৩ রানে। শেষ ওভারে ১৪ রান তুলে সমতা নিশ্চিত করে বাংলাদেশ। আফগানিস্তানের বোলারদের মধ্যে নূর আলী নিয়াজাই তিনটি এবং সোহেল খান ও লুৎফুল্লাহ মোহাম্মাদি দুটি করে উইকেট নেন।

আপনার মতামত লিখুন