পরিবেশ কন্ঠ

এনসিপি নেতাকে গণপিটুনি


প্রকাশ : ৩১ মে ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

এনসিপি নেতাকে গণপিটুনি
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আনোয়ারকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে হত্যার হুমকিসহ বিভিন্ন সময়ে বিতর্কিত ও আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতাকে গণপিটুনি দেওয়া হয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে রায়পুর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

রোববার (৩১ মে) দুপুরে সোনাপুর ইউনিয়নের চরবগা গ্রামের শফিক আহমেদের ছেলে রুহুল আমিন (৪৯) বাদী হয়ে আনোয়ার হোসেনসহ একই এলাকার চারজনকে আসামি করে রায়পুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এর আগে শনিবার (৩০ মে) রাত ৮টার দিকে রায়পুর-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের সোনাপুর ইউনিয়নের বাসাবাড়ী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আনোয়ার হোসেন (৩৮) রায়পুর উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাসাবাড়ী বাজার এলাকায় ক্ষুব্ধ জনতা আনোয়ার হোসেনকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। এ সময় আহত আনোয়ারকে বলতে শোনা যায়, ‘রায়পুরের এমপি আবুল খায়ের ভূঁইয়ার গুন্ডাবাহিনী আমার ওপর হামলা করেছে।  আপনারা সবাই দেখছেন। এর বিচার হতে হবে।’

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আনোয়ারকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন জানান, আনোয়ার হোসেন একসময় আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) স্থানীয় প্রভাবশালী কর্মী ছিলেন।  ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি এনসিপিতে যোগ দেন। এরপর বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কেন্দ্রীয় এবং জেলা পর্যায়ের নেতাদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কিত বক্তব্য দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ হেফাজতে থাকায় এ বিষয়ে আনোয়ার হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রায়পুর থানার ওসি শাহীন মিয়া বলেন, আনোয়ার নিজেকে এনসিপির নেতা হিসেবে পরিচয় দেন।  খবর পেয়ে আমরা তাকে জনতার রোষানল থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি।  রুহুল আমিন নামে এক ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে মামলা করেছেন। মামলাটি রেকর্ড করার পর তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

বিষয় : এনসিপি লক্ষ্মীপুর আহত

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কন্ঠ

রোববার, ৩১ মে ২০২৬


এনসিপি নেতাকে গণপিটুনি

প্রকাশের তারিখ : ৩১ মে ২০২৬

featured Image

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিকে হত্যার হুমকিসহ বিভিন্ন সময়ে বিতর্কিত ও আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) এক নেতাকে গণপিটুনি দেওয়া হয়েছে। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে রায়পুর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

রোববার (৩১ মে) দুপুরে সোনাপুর ইউনিয়নের চরবগা গ্রামের শফিক আহমেদের ছেলে রুহুল আমিন (৪৯) বাদী হয়ে আনোয়ার হোসেনসহ একই এলাকার চারজনকে আসামি করে রায়পুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

এর আগে শনিবার (৩০ মে) রাত ৮টার দিকে রায়পুর-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের সোনাপুর ইউনিয়নের বাসাবাড়ী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আনোয়ার হোসেন (৩৮) রায়পুর উপজেলার সোনাপুর ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামের মোহাম্মদ আলীর ছেলে। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাসাবাড়ী বাজার এলাকায় ক্ষুব্ধ জনতা আনোয়ার হোসেনকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। এ সময় আহত আনোয়ারকে বলতে শোনা যায়, ‘রায়পুরের এমপি আবুল খায়ের ভূঁইয়ার গুন্ডাবাহিনী আমার ওপর হামলা করেছে।  আপনারা সবাই দেখছেন। এর বিচার হতে হবে।’

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আনোয়ারকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। বর্তমানে তিনি পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন জানান, আনোয়ার হোসেন একসময় আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) স্থানীয় প্রভাবশালী কর্মী ছিলেন।  ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি এনসিপিতে যোগ দেন। এরপর বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কেন্দ্রীয় এবং জেলা পর্যায়ের নেতাদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্কিত বক্তব্য দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ হেফাজতে থাকায় এ বিষয়ে আনোয়ার হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

রায়পুর থানার ওসি শাহীন মিয়া বলেন, আনোয়ার নিজেকে এনসিপির নেতা হিসেবে পরিচয় দেন।  খবর পেয়ে আমরা তাকে জনতার রোষানল থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসি।  রুহুল আমিন নামে এক ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে মামলা করেছেন। মামলাটি রেকর্ড করার পর তাকে আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।


পরিবেশ কন্ঠ

সম্পাদক: ড. মোহাম্মদ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ