পরিবেশ কন্ঠ

২৫মে বিশ্ব থাইরয়েড দিবস- সচেতনতার বার্তা নিয়ে পালিত হলো বিশ্ব থাইরয়েড দিবস-২০২৬



২৫মে বিশ্ব থাইরয়েড দিবস- সচেতনতার বার্তা নিয়ে পালিত হলো বিশ্ব থাইরয়েড দিবস-২০২৬
২৫মে বিশ্ব থাইরয়েড দিবস

১৯ মে ২০২৬ পালিত হলো বিশ্ব থাইরয়েড দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য “জানুন, পরীক্ষা করুন, জয় করুন’ এবং ‘আপনার থাইরয়েড, আপনার রক্ষক”। বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটি (বিটিএস) প্রতি বছরের মত এ বছর ও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে “বিশ্ব থাইরয়েড দিবস-২০২৬” উদযাপন করেছে। থাইরয়েড গ্রন্থিও বিভিন্ন সমস্যা এবং কারন তার প্রতিরোধ/প্রতিকার সংক্রান্ত তথ্য সমূহ জনসাধারণকে অবহিত করাই বিটিএস এর উদ্দেশ্য। সেই সাথে সেমিনার সিম্পোজিয়াম এর মাধ্যমে ডাক্তারদের সাথে বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটি এবং বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স  ফোরাম যৌথভাবে একটি গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে। উক্ত বৈঠকে প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সভাপতি ও নিনমাসের পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ এ কে এম ফজলুল বারী। তিনি বলেন, থাইরয়েড গ্রন্থি শরীরের হরমোন (T3, T4) নিঃসরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা শরীরের বিপাক হার, হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ, ওজন এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। কিন্তু এই ছোট্ট গ্রন্থিতে জটিলতা দেখা দিলে শরীরের নানা গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে সমস্যা দেখা দিতে পারে। হাইপোথাইরয়েডিজম, হাইপারথাইরয়েডিজম, গলগন্ড, থাইরয়েড ক্যানসার সহ নানা জটিলতা এই গ্রন্থিকে কেন্দ্র করে তৈরি হতে পারে।

থাইরয়েড মেলার উদ্দেশ্য সমূহঃ আপনার থাইরয়েড, আপনার সুরক্ষা, প্রাথমিক অবস্থায় রোগ নির্ণয়ের জন্য জনসচেতনতা তৈরি করা এবং রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকাওে সচেতনতা সৃষ্টি, থাইরয়েড রোগের আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি ও পরিসংখ্যানগত ধারণা প্রদান, মা-বাবার থাইরয়েডজনিত সমস্যা থাকলে সন্তানের ৭০% হওার সম্ভাবনা থাকে, থাইরয়েড রোগ ছোঁয়াচে নয়।

বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০% মানুষ থাইরয়েডগ্রন্থি ও নানা রোগে ভুগছে। প্রতি৭ জন রোগীর ৫জনই মহিলা। আক্রান্ত ব্যক্তির ৬০ শতাংশই চিকিৎসা সেবার আওতায় নেই। প্রতি ২৩০০ শিশুর মধ্যে ১ জন জন্মগত থাইরয়েড সমস্যায় ভুগছে। এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, থাইরয়েড রোগ বিস্তারে বংশগতির প্রভাব রয়েছে, বিশেষ করে দাদী, নানী বা মা এদের থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে ৭০% ক্ষেত্রে শিশুদের ও আত্মীয় স্বজনদের থাইরয়েড সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যাদের পরিবারে থাইরয়েড রোগী আছে তাদের পরিবারের সকল সদস্যকে থাইরয়েড স্ক্রিনিং-এর মাধ্যমে থাইরয়েড আছে কীনা তা নির্ণয়ের জন্য আহবান জানান। এছাড়াও ৬% রোগী Sub-Clinical Hypothyroidism-Hypothyr oidism- এ ভুগছে যার অধিকাংশই তাদের থাইরয়েড আছে তা জানেনা, তাই তাদেরকে সচেতন করা জরুরি কারণ নীরব ঘাতক থাইরয়েড তাদের শারীরিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

রোগের শুরুতে থাইরয়েড রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে এ রোগের সফল চিকিৎসা সম্ভব বলেও জানান তিনি। থাইরয়েড রোগী তথা দেশবাসীকে স্বল্পমূল্যে থাইরয়েড সেবা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মনে করেন। তিনি আরো বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে থাইরয়েড সমস্যা নির্ণয় করা গেলে তা খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। কিন্তু সচেতনতার অভাব, উপসর্গ উপেক্ষা করা এবং সময় মতো পরীক্ষা না করানোর জন্য অনেক সময় বড় ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। 

থাইরয়েড  সমস্যাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা এখন সময়ের দাবি। চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়েছে। এখন দরকার সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা। তিনি জানান যে, জীবনে চারটি সময়ে অবশ্যই থাইরয়েড স্ক্রিনিং করা প্রয়োজনঃ জন্মের পর-পরই, বয়ঃসন্ধি কালে, মায়েদের গর্ভধারণের পূর্বে এবং বয়স ৫০ হওয়ার পর-পরই।

অধ্যাপক ডাঃ বারী বলেন, থাইরয়েড চিকিৎসায় নতুন পদ্ধতি "রেডিওফ্রিকোয়েন্সি" ও "মাইক্রোওয়েভ" এর মাধ্যমে টিউমার অপসারণ করা যায়। এক্ষেত্রে কোন কাঁটা ছেড়া ছাড়া শুধু সুইয়ের মাধ্যমে টিউমার অপসারণ করা যায়; তাতে রোগীকে অজ্ঞান করার প্রয়োজন পড়ে না, কিংবা রোগীকে হাসপাতালে থাকার প্রয়োজন পড়ে না এবং এই পদ্ধতির কোন বড় ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই, খরচও কম হবে । টিউমার অ্যাবলেশনের পদ্ধতি দেশের মানুষের থাইরয়েড সমস্যা ও লিভার ক্যান্সারের চিকিৎসায় অবদান রাখবে বলে তিনি মনে করেন। বৈঠকে থাইরয়েড রোগ সংক্রান্ত গবেষণাদির প্রাপ্ত ফলাফলের সারমর্ম  সম্পর্কেও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। 

গোল টেবিল বৈঠকে আলোচক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. নাসরিন সুলতানা, প্রাক্তণ মহাসচিব অধ্যাপক ডা. ফরিদুল আলম, সহ-সভাপতি ও বি এম ইউ এর নাক-কান- গলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো আব্দুস সাত্তার, সহ-সভাপতি ও এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট, এন্ডোক্রাইন সোসাইটির প্রেসিডেন্ট (ইলেক্ট) সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহজাদা সেলিম, বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক ডা. জেসমীন ফেরদৌস, পাবলিকেশন সেক্রেটারি সহযোগী অধ্যাপক ডা. পাপড়ি মুৎসুদ্দী, সাইন্টিফিক সেক্রেটারি সহকারী অধ্যাপক ডা. তপতী মন্ডল। 

পরবর্তীতে অধ্যাপক ডাঃ কামালউদ্দিন আহমেদ অডিটোরিয়াম, নিনমাস, বিএমইউ তে একটি বৈজ্ঞানিক সেমিনার আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত  ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবর রহমান হাওলাদার, বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির প্রাক্তণ সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফওজিয়া মোসলেম এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রাক্তণ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম এ করিম। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সভাপতি ও নিনমাসের পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ কে এম  ফজলুল বারী।  

সেমিনারে “জানুন, পরীক্ষা করুন, জয় করুন’ এবং ‘আপনার থাইরয়েড, আপনার রক্ষক” শীর্ষক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের এন্ডোক্রাইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ এম সাইফুদ্দিন এবং “Standardized Reporting Format of Thyroid Ultrasound: A Structured Approach for Thyroid Nodule Evaluation” শীর্ষক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সহ সভাপতি ও ইনমাস সোহরাওয়ার্দী এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. জীনাত জাবীন। এরপর বিদগ্ধ থাইরয়েড বিশেষজ্ঞবৃন্দ এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কন্ঠ

বুধবার, ২০ মে ২০২৬


২৫মে বিশ্ব থাইরয়েড দিবস- সচেতনতার বার্তা নিয়ে পালিত হলো বিশ্ব থাইরয়েড দিবস-২০২৬

প্রকাশের তারিখ : ১৯ মে ২০২৬

featured Image

১৯ মে ২০২৬ পালিত হলো বিশ্ব থাইরয়েড দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য “জানুন, পরীক্ষা করুন, জয় করুন’ এবং ‘আপনার থাইরয়েড, আপনার রক্ষক”। বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটি (বিটিএস) প্রতি বছরের মত এ বছর ও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে “বিশ্ব থাইরয়েড দিবস-২০২৬” উদযাপন করেছে। থাইরয়েড গ্রন্থিও বিভিন্ন সমস্যা এবং কারন তার প্রতিরোধ/প্রতিকার সংক্রান্ত তথ্য সমূহ জনসাধারণকে অবহিত করাই বিটিএস এর উদ্দেশ্য। সেই সাথে সেমিনার সিম্পোজিয়াম এর মাধ্যমে ডাক্তারদের সাথে বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটি এবং বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স  ফোরাম যৌথভাবে একটি গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে। উক্ত বৈঠকে প্রধান আলোচক ছিলেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সভাপতি ও নিনমাসের পরিচালক অধ্যাপক ডাঃ এ কে এম ফজলুল বারী। তিনি বলেন, থাইরয়েড গ্রন্থি শরীরের হরমোন (T3, T4) নিঃসরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা শরীরের বিপাক হার, হৃদস্পন্দন, রক্তচাপ, ওজন এবং তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। কিন্তু এই ছোট্ট গ্রন্থিতে জটিলতা দেখা দিলে শরীরের নানা গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রমে সমস্যা দেখা দিতে পারে। হাইপোথাইরয়েডিজম, হাইপারথাইরয়েডিজম, গলগন্ড, থাইরয়েড ক্যানসার সহ নানা জটিলতা এই গ্রন্থিকে কেন্দ্র করে তৈরি হতে পারে।

থাইরয়েড মেলার উদ্দেশ্য সমূহঃ আপনার থাইরয়েড, আপনার সুরক্ষা, প্রাথমিক অবস্থায় রোগ নির্ণয়ের জন্য জনসচেতনতা তৈরি করা এবং রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকাওে সচেতনতা সৃষ্টি, থাইরয়েড রোগের আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি ও পরিসংখ্যানগত ধারণা প্রদান, মা-বাবার থাইরয়েডজনিত সমস্যা থাকলে সন্তানের ৭০% হওার সম্ভাবনা থাকে, থাইরয়েড রোগ ছোঁয়াচে নয়।

বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০% মানুষ থাইরয়েডগ্রন্থি ও নানা রোগে ভুগছে। প্রতি৭ জন রোগীর ৫জনই মহিলা। আক্রান্ত ব্যক্তির ৬০ শতাংশই চিকিৎসা সেবার আওতায় নেই। প্রতি ২৩০০ শিশুর মধ্যে ১ জন জন্মগত থাইরয়েড সমস্যায় ভুগছে। এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, থাইরয়েড রোগ বিস্তারে বংশগতির প্রভাব রয়েছে, বিশেষ করে দাদী, নানী বা মা এদের থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে ৭০% ক্ষেত্রে শিশুদের ও আত্মীয় স্বজনদের থাইরয়েড সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যাদের পরিবারে থাইরয়েড রোগী আছে তাদের পরিবারের সকল সদস্যকে থাইরয়েড স্ক্রিনিং-এর মাধ্যমে থাইরয়েড আছে কীনা তা নির্ণয়ের জন্য আহবান জানান। এছাড়াও ৬% রোগী Sub-Clinical Hypothyroidism-Hypothyr oidism- এ ভুগছে যার অধিকাংশই তাদের থাইরয়েড আছে তা জানেনা, তাই তাদেরকে সচেতন করা জরুরি কারণ নীরব ঘাতক থাইরয়েড তাদের শারীরিক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। 

রোগের শুরুতে থাইরয়েড রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে এ রোগের সফল চিকিৎসা সম্ভব বলেও জানান তিনি। থাইরয়েড রোগী তথা দেশবাসীকে স্বল্পমূল্যে থাইরয়েড সেবা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মনে করেন। তিনি আরো বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে থাইরয়েড সমস্যা নির্ণয় করা গেলে তা খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। কিন্তু সচেতনতার অভাব, উপসর্গ উপেক্ষা করা এবং সময় মতো পরীক্ষা না করানোর জন্য অনেক সময় বড় ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। 

থাইরয়েড  সমস্যাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা এখন সময়ের দাবি। চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা আগের চেয়ে অনেক সহজ হয়েছে। এখন দরকার সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি করা। তিনি জানান যে, জীবনে চারটি সময়ে অবশ্যই থাইরয়েড স্ক্রিনিং করা প্রয়োজনঃ জন্মের পর-পরই, বয়ঃসন্ধি কালে, মায়েদের গর্ভধারণের পূর্বে এবং বয়স ৫০ হওয়ার পর-পরই।

অধ্যাপক ডাঃ বারী বলেন, থাইরয়েড চিকিৎসায় নতুন পদ্ধতি "রেডিওফ্রিকোয়েন্সি" ও "মাইক্রোওয়েভ" এর মাধ্যমে টিউমার অপসারণ করা যায়। এক্ষেত্রে কোন কাঁটা ছেড়া ছাড়া শুধু সুইয়ের মাধ্যমে টিউমার অপসারণ করা যায়; তাতে রোগীকে অজ্ঞান করার প্রয়োজন পড়ে না, কিংবা রোগীকে হাসপাতালে থাকার প্রয়োজন পড়ে না এবং এই পদ্ধতির কোন বড় ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া নেই, খরচও কম হবে । টিউমার অ্যাবলেশনের পদ্ধতি দেশের মানুষের থাইরয়েড সমস্যা ও লিভার ক্যান্সারের চিকিৎসায় অবদান রাখবে বলে তিনি মনে করেন। বৈঠকে থাইরয়েড রোগ সংক্রান্ত গবেষণাদির প্রাপ্ত ফলাফলের সারমর্ম  সম্পর্কেও বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। 

গোল টেবিল বৈঠকে আলোচক হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. নাসরিন সুলতানা, প্রাক্তণ মহাসচিব অধ্যাপক ডা. ফরিদুল আলম, সহ-সভাপতি ও বি এম ইউ এর নাক-কান- গলা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মো আব্দুস সাত্তার, সহ-সভাপতি ও এন্ডোক্রাইনোলজিস্ট, এন্ডোক্রাইন সোসাইটির প্রেসিডেন্ট (ইলেক্ট) সহযোগী অধ্যাপক ডা. শাহজাদা সেলিম, বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির যুগ্ম সাধারন সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক ডা. জেসমীন ফেরদৌস, পাবলিকেশন সেক্রেটারি সহযোগী অধ্যাপক ডা. পাপড়ি মুৎসুদ্দী, সাইন্টিফিক সেক্রেটারি সহকারী অধ্যাপক ডা. তপতী মন্ডল। 

পরবর্তীতে অধ্যাপক ডাঃ কামালউদ্দিন আহমেদ অডিটোরিয়াম, নিনমাস, বিএমইউ তে একটি বৈজ্ঞানিক সেমিনার আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত  ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো ভাইস চ্যান্সেলর (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মোঃ মুজিবর রহমান হাওলাদার, বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির প্রাক্তণ সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফওজিয়া মোসলেম এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রাক্তণ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এম এ করিম। সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সভাপতি ও নিনমাসের পরিচালক অধ্যাপক ডা. এ কে এম  ফজলুল বারী।  

সেমিনারে “জানুন, পরীক্ষা করুন, জয় করুন’ এবং ‘আপনার থাইরয়েড, আপনার রক্ষক” শীর্ষক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের এন্ডোক্রাইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ এম সাইফুদ্দিন এবং “Standardized Reporting Format of Thyroid Ultrasound: A Structured Approach for Thyroid Nodule Evaluation” শীর্ষক বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ থাইরয়েড সোসাইটির সহ সভাপতি ও ইনমাস সোহরাওয়ার্দী এর পরিচালক অধ্যাপক ডা. জীনাত জাবীন। এরপর বিদগ্ধ থাইরয়েড বিশেষজ্ঞবৃন্দ এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।


পরিবেশ কন্ঠ

সম্পাদক: ড. মোহাম্মদ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ