পরিবেশ কন্ঠ

“নবায়নযোগ্য জ্বালানিই হতে পারে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের ভরসা”

সোলার পণ্যের ওপর কর প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন



সোলার পণ্যের ওপর কর প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন
ছবি: পরিবেশ কন্ঠ

জ্বালানি সংকট, বাড়তে থাকা বিদ্যুৎ বিল আর পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কার মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারের দাবিতে কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হয়েছে মানববন্ধন ও জনসমাগম। সোলার প্যানেলসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি পণ্যের ওপর থেকে সব ধরনের কর ও শুল্ক প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার সোনার বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশ নেন পরিবেশকর্মী, শিক্ষার্থী, উদ্যোক্তা, গণমাধ্যমকর্মী ও সচেতন নাগরিকরা।


পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটি (ESADS), সংশপ্তক কক্সবাজার, ক্লিন (CLEAN) এবং বিডাব্লিউজিইডি (BWGED)-এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ হোসাইন, মীযানুর রহমানসহ বিভিন্ন সামাজিক ও পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, “দেশে বিদ্যুতের চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। কিন্তু আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার কারণে সাধারণ মানুষকে বহন করতে হচ্ছে বাড়তি খরচের বোঝা। একের পর এক বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি মানুষের জীবনকে আরও দুর্বিষহ করে তুলছে।”

তারা আরও বলেন, বর্তমান সময়ে রুফটপ সোলার শুধু বিকল্প নয়, এটি একটি প্রয়োজন। অথচ সোলার প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারি ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশের ওপর উচ্চ কর ও শুল্ক থাকায় সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে পরিবেশবান্ধব এই প্রযুক্তি। ফলে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর সরকারি লক্ষ্যও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।


মানববন্ধনে বক্তারা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন,

“বাংলাদেশ আজ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর অন্যতম। এই সংকট মোকাবিলায় এখনই নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। সোলার শক্তির প্রসার ঘটানো মানে শুধু বিদ্যুতের বিকল্প তৈরি নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ার লড়াই।”

তারা আগামী জাতীয় বাজেটে সোলার পণ্য ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশের ওপর থেকে সব ধরনের কর ও শুল্ক প্রত্যাহার, সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা এবং সরকারি প্রণোদনার দাবি জানান।

বক্তাদের মতে, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের বিদ্যুৎ ব্যয় কমবে, অন্যদিকে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে এবং পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কন্ঠ

বুধবার, ২৭ মে ২০২৬


সোলার পণ্যের ওপর কর প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশের তারিখ : ২৬ মে ২০২৬

featured Image

জ্বালানি সংকট, বাড়তে থাকা বিদ্যুৎ বিল আর পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কার মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারের দাবিতে কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত হয়েছে মানববন্ধন ও জনসমাগম। সোলার প্যানেলসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানি পণ্যের ওপর থেকে সব ধরনের কর ও শুল্ক প্রত্যাহারের দাবিতে সোমবার সোনার বাংলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশ নেন পরিবেশকর্মী, শিক্ষার্থী, উদ্যোক্তা, গণমাধ্যমকর্মী ও সচেতন নাগরিকরা।


পরিবেশ রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটি (ESADS), সংশপ্তক কক্সবাজার, ক্লিন (CLEAN) এবং বিডাব্লিউজিইডি (BWGED)-এর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ হোসাইন, মীযানুর রহমানসহ বিভিন্ন সামাজিক ও পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

বক্তারা বলেন, “দেশে বিদ্যুতের চাহিদা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। কিন্তু আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার কারণে সাধারণ মানুষকে বহন করতে হচ্ছে বাড়তি খরচের বোঝা। একের পর এক বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি মানুষের জীবনকে আরও দুর্বিষহ করে তুলছে।”

তারা আরও বলেন, বর্তমান সময়ে রুফটপ সোলার শুধু বিকল্প নয়, এটি একটি প্রয়োজন। অথচ সোলার প্যানেল, ইনভার্টার, ব্যাটারি ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশের ওপর উচ্চ কর ও শুল্ক থাকায় সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে পরিবেশবান্ধব এই প্রযুক্তি। ফলে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর সরকারি লক্ষ্যও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।


মানববন্ধনে বক্তারা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন,

“বাংলাদেশ আজ জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর অন্যতম। এই সংকট মোকাবিলায় এখনই নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। সোলার শক্তির প্রসার ঘটানো মানে শুধু বিদ্যুতের বিকল্প তৈরি নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নিরাপদ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ার লড়াই।”

তারা আগামী জাতীয় বাজেটে সোলার পণ্য ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রাংশের ওপর থেকে সব ধরনের কর ও শুল্ক প্রত্যাহার, সহজ শর্তে ঋণ সুবিধা এবং সরকারি প্রণোদনার দাবি জানান।

বক্তাদের মতে, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ বাড়ানো গেলে একদিকে যেমন সাধারণ মানুষের বিদ্যুৎ ব্যয় কমবে, অন্যদিকে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে এবং পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


পরিবেশ কন্ঠ

সম্পাদক: ড. মোহাম্মদ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ