পরিবেশ কণ্ঠ

সাংস্কৃতিক বিনিময় ও শিক্ষা সহযোগিতা জোরদারে উদ্যোগ; জাপান-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের প্রত্যাশা

বাংলাদেশে জাপান ফাউন্ডেশনের অফিস স্থাপনে আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হকের



বাংলাদেশে জাপান ফাউন্ডেশনের অফিস স্থাপনে আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হকের
সংগৃহীত

ঢাকা, ১ এপ্রিল ২০২৬: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হকের সাথে আজ তাঁর দপ্তরে জাপান ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কোইকে ওয়াকাও এবং হরি ইউকো সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। প্রতিমন্ত্রীর বিশেষ আমন্ত্রণে বাংলাদেশে জাপান ফাউন্ডেশনের স্থায়ী অফিস স্থাপনের সম্ভাবনা ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাপানের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও ঐতিহাসিক। জাইকা আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। জাপানে দক্ষ কর্মী পাঠানোর বিষয়ে যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, তাকে সফল করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি আরো বলেন, জাপান ফাউন্ডেশনের অফিস বাংলাদেশে না থাকায় এর সেবা পেতে বাংলাদেশীদের পার্শ্ববর্তী দেশে গমন করতে হয়। বাংলাদেশে অফিস স্থাপন করলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতা প্রদান করবে।

মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোখতার আহমেদ কর্মীদের দক্ষতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, জাপানে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে শুধু ভাষাই প্রধান অন্তরায় নয়, জাপানিজ সংস্কৃতি ও আচার-আচরণ সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকাও জরুরি। জাপানি প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে সরাসরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হলে কর্মীরা খুব সহজেই সে দেশের কর্মপদ্ধতির সাথে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন পরামর্শ দেন যে, জাপানিজদের সহায়তার ক্ষেত্রগুলো সুনির্দিষ্ট করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জাপান দূতাবাসের সাথে দ্রুত যোগাযোগ করা প্রয়োজন। এর আগেই সরকারের পক্ষ থেকে একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তৈরি রাখার ওপর তিনি জোর দেন।

জাপান ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি কইকে ওয়াকাও বাংলাদেশের আন্তরিকতাকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশে অফিস খোলার বিষয়ে সরকারের এই আগ্রহের বার্তা আমি অবশ্যই আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেব।

সাক্ষাৎকালে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোঃ শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, উপসচিব মোঃ হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডলসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কণ্ঠ

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬


বাংলাদেশে জাপান ফাউন্ডেশনের অফিস স্থাপনে আহ্বান প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হকের

প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ঢাকা, ১ এপ্রিল ২০২৬: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মোঃ নুরুল হকের সাথে আজ তাঁর দপ্তরে জাপান ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কোইকে ওয়াকাও এবং হরি ইউকো সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। প্রতিমন্ত্রীর বিশেষ আমন্ত্রণে বাংলাদেশে জাপান ফাউন্ডেশনের স্থায়ী অফিস স্থাপনের সম্ভাবনা ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাপানের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর ও ঐতিহাসিক। জাইকা আমাদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন অংশীদার। জাপানে দক্ষ কর্মী পাঠানোর বিষয়ে যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে, তাকে সফল করতে আমরা অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি আরো বলেন, জাপান ফাউন্ডেশনের অফিস বাংলাদেশে না থাকায় এর সেবা পেতে বাংলাদেশীদের পার্শ্ববর্তী দেশে গমন করতে হয়। বাংলাদেশে অফিস স্থাপন করলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় সকল সহযোগিতা প্রদান করবে।

মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মোখতার আহমেদ কর্মীদের দক্ষতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, জাপানে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে শুধু ভাষাই প্রধান অন্তরায় নয়, জাপানিজ সংস্কৃতি ও আচার-আচরণ সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান থাকাও জরুরি। জাপানি প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে সরাসরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হলে কর্মীরা খুব সহজেই সে দেশের কর্মপদ্ধতির সাথে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদুল্লাহ আল মামুন পরামর্শ দেন যে, জাপানিজদের সহায়তার ক্ষেত্রগুলো সুনির্দিষ্ট করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জাপান দূতাবাসের সাথে দ্রুত যোগাযোগ করা প্রয়োজন। এর আগেই সরকারের পক্ষ থেকে একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা তৈরি রাখার ওপর তিনি জোর দেন।

জাপান ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধি কইকে ওয়াকাও বাংলাদেশের আন্তরিকতাকে সাধুবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশে অফিস খোলার বিষয়ে সরকারের এই আগ্রহের বার্তা আমি অবশ্যই আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছে দেব।

সাক্ষাৎকালে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোঃ শহিদুল ইসলাম চৌধুরী, উপসচিব মোঃ হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডলসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


পরিবেশ কণ্ঠ

সম্পাদক: ড. মোঃ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ