চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে ইরানকে ড্রোন সরবরাহ শুরু করেছে রাশিয়া—এমন তথ্য উঠে এসেছে পশ্চিমা গোয়েন্দা প্রতিবেদনে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তা, যারা ব্রিটিশ প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম Financial Times-কে এ বিষয়ে অবহিত করেছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরুতেই ড্রোন পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং মাসের শেষ নাগাদ তা সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। ইরানে Israel ও United States-এর প্রথম হামলার কয়েক দিনের মধ্যেই মস্কো ও তেহরানের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা এই সরবরাহ নিয়ে আলোচনা শুরু করেন বলে জানা গেছে।
গোয়েন্দা সূত্রে আরও বলা হয়েছে, শুধুমাত্র ড্রোনই নয়—ইরানকে সহায়তা হিসেবে রাশিয়া ওষুধ ও খাদ্যসামগ্রীও পাঠাচ্ছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতে তেহরানকে গোয়েন্দা সহায়তা ও স্যাটেলাইট তথ্য সরবরাহ করছে বলেও পূর্বে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথমবারের মতো রাশিয়া সরাসরি ইরানকে সামরিক অস্ত্র হিসেবে ড্রোন পাঠাচ্ছে, যা আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ইরানকে ‘গেরান-২’ এবং ‘শাহেদ-১৩৬’ ধরনের কামিকাজে ড্রোন সরবরাহ করা হচ্ছে। এই ড্রোনগুলো মূলত তেহরানের তৈরি শাহেদ সিরিজের নকশার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা পূর্বে ইউক্রেন যুদ্ধেও ব্যবহার করেছে রাশিয়া।
এ বিষয়ে Sciences Po-এর ইরান-রাশিয়া সম্পর্ক বিষয়ক গবেষক নিকোল গ্রাজেউস্কি বলেন, “রাশিয়া শাহেদ ড্রোনকে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করেছে। বিশেষ করে ইঞ্জিন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় তারা বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। ফলে এগুলো ইরানের নিজস্ব উৎপাদিত ড্রোনের তুলনায় বেশি আধুনিক।”
বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এই সহযোগিতা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
Hashtags:
#রাশিয়া #ইরান #ড্রোন #আন্তর্জাতিক_সংবাদ #MiddleEastConflict #RussiaIran #DroneWarfare #Geopolitics #BreakingNews #PoribeshKantho
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ মার্চ ২০২৬
চলমান আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যে ইরানকে ড্রোন সরবরাহ শুরু করেছে রাশিয়া—এমন তথ্য উঠে এসেছে পশ্চিমা গোয়েন্দা প্রতিবেদনে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট দুই কর্মকর্তা, যারা ব্রিটিশ প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম Financial Times-কে এ বিষয়ে অবহিত করেছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি মাসের শুরুতেই ড্রোন পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে এবং মাসের শেষ নাগাদ তা সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। ইরানে Israel ও United States-এর প্রথম হামলার কয়েক দিনের মধ্যেই মস্কো ও তেহরানের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা এই সরবরাহ নিয়ে আলোচনা শুরু করেন বলে জানা গেছে।
গোয়েন্দা সূত্রে আরও বলা হয়েছে, শুধুমাত্র ড্রোনই নয়—ইরানকে সহায়তা হিসেবে রাশিয়া ওষুধ ও খাদ্যসামগ্রীও পাঠাচ্ছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতে তেহরানকে গোয়েন্দা সহায়তা ও স্যাটেলাইট তথ্য সরবরাহ করছে বলেও পূর্বে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথমবারের মতো রাশিয়া সরাসরি ইরানকে সামরিক অস্ত্র হিসেবে ড্রোন পাঠাচ্ছে, যা আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।
গোয়েন্দা প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ইরানকে ‘গেরান-২’ এবং ‘শাহেদ-১৩৬’ ধরনের কামিকাজে ড্রোন সরবরাহ করা হচ্ছে। এই ড্রোনগুলো মূলত তেহরানের তৈরি শাহেদ সিরিজের নকশার ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা পূর্বে ইউক্রেন যুদ্ধেও ব্যবহার করেছে রাশিয়া।
এ বিষয়ে Sciences Po-এর ইরান-রাশিয়া সম্পর্ক বিষয়ক গবেষক নিকোল গ্রাজেউস্কি বলেন, “রাশিয়া শাহেদ ড্রোনকে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করেছে। বিশেষ করে ইঞ্জিন ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় তারা বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। ফলে এগুলো ইরানের নিজস্ব উৎপাদিত ড্রোনের তুলনায় বেশি আধুনিক।”
বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, এই সহযোগিতা মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতকে আরও জটিল করে তুলতে পারে এবং আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে নতুন চাপ সৃষ্টি করতে পারে।
Hashtags:
#রাশিয়া #ইরান #ড্রোন #আন্তর্জাতিক_সংবাদ #MiddleEastConflict #RussiaIran #DroneWarfare #Geopolitics #BreakingNews #PoribeshKantho
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন