পরিবেশ কন্ঠ

‘আমি না থাকলেও যেন মানুষ বলে সাদিয়া কোথায়?’



‘আমি না থাকলেও যেন মানুষ বলে সাদিয়া কোথায়?’
সংগৃহীত

বর্তমান সময়ে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।

সাদিয়া আয়মান বলেন, ‘আমি চাই যেন আমিও একটা সময় আমার আম্মুর মতো এরকম হতে যেখানে আমি যাই, আমি যদি না থাকি মানুষজন আমাকে বলতে থাকে যে, ‘সাদিয়া কোথায়?’ বা ‘আমি কোথায়?’ আমাকে যেন খুঁজতে থাকে। সো আমি আম্মুর থেকে প্রতিনিয়ত ইন্সপিরেশন পাই। উনি আমার দেখা সবথেকে ধৈর্যশীল নারী। তো আমিও দিন দিন নিজেকে চেষ্টা করছি ধৈর্যশীল হতে।’

সাদিয়া বলেন, ‘মন জয় করে কীভাবে চলতে হয়, সেটা আমি আমার আম্মুর থেকে শিখেছি। আমার দেখা সবথেকে ধৈর্যশীল নারী। দিন দিন নিজেকে চেষ্টা করছি ধৈর্যশীল হতে। একদিন আমরা আউটডোর শ্যুট করতে করতে আসলে কেউই খাওয়ার সময় পাইনি।’

তিনি বলেন, ‘তো আমরা কেউই ওভাবে মানে যাই পাচ্ছি বিস্কুট বা কেক, কফি এভাবেই খেয়ে খেয়ে আমরা সিন করছি। তো একটা সময় মোশাররফ ভাই হয়তোবা অনেকক্ষণ না খাওয়া ছিল; না খাওয়া বলতে হয়তোবা সিনের মধ্যে ছিল তো, তো সে এসেই বলল যে, ‘আমাকে একটু কেক বা বিস্কুট দে ভাই, আমি তো রোজা রাখিনাই, ক্ষুধা লাগছে।’

অভিনেত্রীর আরও বলেন, ‘আমি একজন মানবিক মানুষ, নিজেকে মানবিক মানুষ বলতেই পছন্দ করি। আমার মনে হয় আমি আমার আম্মুর মতো হয়েছি। আমার চেহারা আমার আম্মুর মতোই। যদি কেউ মনে করে যে আমার আম্মুকে কেউ কখনো দেখেনি, কেমন হবে দেখতে ধরেন আমারই একটু ওল্ডার ভার্সন আরকি।’

তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় যে আমি আগে অনেক অধৈর্যশীল ছিলাম, প্রচণ্ড অধৈর্যশীল ছিলাম, অনেক চঞ্চল ছিলাম, অনেক স্পিডে কথা বলতাম। এখন আস্তে আস্তে আমি অনেক নিজেকে পরিণত করছি। তো এটাই। আমার মনে হয় যে আমি মিডিয়াতে কাজ করার পর থেকে আমি আরও ধৈর্যশীল হয়েছি।’

বিষয় : সাদিয়া আয়মান

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কন্ঠ

মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬


‘আমি না থাকলেও যেন মানুষ বলে সাদিয়া কোথায়?’

প্রকাশের তারিখ : ১২ মে ২০২৬

featured Image

বর্তমান সময়ে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে খোলামেলা কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।

সাদিয়া আয়মান বলেন, ‘আমি চাই যেন আমিও একটা সময় আমার আম্মুর মতো এরকম হতে যেখানে আমি যাই, আমি যদি না থাকি মানুষজন আমাকে বলতে থাকে যে, ‘সাদিয়া কোথায়?’ বা ‘আমি কোথায়?’ আমাকে যেন খুঁজতে থাকে। সো আমি আম্মুর থেকে প্রতিনিয়ত ইন্সপিরেশন পাই। উনি আমার দেখা সবথেকে ধৈর্যশীল নারী। তো আমিও দিন দিন নিজেকে চেষ্টা করছি ধৈর্যশীল হতে।’

সাদিয়া বলেন, ‘মন জয় করে কীভাবে চলতে হয়, সেটা আমি আমার আম্মুর থেকে শিখেছি। আমার দেখা সবথেকে ধৈর্যশীল নারী। দিন দিন নিজেকে চেষ্টা করছি ধৈর্যশীল হতে। একদিন আমরা আউটডোর শ্যুট করতে করতে আসলে কেউই খাওয়ার সময় পাইনি।’

তিনি বলেন, ‘তো আমরা কেউই ওভাবে মানে যাই পাচ্ছি বিস্কুট বা কেক, কফি এভাবেই খেয়ে খেয়ে আমরা সিন করছি। তো একটা সময় মোশাররফ ভাই হয়তোবা অনেকক্ষণ না খাওয়া ছিল; না খাওয়া বলতে হয়তোবা সিনের মধ্যে ছিল তো, তো সে এসেই বলল যে, ‘আমাকে একটু কেক বা বিস্কুট দে ভাই, আমি তো রোজা রাখিনাই, ক্ষুধা লাগছে।’

অভিনেত্রীর আরও বলেন, ‘আমি একজন মানবিক মানুষ, নিজেকে মানবিক মানুষ বলতেই পছন্দ করি। আমার মনে হয় আমি আমার আম্মুর মতো হয়েছি। আমার চেহারা আমার আম্মুর মতোই। যদি কেউ মনে করে যে আমার আম্মুকে কেউ কখনো দেখেনি, কেমন হবে দেখতে ধরেন আমারই একটু ওল্ডার ভার্সন আরকি।’

তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় যে আমি আগে অনেক অধৈর্যশীল ছিলাম, প্রচণ্ড অধৈর্যশীল ছিলাম, অনেক চঞ্চল ছিলাম, অনেক স্পিডে কথা বলতাম। এখন আস্তে আস্তে আমি অনেক নিজেকে পরিণত করছি। তো এটাই। আমার মনে হয় যে আমি মিডিয়াতে কাজ করার পর থেকে আমি আরও ধৈর্যশীল হয়েছি।’


পরিবেশ কন্ঠ

সম্পাদক: ড. মোহাম্মদ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০২৬ পরিবেশ কন্ঠ । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত