পরিবেশ কন্ঠ

১২ নভেম্বর শুরু ইউপি নির্বাচন, ৭ ধাপে ভোট


প্রকাশ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

১২ নভেম্বর শুরু ইউপি নির্বাচন, ৭ ধাপে ভোট
সংগৃহীত

প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউনিয়নগুলোতে ভোটগ্রহণ; ১৭ সেপ্টেম্বর আন্তঃবিভাগীয় বৈঠকে আসছে চূড়ান্ত ঘোষণা।

দেশের তৃণমূল রাজনীতির প্রাণকেন্দ্র ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বেজে উঠেছে নির্বাচনী দামামা। আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপে দেশের ৮৩টি জেলার ৮০টি উপজেলার সবকটি ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

নির্বাচন কমিশনার জানান, প্রশাসনিক ও কৌশলগত কারণে এবার মোট সাতটি ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে কমিশন। প্রথম ধাপের ভোটে কেবল ঠাকুরগাঁও জেলা বাদে বাকি ৬৩ জেলার সংশ্লিষ্ট উপজেলাগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ঠাকুরগাঁওয়ের নির্বাচন উপনির্বাচন সংক্রান্ত জটিলতার কারণে দ্বিতীয় ধাপে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। কমিশনের খসড়া পরিকল্পনা অনুযায়ী, দ্বিতীয় ধাপের ভোট ১৩ ডিসেম্বর এবং তৃতীয় ধাপের ভোট ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এরপর চতুর্থ ধাপের ভোট ২০২৭ সালের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপ ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপ ২২ এপ্রিল এবং সর্বশেষ সপ্তম ধাপের ভোট ২৭ মে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, "আমরা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে নির্বাচনের এই সময়সূচি প্রণয়ন করেছি। আসন্ন পাবলিক পরীক্ষা, শারদীয় দুর্গাপূজা, পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও জাতীয় বিষয়গুলোকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়নের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার ২৭২টির নির্বাচন আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করার একটি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এই প্রাথমিক সিদ্ধান্তটি আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় আন্তঃবিভাগীয় বৈঠকে বিস্তারিত পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত করা হবে। ওই বৈঠকেই নির্বাচনী এলাকার সীমানা এবং ভোটকেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে। তৃণমূল পর্যায়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে এই নির্বাচন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা। নির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যে গ্রামগঞ্জে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তোড়জোড় শুরু হয়েছে, যা গ্রামীণ জনপদে উৎসবের আমেজ তৈরি করেছে।

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কন্ঠ

মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


১২ নভেম্বর শুরু ইউপি নির্বাচন, ৭ ধাপে ভোট

প্রকাশের তারিখ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউনিয়নগুলোতে ভোটগ্রহণ; ১৭ সেপ্টেম্বর আন্তঃবিভাগীয় বৈঠকে আসছে চূড়ান্ত ঘোষণা।

দেশের তৃণমূল রাজনীতির প্রাণকেন্দ্র ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বেজে উঠেছে নির্বাচনী দামামা। আগামী ১২ নভেম্বর প্রথম ধাপে দেশের ৮৩টি জেলার ৮০টি উপজেলার সবকটি ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

নির্বাচন কমিশনার জানান, প্রশাসনিক ও কৌশলগত কারণে এবার মোট সাতটি ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে কমিশন। প্রথম ধাপের ভোটে কেবল ঠাকুরগাঁও জেলা বাদে বাকি ৬৩ জেলার সংশ্লিষ্ট উপজেলাগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ঠাকুরগাঁওয়ের নির্বাচন উপনির্বাচন সংক্রান্ত জটিলতার কারণে দ্বিতীয় ধাপে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। কমিশনের খসড়া পরিকল্পনা অনুযায়ী, দ্বিতীয় ধাপের ভোট ১৩ ডিসেম্বর এবং তৃতীয় ধাপের ভোট ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। এরপর চতুর্থ ধাপের ভোট ২০২৭ সালের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপ ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপ ২২ এপ্রিল এবং সর্বশেষ সপ্তম ধাপের ভোট ২৭ মে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, "আমরা অত্যন্ত সতর্কতার সাথে নির্বাচনের এই সময়সূচি প্রণয়ন করেছি। আসন্ন পাবলিক পরীক্ষা, শারদীয় দুর্গাপূজা, পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও জাতীয় বিষয়গুলোকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে যাতে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, দেশের ৪ হাজার ৫৮০টি ইউনিয়নের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার ২৭২টির নির্বাচন আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করার একটি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এই প্রাথমিক সিদ্ধান্তটি আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠেয় আন্তঃবিভাগীয় বৈঠকে বিস্তারিত পর্যালোচনার পর চূড়ান্ত করা হবে। ওই বৈঠকেই নির্বাচনী এলাকার সীমানা এবং ভোটকেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে। তৃণমূল পর্যায়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে এই নির্বাচন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকরা। নির্বাচনকে ঘিরে ইতিমধ্যে গ্রামগঞ্জে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তোড়জোড় শুরু হয়েছে, যা গ্রামীণ জনপদে উৎসবের আমেজ তৈরি করেছে।

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ


পরিবেশ কন্ঠ

সম্পাদক: ড. মোহাম্মদ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ