পরিবেশ কন্ঠ

ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রীর বড় ঘোষণা


প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রীর বড় ঘোষণা
সংগৃহীত

আগামী তিন মাসকে ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে সমন্বিত অভিযানের ডাক প্রধানমন্ত্রীর।

দেশে ডেঙ্গুর ক্রমবর্ধমান প্রকোপ মোকাবিলায় এক ব্যাপক ও সমন্বিত কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এই বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই কর্মসূচির সূচনা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, সাম্প্রতিক সময়ে ডেঙ্গুর বিস্তার উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে সরকার আগামী তিন মাসকে বিশেষ ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ সময় হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এই সংকটময় সময়ে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই মূল লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, কেবল সরকারি উদ্যোগ নয়, ডেঙ্গু নির্মূলে প্রতিটি নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। নিজের বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং কর্মস্থল নিয়মিত পরিষ্কার রাখার মাধ্যমেই এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ করা সম্ভব।

এই কর্মসূচির বিশেষত্ব হলো এর তৃণমূল পর্যায়ের সমন্বয়। শহর এলাকায় সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন এবং জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নেতৃত্বে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। উপজেলা পর্যায়ে তদারকির দায়িত্বে থাকবেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও)। এতে যুক্ত করা হয়েছে বিবিধ স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে। স্কাউট, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি), গার্ল গাইডস এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবীরা এই অভিযানে সরাসরি মাঠপর্যায়ে কাজ করবেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতি শনিবার দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হবে। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করবেন এবং মানুষকে বাড়ির আঙিনায় জমে থাকা পানি অপসারণে উদ্বুদ্ধ করবেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী টেলিভিশন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচার জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন। গণমাধ্যমের শক্তিশালী ভূমিকার মাধ্যমে যেন প্রতিটি মানুষের কাছে ডেঙ্গু প্রতিরোধের বার্তা পৌঁছায়, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে। সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং সরকারি নির্দেশনার সংমিশ্রণে এই তিন মাসের অভিযান ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

বিষয় : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ডেঙ্গু প্রতিরোধ এডিস মশা ডেঙ্গু সচেতনতা পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কন্ঠ

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬


ডেঙ্গু প্রতিরোধে প্রধানমন্ত্রীর বড় ঘোষণা

প্রকাশের তারিখ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

আগামী তিন মাসকে ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় নিয়ে স্থানীয় প্রশাসন, স্বেচ্ছাসেবী ও শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে সমন্বিত অভিযানের ডাক প্রধানমন্ত্রীর।

দেশে ডেঙ্গুর ক্রমবর্ধমান প্রকোপ মোকাবিলায় এক ব্যাপক ও সমন্বিত কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এই বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই কর্মসূচির সূচনা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, সাম্প্রতিক সময়ে ডেঙ্গুর বিস্তার উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে সরকার আগামী তিন মাসকে বিশেষ ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ সময় হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এই সংকটময় সময়ে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই মূল লক্ষ্য। প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, কেবল সরকারি উদ্যোগ নয়, ডেঙ্গু নির্মূলে প্রতিটি নাগরিকের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। নিজের বাসাবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং কর্মস্থল নিয়মিত পরিষ্কার রাখার মাধ্যমেই এডিস মশার বংশবিস্তার রোধ করা সম্ভব।

এই কর্মসূচির বিশেষত্ব হলো এর তৃণমূল পর্যায়ের সমন্বয়। শহর এলাকায় সংশ্লিষ্ট সিটি করপোরেশন এবং জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নেতৃত্বে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। উপজেলা পর্যায়ে তদারকির দায়িত্বে থাকবেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারা (ইউএনও)। এতে যুক্ত করা হয়েছে বিবিধ স্বেচ্ছাসেবী সংস্থাকে। স্কাউট, বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি), গার্ল গাইডস এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবীরা এই অভিযানে সরাসরি মাঠপর্যায়ে কাজ করবেন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতি শনিবার দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হবে। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় জনসচেতনতা তৈরিতে কাজ করবেন এবং মানুষকে বাড়ির আঙিনায় জমে থাকা পানি অপসারণে উদ্বুদ্ধ করবেন। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী টেলিভিশন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচার জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছেন। গণমাধ্যমের শক্তিশালী ভূমিকার মাধ্যমে যেন প্রতিটি মানুষের কাছে ডেঙ্গু প্রতিরোধের বার্তা পৌঁছায়, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে। সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং সরকারি নির্দেশনার সংমিশ্রণে এই তিন মাসের অভিযান ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কার্যকরী ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ


পরিবেশ কন্ঠ

সম্পাদক: ড. মোহাম্মদ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ