পরিবেশ কন্ঠ

জুলাই শহীদদের স্বপ্ন ও প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান


প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

জুলাই শহীদদের স্বপ্ন ও প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি

জুলাই শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে নাগরিকদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশ স্কাউটসের শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেন, আত্মত্যাগের ঋণ শোধ করতে হবে দেশের কল্যাণে কাজ করার মাধ্যমে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এবং একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দেশের প্রতিটি নাগরিককে যার যার অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনের উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১১ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। বাংলাদেশ স্কাউটসের শহীদ সদস্যদের পরিবারের সম্মাননা ও আর্থিক সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শহীদদের ত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বলেন, ‘১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে যারা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন, তাদের প্রধান লক্ষ্যই ছিল মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। তারা এমন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, যেখানে দেশের প্রতিটি মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে এবং তাদের মৌলিক চাহিদাগুলো যথাযথভাবে পূরণ হবে। সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার লড়াইয়ে আমাদের জয়ী হতেই হবে।’

তারেক রহমান উল্লেখ করেন যে, জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মত্যাগের ঋণ কোনো কিছুর বিনিময়েই শোধ করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘যারা শহীদ হয়েছেন, তারা একটি মহৎ উদ্দেশ্য সামনে রেখে রাজপথে বুক পেতে দিয়েছিলেন। তাদের এই আত্মত্যাগের মর্যাদা ধরে রাখার একমাত্র উপায় হলো দেশের জন্য কাজ করা। আমরা যারা বেঁচে আছি, তাদের প্রত্যেকের নৈতিক দায়িত্ব হলো নিজ নিজ জায়গা থেকে দেশ গঠনে অবদান রাখা।’

বাংলাদেশ স্কাউটসের সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্কাউটরা সবসময় সেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের মানুষের কল্যাণের পাশাপাশি প্রকৃতি ও পরিবেশের সুরক্ষায়ও তাদের এগিয়ে আসতে হবে। মানুষকে সাহায্য করার পাশাপাশি অন্যদেরও দেশপ্রেমের মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রাণ হারানো বাংলাদেশ স্কাউটসের ১০টি শহীদ পরিবারের হাতে সম্মাননা পদক ও আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ স্কাউটসের সভাপতি নাসিমুল গণি এক বিশেষ দাবি উত্থাপন করে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের বীরত্বগাথা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে জাতীয় পাঠ্যক্রমে তাদের ভূমিকা অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও শ্রম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন। এছাড়াও শহীদ পরিবারের সদস্য ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

বিষয় : প্রধানমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থান শহীদ

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কন্ঠ

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬


জুলাই শহীদদের স্বপ্ন ও প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

জুলাই শহীদদের স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়তে নাগরিকদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর


বাংলাদেশ স্কাউটসের শহীদ পরিবারের সদস্যদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে তারেক রহমান বলেন, আত্মত্যাগের ঋণ শোধ করতে হবে দেশের কল্যাণে কাজ করার মাধ্যমে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মহান শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এবং একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দেশের প্রতিটি নাগরিককে যার যার অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনের উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১১ আগস্ট) বিকেলে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন। বাংলাদেশ স্কাউটসের শহীদ সদস্যদের পরিবারের সম্মাননা ও আর্থিক সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শহীদদের ত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে বলেন, ‘১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪-এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে যারা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন, তাদের প্রধান লক্ষ্যই ছিল মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। তারা এমন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিলেন, যেখানে দেশের প্রতিটি মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারবে এবং তাদের মৌলিক চাহিদাগুলো যথাযথভাবে পূরণ হবে। সেই স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার লড়াইয়ে আমাদের জয়ী হতেই হবে।’

তারেক রহমান উল্লেখ করেন যে, জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মত্যাগের ঋণ কোনো কিছুর বিনিময়েই শোধ করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘যারা শহীদ হয়েছেন, তারা একটি মহৎ উদ্দেশ্য সামনে রেখে রাজপথে বুক পেতে দিয়েছিলেন। তাদের এই আত্মত্যাগের মর্যাদা ধরে রাখার একমাত্র উপায় হলো দেশের জন্য কাজ করা। আমরা যারা বেঁচে আছি, তাদের প্রত্যেকের নৈতিক দায়িত্ব হলো নিজ নিজ জায়গা থেকে দেশ গঠনে অবদান রাখা।’

বাংলাদেশ স্কাউটসের সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্কাউটরা সবসময় সেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের মানুষের কল্যাণের পাশাপাশি প্রকৃতি ও পরিবেশের সুরক্ষায়ও তাদের এগিয়ে আসতে হবে। মানুষকে সাহায্য করার পাশাপাশি অন্যদেরও দেশপ্রেমের মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানে তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রাণ হারানো বাংলাদেশ স্কাউটসের ১০টি শহীদ পরিবারের হাতে সম্মাননা পদক ও আর্থিক অনুদানের চেক তুলে দেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ স্কাউটসের সভাপতি নাসিমুল গণি এক বিশেষ দাবি উত্থাপন করে বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের বীরত্বগাথা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে জাতীয় পাঠ্যক্রমে তাদের ভূমিকা অন্তর্ভুক্ত করা অত্যন্ত জরুরি। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়টিকে গুরুত্বের সাথে বিবেচনার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ এবং প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও শ্রম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন। এছাড়াও শহীদ পরিবারের সদস্য ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ


পরিবেশ কন্ঠ

সম্পাদক: ড. মোহাম্মদ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ