জামায়াতের আমির আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। এ বিষয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা নীরব ছিলেন কেন, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ মেহেদী হাসান সাব্বিরের পরিবারের খোঁজখবর নিতে মাগুরায় গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রাশেদ খান।
এনসিপির সমালোচনা করে রাশেদ খান বলেন, জামায়াতের আমিরের মানবতাবিরোধী অপরাধের সময় এনসিপি কেন চুপ ছিল? নাহিদ কেন চুপ? ভাগ-বাটোয়ারা ঠিকমতো হয়ে গেছে, এ জন্যই চুপ হয়ে গেছে? এনসিপির কাছে মানুষ এমন ভাগ-বাটোয়ারার রাজনীতি প্রত্যাশা করেছিল?
রাশেদ খান বলেন, একটি নতুন দল বাংলাদেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করবে এবং জুলাইয়ের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে কাজ করবে—এমন প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, জুলাইকে বিক্রি করে একটি দল গঠন করা হয়েছে এবং এর নামে লুটপাট করা হয়েছে। সেই অর্থে বিলাসী জীবনযাপনের অভিযোগও শোনা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
শেখ রেহানার সাম্প্রতিক ফেসবুক পোস্ট এবং আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন—এমন বক্তব্যের প্রসঙ্গে রাশেদ বলেন, আওয়ামী লীগ একটি পলাতক সরকার। শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা এতটাই শক্তিশালী হলে তাঁদের দেশ ছেড়ে পালাতে হতো না।
শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাঁর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আশঙ্কা থাকলেও তিনি ফিরবেন কি না—এমন প্রশ্ন তুলে রাশেদ খাঁন বলেন, বাংলাদেশের মানুষ তাঁকে ছেড়ে দেবে কি না, সেটিও বিবেচনার বিষয়।
ভারতের বিভিন্ন বক্তব্যে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করার প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা উপেক্ষা করে ভারতের দুই নৌকায় পা দিয়ে চলার নীতি গ্রহণ করা উচিত নয়। তাঁর মতে, একদিকে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া, অন্যদিকে বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।
শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক এই সহকারী বলেন, অন্যথায় ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠা কঠিন হবে। বাংলাদেশের জনগণ বিষয়টি মেনে নেবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীরও সমালোচনা করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নন যে, তাঁকে নিয়ে কথা বলতে হবে। তবে সম্মানিত ব্যক্তিদের নিয়ে তাঁর বক্তব্য এবং তাঁদের হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। জামায়াত ও এনসিপির উচিত তাঁর বক্তব্যের লাগাম টেনে ধরা। অন্যথায় জনগণই তাঁর লাগাম টেনে ধরবে বলে মন্তব্য করেন রাশেদ খান।
বিষয় : এনসিপি মাগুরা আওয়ামী লীগ জামায়াত

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ অক্টোবর ২০২৬
জামায়াতের আমির আওয়ামী লীগকে সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। এ বিষয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা নীরব ছিলেন কেন, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।
আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ মেহেদী হাসান সাব্বিরের পরিবারের খোঁজখবর নিতে মাগুরায় গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রাশেদ খান।
এনসিপির সমালোচনা করে রাশেদ খান বলেন, জামায়াতের আমিরের মানবতাবিরোধী অপরাধের সময় এনসিপি কেন চুপ ছিল? নাহিদ কেন চুপ? ভাগ-বাটোয়ারা ঠিকমতো হয়ে গেছে, এ জন্যই চুপ হয়ে গেছে? এনসিপির কাছে মানুষ এমন ভাগ-বাটোয়ারার রাজনীতি প্রত্যাশা করেছিল?
রাশেদ খান বলেন, একটি নতুন দল বাংলাদেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করবে এবং জুলাইয়ের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে কাজ করবে—এমন প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু তাঁর অভিযোগ, জুলাইকে বিক্রি করে একটি দল গঠন করা হয়েছে এবং এর নামে লুটপাট করা হয়েছে। সেই অর্থে বিলাসী জীবনযাপনের অভিযোগও শোনা যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
শেখ রেহানার সাম্প্রতিক ফেসবুক পোস্ট এবং আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন—এমন বক্তব্যের প্রসঙ্গে রাশেদ বলেন, আওয়ামী লীগ একটি পলাতক সরকার। শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা এতটাই শক্তিশালী হলে তাঁদের দেশ ছেড়ে পালাতে হতো না।
শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে তাঁর বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আশঙ্কা থাকলেও তিনি ফিরবেন কি না—এমন প্রশ্ন তুলে রাশেদ খাঁন বলেন, বাংলাদেশের মানুষ তাঁকে ছেড়ে দেবে কি না, সেটিও বিবেচনার বিষয়।
ভারতের বিভিন্ন বক্তব্যে শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করার প্রসঙ্গে রাশেদ খান বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা উপেক্ষা করে ভারতের দুই নৌকায় পা দিয়ে চলার নীতি গ্রহণ করা উচিত নয়। তাঁর মতে, একদিকে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া, অন্যদিকে বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়।
শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক এই সহকারী বলেন, অন্যথায় ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক প্রতিষ্ঠা কঠিন হবে। বাংলাদেশের জনগণ বিষয়টি মেনে নেবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এ সময় এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীরও সমালোচনা করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এমন কোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি নন যে, তাঁকে নিয়ে কথা বলতে হবে। তবে সম্মানিত ব্যক্তিদের নিয়ে তাঁর বক্তব্য এবং তাঁদের হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়। জামায়াত ও এনসিপির উচিত তাঁর বক্তব্যের লাগাম টেনে ধরা। অন্যথায় জনগণই তাঁর লাগাম টেনে ধরবে বলে মন্তব্য করেন রাশেদ খান।

আপনার মতামত লিখুন