পরিবেশ কন্ঠ

পেশাদার সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ নিয়ে

সাংবাদিকতা পেশার মানদণ্ড নির্ধারণে সুনির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয়তা: তথ্যমন্ত্রী


প্রকাশ : ২৩ জুলাই ২০২৬ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

সাংবাদিকতা পেশার মানদণ্ড নির্ধারণে সুনির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয়তা: তথ্যমন্ত্রী
সংগৃহীত

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির সভায় জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, কোনো সংকীর্ণতা নয় বরং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণমুখী সিদ্ধান্তের মাধ্যমে গণমাধ্যমের সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

পেশাদার সাংবাদিকতার মান রক্ষা এবং দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে কে প্রকৃত সাংবাদিক আর কে নন, তা নির্ধারণের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির ৩৪তম এবং নবগঠিত কমিটির প্রথম সভায় দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সভার এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

মন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গণমাধ্যম হলো একটি বহুপাক্ষিক ও বহুমাত্রিক ক্ষেত্র। এখানে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের চিন্তা, দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিভিন্ন মতাদর্শের মানুষের সহাবস্থানের কোনো বিকল্প নেই। তাই এই ক্ষেত্রে সহাবস্থানের সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখা প্রয়োজন। তিনি কমিটির সদস্যদের পরামর্শ দেন যাতে কোনো প্রকার সংকীর্ণ বা পক্ষপাতমূলক দৃষ্টিভঙ্গি ছাড়াই অন্তর্ভুক্তিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। জহির উদ্দিন স্বপনের মতে, সরকারের দায়িত্বশীল প্রতিনিধি হিসেবে রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের সকল নাগরিকের প্রতি সমান দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করা আমাদের নৈতিক কর্তব্য। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রকৃত সক্ষমতা ফুটে ওঠে কঠিন ও সংবেদনশীল পরিস্থিতিতেও গ্রহণযোগ্য ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে।

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির সদস্যদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দেশের বিদ্যমান আইন, সংবিধান এবং বিধিবিধানের যথাযথ প্রতিফলন নিশ্চিত করতে হবে। তাৎক্ষণিক কোনো লাভের কথা চিন্তা না করে প্রতিটি পদক্ষেপের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনা করা প্রয়োজন। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রের অন্যতম রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল একটি প্রতিষ্ঠান। এখানে নেওয়া একটি ছোট ভুল সিদ্ধান্তও ভবিষ্যতে রাষ্ট্র ও সমাজের ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই প্রজ্ঞা এবং অভিজ্ঞতার আলোকে সর্বজনগ্রাহ্য সিদ্ধান্ত গ্রহণে সদস্যদের আরও যত্নশীল হতে হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ। সভায় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. শাহ আলমসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির নবনির্বাচিত সদস্যবৃন্দ। উপস্থিত সদস্যরা মন্ত্রীর এই দূরদর্শী এবং সময়োপযোগী নির্দেশনাকে স্বাগত জানান এবং পেশাদার সাংবাদিকতার পথ সুগম করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পেশাদার সাংবাদিকতার মানদণ্ড বজায় রাখতে এমন উদ্যোগকে গণমাধ্যমকর্মীরাও ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন

পরিবেশ কন্ঠ

বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬


সাংবাদিকতা পেশার মানদণ্ড নির্ধারণে সুনির্দিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয়তা: তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২৩ জুলাই ২০২৬

featured Image

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির সভায় জহির উদ্দিন স্বপন জানিয়েছেন, কোনো সংকীর্ণতা নয় বরং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও গণমুখী সিদ্ধান্তের মাধ্যমে গণমাধ্যমের সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

পেশাদার সাংবাদিকতার মান রক্ষা এবং দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে কে প্রকৃত সাংবাদিক আর কে নন, তা নির্ধারণের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট ও যথাযথ কর্তৃপক্ষ থাকা অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির ৩৪তম এবং নবগঠিত কমিটির প্রথম সভায় দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্যে তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সভার এই গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

মন্ত্রী তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, গণমাধ্যম হলো একটি বহুপাক্ষিক ও বহুমাত্রিক ক্ষেত্র। এখানে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের চিন্তা, দৃষ্টিভঙ্গি এবং বিভিন্ন মতাদর্শের মানুষের সহাবস্থানের কোনো বিকল্প নেই। তাই এই ক্ষেত্রে সহাবস্থানের সুস্থ পরিবেশ বজায় রাখা প্রয়োজন। তিনি কমিটির সদস্যদের পরামর্শ দেন যাতে কোনো প্রকার সংকীর্ণ বা পক্ষপাতমূলক দৃষ্টিভঙ্গি ছাড়াই অন্তর্ভুক্তিমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। জহির উদ্দিন স্বপনের মতে, সরকারের দায়িত্বশীল প্রতিনিধি হিসেবে রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের সকল নাগরিকের প্রতি সমান দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করা আমাদের নৈতিক কর্তব্য। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রকৃত সক্ষমতা ফুটে ওঠে কঠিন ও সংবেদনশীল পরিস্থিতিতেও গ্রহণযোগ্য ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে।

প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির সদস্যদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরও বলেন, প্রতিটি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দেশের বিদ্যমান আইন, সংবিধান এবং বিধিবিধানের যথাযথ প্রতিফলন নিশ্চিত করতে হবে। তাৎক্ষণিক কোনো লাভের কথা চিন্তা না করে প্রতিটি পদক্ষেপের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব বিবেচনা করা প্রয়োজন। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় রাষ্ট্রের অন্যতম রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল একটি প্রতিষ্ঠান। এখানে নেওয়া একটি ছোট ভুল সিদ্ধান্তও ভবিষ্যতে রাষ্ট্র ও সমাজের ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই প্রজ্ঞা এবং অভিজ্ঞতার আলোকে সর্বজনগ্রাহ্য সিদ্ধান্ত গ্রহণে সদস্যদের আরও যত্নশীল হতে হবে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ। সভায় উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. শাহ আলমসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং প্রেস অ্যাক্রিডিটেশন কমিটির নবনির্বাচিত সদস্যবৃন্দ। উপস্থিত সদস্যরা মন্ত্রীর এই দূরদর্শী এবং সময়োপযোগী নির্দেশনাকে স্বাগত জানান এবং পেশাদার সাংবাদিকতার পথ সুগম করতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পেশাদার সাংবাদিকতার মানদণ্ড বজায় রাখতে এমন উদ্যোগকে গণমাধ্যমকর্মীরাও ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।

পরি-কন্ঠ/মুয়াজ


পরিবেশ কন্ঠ

সম্পাদক: ড. মোহাম্মদ সেলিম রেজা
প্রকাশক: মীযানুর রহমান

কপিরাইট © ২০১৭ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত পরিবেশ কণ্ঠ