নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে গাঁজাসহ পাঁচজনকে আটকের পর তাদের ছাড়িয়ে নিতে পুলিশের কাছে তদবিরের অভিযোগ উঠেছে ওলামা দলের দুই নেতার বিরুদ্ধে।
গত ২৮ আগস্ট রাতে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের তালতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ওই পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের কাছ থেকে গাঁজা উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযোগ রয়েছে, রাত ৮টার দিকে আটক ব্যক্তিদের ছাড়িয়ে নিতে তালতলা তদন্ত কেন্দ্রে যান সোনারগাঁ উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা ওমর ফারুক ও জামপুর ইউনিয়ন ওলামা দলের নেতা মুক্তার হোসেন। তারা আটক ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে তদবির করেন বলে অভিযোগ।
তবে তদন্ত কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জসীমউদ্দীন তাদের জানান, মাদকসহ আটকের ঘটনায় আইন অনুযায়ী তাদের ছেড়ে দেওয়ার সুযোগ নেই এবং আদালতে পাঠানো হবে।
তালতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সাব-ইন্সপেক্টর সেলিম মিয়া বলেন, পাঁচজনকে আটকের পর তাদের কাছ থেকে গাঁজা উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন জুয়েল মিয়া (২০), রাব্বি (২৫), রুহুল আমিন (১৯), শাহিন মিয়া (২৬) ও আশিক (২৩)।
অভিযোগের বিষয়ে মাওলানা ওমর ফারুকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মুক্তার হোসেনের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
জামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আল মুজাহিদ মল্লিক বলেন, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

রোববার, ৩০ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে গাঁজাসহ পাঁচজনকে আটকের পর তাদের ছাড়িয়ে নিতে পুলিশের কাছে তদবিরের অভিযোগ উঠেছে ওলামা দলের দুই নেতার বিরুদ্ধে।
গত ২৮ আগস্ট রাতে উপজেলার জামপুর ইউনিয়নের তালতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে ওই পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাদের কাছ থেকে গাঁজা উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
অভিযোগ রয়েছে, রাত ৮টার দিকে আটক ব্যক্তিদের ছাড়িয়ে নিতে তালতলা তদন্ত কেন্দ্রে যান সোনারগাঁ উপজেলা ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা ওমর ফারুক ও জামপুর ইউনিয়ন ওলামা দলের নেতা মুক্তার হোসেন। তারা আটক ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়ার জন্য পুলিশের কাছে তদবির করেন বলে অভিযোগ।
তবে তদন্ত কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জসীমউদ্দীন তাদের জানান, মাদকসহ আটকের ঘটনায় আইন অনুযায়ী তাদের ছেড়ে দেওয়ার সুযোগ নেই এবং আদালতে পাঠানো হবে।
তালতলা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সাব-ইন্সপেক্টর সেলিম মিয়া বলেন, পাঁচজনকে আটকের পর তাদের কাছ থেকে গাঁজা উদ্ধার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন জুয়েল মিয়া (২০), রাব্বি (২৫), রুহুল আমিন (১৯), শাহিন মিয়া (২৬) ও আশিক (২৩)।
অভিযোগের বিষয়ে মাওলানা ওমর ফারুকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর স্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মুক্তার হোসেনের বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
জামপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আল মুজাহিদ মল্লিক বলেন, অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন