ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভে অংশ নেওয়ায় আটক মমতা ও কেজরিওয়ালকে মুক্তি দিয়েছে পুলিশ।
ভারতের দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার অভিযোগে আটক পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে মুক্তি দিয়েছে পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। আটক হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তৃণমূলের অন্যান্য নেতাকর্মী ও ছাত্রনেতা নেহা বোরাকেও মুক্তি দেয় পুলিশ প্রশাসন।
ঘটনার সূত্রপাত ঘটে যন্তর মন্তরে যাওয়ার পথে পুলিশি বাধা থেকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই পুলিশ তাদের প্রিজন ভ্যানে তুলে বিভিন্ন থানায় ঘোরানো হয়। তিনি এই পরিস্থিতির সঙ্গে অপহরণের মিল খুঁজে পান এবং পুলিশের আচরণকে অনভিপ্রেত বলে অভিহিত করেন। প্রশাসনিক সূত্র জানায়, এলাকায় ১৪৪ ধারা বা জমায়েত নিষিদ্ধ থাকায় আইনশৃঙ্খলার অজুহাতে তাদের আটক করা হয়েছিল। নেহা বোরার ফোনসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্রও কিছু সময়ের জন্য জব্দ করা হয়।
আটককালীন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, পুলিশ তাদের হেনস্তা করতে একের পর এক থানায় নিয়ে গেছে। কোথাও জায়গা নেই বলে আবার নতুন গন্তব্যে নেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের এই শীর্ষ নেত্রী স্পষ্ট করেন যে, তারা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানাতে চেয়েছিলেন। এদিকে, অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নেহা বোরা মুক্তি পাওয়ার পর জানিয়েছেন, আন্দোলনের মূল ইস্যু ভোটার তালিকা সংশোধনে অনিয়মের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে এবং পুলিশের ভয় দেখিয়ে আন্দোলন দমন করা সম্ভব নয়।
দিল্লিতে চলমান এই আন্দোলনের ঢেউ এখন ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। মুম্বাই, চেন্নাই, কলকাতা ও হায়দরাবাদসহ একাধিক শহরে ছাত্রসংগঠন ও রাজনৈতিক দলগুলো বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। ভোটার তালিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিরোধী দলগুলোর এই যৌথ কর্মসূচি আগামীতে আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলেও সংশ্লিষ্ট এলাকায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

রোববার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভে অংশ নেওয়ায় আটক মমতা ও কেজরিওয়ালকে মুক্তি দিয়েছে পুলিশ।
ভারতের দিল্লিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার অভিযোগে আটক পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে মুক্তি দিয়েছে পুলিশ। শনিবার সন্ধ্যায় দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। আটক হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে তৃণমূলের অন্যান্য নেতাকর্মী ও ছাত্রনেতা নেহা বোরাকেও মুক্তি দেয় পুলিশ প্রশাসন।
ঘটনার সূত্রপাত ঘটে যন্তর মন্তরে যাওয়ার পথে পুলিশি বাধা থেকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই পুলিশ তাদের প্রিজন ভ্যানে তুলে বিভিন্ন থানায় ঘোরানো হয়। তিনি এই পরিস্থিতির সঙ্গে অপহরণের মিল খুঁজে পান এবং পুলিশের আচরণকে অনভিপ্রেত বলে অভিহিত করেন। প্রশাসনিক সূত্র জানায়, এলাকায় ১৪৪ ধারা বা জমায়েত নিষিদ্ধ থাকায় আইনশৃঙ্খলার অজুহাতে তাদের আটক করা হয়েছিল। নেহা বোরার ফোনসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্রও কিছু সময়ের জন্য জব্দ করা হয়।
আটককালীন অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, পুলিশ তাদের হেনস্তা করতে একের পর এক থানায় নিয়ে গেছে। কোথাও জায়গা নেই বলে আবার নতুন গন্তব্যে নেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের এই শীর্ষ নেত্রী স্পষ্ট করেন যে, তারা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানাতে চেয়েছিলেন। এদিকে, অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নেহা বোরা মুক্তি পাওয়ার পর জানিয়েছেন, আন্দোলনের মূল ইস্যু ভোটার তালিকা সংশোধনে অনিয়মের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে এবং পুলিশের ভয় দেখিয়ে আন্দোলন দমন করা সম্ভব নয়।
দিল্লিতে চলমান এই আন্দোলনের ঢেউ এখন ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। মুম্বাই, চেন্নাই, কলকাতা ও হায়দরাবাদসহ একাধিক শহরে ছাত্রসংগঠন ও রাজনৈতিক দলগুলো বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। ভোটার তালিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিরোধী দলগুলোর এই যৌথ কর্মসূচি আগামীতে আরও বড় আকার ধারণ করতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন। বর্তমানে পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকলেও সংশ্লিষ্ট এলাকায় বাড়তি পুলিশ মোতায়েন রাখা হয়েছে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন