মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে গিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের; হাসপাতাল উন্নীত হবে ১০১ শয্যায়
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, সরকারি হাসপাতালের আশপাশে নতুন করে কোনো বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হবে না। মঙ্গলবার সকালে এই পরিদর্শনের সময় তিনি স্বাস্থ্য খাতের অনিয়ম রোধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। মন্ত্রী স্পষ্ট করেন, বিদ্যমান বেসরকারি ক্লিনিকগুলো যদি নিয়ম না মেনে কার্যক্রম পরিচালনা করে, তবে সেগুলোর বিরুদ্ধেও কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, সরকারি হাসপাতালের সেবার মান নিয়ে কোনো আপস করা হবে না। পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও অন্তর্বিভাগের সেবার মান নিয়ে মন্ত্রী সরাসরি তদারকি করেন। এ সময় চিকিৎসক সংকট, খাবারের মান এবং ওষুধের সঠিক ব্যবহারের বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। বিশেষ করে, সরকারি হাসপাতালে ল্যাবরেটরি সুবিধা থাকা সত্ত্বেও রোগীদের কেন বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানো হচ্ছে, সেই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
দায়িত্বে অবহেলাকারী চিকিৎসক ও কর্মচারীদের সতর্ক করে মন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে বিদ্যমান সব সুযোগ-সুবিধা যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। তিনি চিকিৎসার অভাবে কোনো মানুষের মৃত্যু কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেন। সেবার পরিধি বাড়াতে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে বর্তমান ৫০ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার প্রতিশ্রুতিও দেন মন্ত্রী। এছাড়া সাপের কামড়ের চিকিৎসার বিষয়ে তিনি জানান, উপজেলা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় অ্যান্টিভেনম মজুদ রাখা হয়েছে, তবে আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পরিদর্শনকালে মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতনসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। স্বাস্থ্যসেবাকে তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর এবং এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সারাদেশের হাসপাতালগুলোর মানোন্নয়ন প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে গিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের; হাসপাতাল উন্নীত হবে ১০১ শয্যায়
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, সরকারি হাসপাতালের আশপাশে নতুন করে কোনো বেসরকারি ক্লিনিক বা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হবে না। মঙ্গলবার সকালে এই পরিদর্শনের সময় তিনি স্বাস্থ্য খাতের অনিয়ম রোধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। মন্ত্রী স্পষ্ট করেন, বিদ্যমান বেসরকারি ক্লিনিকগুলো যদি নিয়ম না মেনে কার্যক্রম পরিচালনা করে, তবে সেগুলোর বিরুদ্ধেও কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মন্ত্রী বলেন, সরকারি হাসপাতালের সেবার মান নিয়ে কোনো আপস করা হবে না। পরিদর্শনের সময় হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও অন্তর্বিভাগের সেবার মান নিয়ে মন্ত্রী সরাসরি তদারকি করেন। এ সময় চিকিৎসক সংকট, খাবারের মান এবং ওষুধের সঠিক ব্যবহারের বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। বিশেষ করে, সরকারি হাসপাতালে ল্যাবরেটরি সুবিধা থাকা সত্ত্বেও রোগীদের কেন বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানো হচ্ছে, সেই বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
দায়িত্বে অবহেলাকারী চিকিৎসক ও কর্মচারীদের সতর্ক করে মন্ত্রী বলেন, সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। এই লক্ষ্য অর্জনে বিদ্যমান সব সুযোগ-সুবিধা যথাযথভাবে কাজে লাগাতে হবে। তিনি চিকিৎসার অভাবে কোনো মানুষের মৃত্যু কোনোভাবেই কাম্য নয় বলে মন্তব্য করেন। সেবার পরিধি বাড়াতে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে বর্তমান ৫০ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার প্রতিশ্রুতিও দেন মন্ত্রী। এছাড়া সাপের কামড়ের চিকিৎসার বিষয়ে তিনি জানান, উপজেলা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় অ্যান্টিভেনম মজুদ রাখা হয়েছে, তবে আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে আসার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
পরিদর্শনকালে মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতনসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। স্বাস্থ্যসেবাকে তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর এবং এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে সারাদেশের হাসপাতালগুলোর মানোন্নয়ন প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে বলে আশ্বস্ত করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন