অপরাধ বিষয়ক সংবাদ সংগ্রহের সময় ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অগ্নিনির্বাপণ কৌশলে দক্ষ হতে দুই দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ পেলেন ৪৮ জন সংবাদকর্মী।
ঢাকা মহানগরীর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সদর দপ্তরে এক ব্যতিক্রমী ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। অপরাধ বিষয়ক সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের প্রায়ই নানা ধরনের প্রতিকূল ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব)-এর সদস্যদের পেশাগত নিরাপত্তা ও উদ্ধার কৌশল শেখাতে দুই দিনব্যাপী এক বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করে ফায়ার সার্ভিস। গত ২ ও ৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণে ক্র্যাবের ৪৮ জন সাংবাদিক অংশ নেন। কর্মসূচির প্রথম দিন ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এই আয়োজনের শুভ উদ্বোধন করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাহেদ কামাল, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি।
উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি সাংবাদিকদের সাহসিকতার প্রশংসা করে বলেন, অগ্নিকাণ্ড বা যেকোনো দুর্যোগে সংবাদকর্মীরা প্রথম সারিতে থাকেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় নূন্যতম কারিগরি জ্ঞান থাকা অত্যন্ত জরুরি। প্রশিক্ষণার্থীদের কেবল তাত্ত্বিক নয়, বরং হাতে-কলমে ব্যবহারিক শিক্ষাও দেওয়া হয়। এতে অগ্নিনির্বাপণ পদ্ধতি, উন্নত উদ্ধার কার্যক্রম, ভূমিকম্পের সময় করণীয় এবং জরুরি প্রাথমিক চিকিৎসার মতো বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে শেখানো হয়।
বিশেষ করে সংবাদ সংগ্রহের সময় একজন সাংবাদিক কীভাবে নিজেকে নিরাপদ রেখে জনস্বার্থে তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন, সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে ফায়ার সার্ভিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার, ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক মো. সালেহ উদ্দিন এবং সহকারী পরিচালক মো. মোস্তফা মহসিন। ক্র্যাবের সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাসহ সংগঠনের অন্যান্য প্রতিনিধিরা এই উদ্যোগে ফায়ার সার্ভিসের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
৩ আগস্ট সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই ফলপ্রসূ প্রশিক্ষণের সমাপ্তি ঘটে। সমাপনী দিনে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই অর্জিত জ্ঞান সাংবাদিকদের পেশাগত জীবনে বাস্তব প্রয়োগে সহায়ক হবে এবং বড় ধরনের বিপদ থেকে জীবন ও সম্পদ রক্ষায় ভূমিকা রাখবে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

সোমবার, ০৩ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ আগস্ট ২০২৬
অপরাধ বিষয়ক সংবাদ সংগ্রহের সময় ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অগ্নিনির্বাপণ কৌশলে দক্ষ হতে দুই দিনব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ পেলেন ৪৮ জন সংবাদকর্মী।
ঢাকা মহানগরীর ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সদর দপ্তরে এক ব্যতিক্রমী ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়েছে। অপরাধ বিষয়ক সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের প্রায়ই নানা ধরনের প্রতিকূল ও ঝুঁকিপূর্ণ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব)-এর সদস্যদের পেশাগত নিরাপত্তা ও উদ্ধার কৌশল শেখাতে দুই দিনব্যাপী এক বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করে ফায়ার সার্ভিস। গত ২ ও ৩ আগস্ট অনুষ্ঠিত এই প্রশিক্ষণে ক্র্যাবের ৪৮ জন সাংবাদিক অংশ নেন। কর্মসূচির প্রথম দিন ফায়ার সার্ভিস সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এই আয়োজনের শুভ উদ্বোধন করেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাহেদ কামাল, এনডিসি, এএফডব্লিউসি, পিএসসি।
উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি সাংবাদিকদের সাহসিকতার প্রশংসা করে বলেন, অগ্নিকাণ্ড বা যেকোনো দুর্যোগে সংবাদকর্মীরা প্রথম সারিতে থাকেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় নূন্যতম কারিগরি জ্ঞান থাকা অত্যন্ত জরুরি। প্রশিক্ষণার্থীদের কেবল তাত্ত্বিক নয়, বরং হাতে-কলমে ব্যবহারিক শিক্ষাও দেওয়া হয়। এতে অগ্নিনির্বাপণ পদ্ধতি, উন্নত উদ্ধার কার্যক্রম, ভূমিকম্পের সময় করণীয় এবং জরুরি প্রাথমিক চিকিৎসার মতো বিষয়গুলো গুরুত্বের সাথে শেখানো হয়।
বিশেষ করে সংবাদ সংগ্রহের সময় একজন সাংবাদিক কীভাবে নিজেকে নিরাপদ রেখে জনস্বার্থে তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন, সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে ফায়ার সার্ভিসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (প্রশিক্ষণ, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার, ঢাকা বিভাগের উপপরিচালক মো. সালেহ উদ্দিন এবং সহকারী পরিচালক মো. মোস্তফা মহসিন। ক্র্যাবের সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাসহ সংগঠনের অন্যান্য প্রতিনিধিরা এই উদ্যোগে ফায়ার সার্ভিসের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
৩ আগস্ট সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই ফলপ্রসূ প্রশিক্ষণের সমাপ্তি ঘটে। সমাপনী দিনে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ আজাদ আনোয়ার। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এই অর্জিত জ্ঞান সাংবাদিকদের পেশাগত জীবনে বাস্তব প্রয়োগে সহায়ক হবে এবং বড় ধরনের বিপদ থেকে জীবন ও সম্পদ রক্ষায় ভূমিকা রাখবে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন