নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক কেন্দ্র মোগরাপাড়া চৌরাস্তা। প্রতিদিনের মতো আজ সকালেও যখন দোকান খোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ব্যবসায়ীরা, তখনই আল মদিনা শপিং মলের ভেতরে আগুনের লেলিহান শিখা লক্ষ্য করা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে শপিং মলের বিভিন্ন অংশে। আগুনের ভয়াবহতা দেখে দিগ্বিদিক ছুটতে শুরু করেন ক্রেতা ও দোকানমালিকেরা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় প্রাথমিকভাবে প্রায় ২০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। খবর পাওয়ার সাথে সাথেই সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রায় এক ঘণ্টার অবিরাম প্রচেষ্টার পর তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তবে ততক্ষণে শপিং মলের বেশ কিছু দোকানের মূল্যবান মালামাল ভস্মীভূত হয়ে যায়। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে পার্শ্ববর্তী ভবনগুলোতেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার বিস্তারিত জানাতে গিয়ে সোনারগাঁ ফায়ার স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদ চৌধুরী বলেন, খবর পাওয়ার পর আমাদের সদস্যরা সর্বোচ্চ দ্রুততায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু করেন। আমাদের প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ২০ লাখ টাকার মতো হতে পারে বলে আমরা ধারণা করছি, তবে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে সঠিক তথ্য জানা যাবে। কিন্তু আগুনের এই ঘটনাকে ঘিরে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় এক রহস্যজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশের দাবি, এটি কোনো সাধারণ দুর্ঘটনা নয়। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মার্কেট থেকে ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করার একটি অপচেষ্টা চলে আসছে। সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই কেউ সুকৌশলে আগুন লাগিয়ে দিতে পারে। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।
অন্যদিকে, মার্কেট কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ বা নাশকতার অভিযোগটিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাদের দাবি, এটি স্রেফ একটি দুর্ঘটনা। বর্তমানে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ব্যবসায়ীদের কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে, অনেকেই তাদের সম্বল হারিয়ে দিশেহারা।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ
বিষয় : অগ্নিকাণ্ড

রোববার, ০২ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুন ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার অন্যতম ব্যস্ত বাণিজ্যিক কেন্দ্র মোগরাপাড়া চৌরাস্তা। প্রতিদিনের মতো আজ সকালেও যখন দোকান খোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন ব্যবসায়ীরা, তখনই আল মদিনা শপিং মলের ভেতরে আগুনের লেলিহান শিখা লক্ষ্য করা যায়। মুহূর্তের মধ্যেই সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে শপিং মলের বিভিন্ন অংশে। আগুনের ভয়াবহতা দেখে দিগ্বিদিক ছুটতে শুরু করেন ক্রেতা ও দোকানমালিকেরা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় প্রাথমিকভাবে প্রায় ২০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। খবর পাওয়ার সাথে সাথেই সোনারগাঁ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রায় এক ঘণ্টার অবিরাম প্রচেষ্টার পর তারা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। তবে ততক্ষণে শপিং মলের বেশ কিছু দোকানের মূল্যবান মালামাল ভস্মীভূত হয়ে যায়। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে পার্শ্ববর্তী ভবনগুলোতেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার বিস্তারিত জানাতে গিয়ে সোনারগাঁ ফায়ার স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহিদ চৌধুরী বলেন, খবর পাওয়ার পর আমাদের সদস্যরা সর্বোচ্চ দ্রুততায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু করেন। আমাদের প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই এই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ২০ লাখ টাকার মতো হতে পারে বলে আমরা ধারণা করছি, তবে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে সঠিক তথ্য জানা যাবে। কিন্তু আগুনের এই ঘটনাকে ঘিরে মোগরাপাড়া চৌরাস্তা এলাকায় এক রহস্যজনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ীদের একটি বড় অংশের দাবি, এটি কোনো সাধারণ দুর্ঘটনা নয়। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মার্কেট থেকে ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করার একটি অপচেষ্টা চলে আসছে। সেই ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবেই কেউ সুকৌশলে আগুন লাগিয়ে দিতে পারে। তারা এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন।
অন্যদিকে, মার্কেট কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদ বা নাশকতার অভিযোগটিকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাদের দাবি, এটি স্রেফ একটি দুর্ঘটনা। বর্তমানে পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসন প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ব্যবসায়ীদের কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে, অনেকেই তাদের সম্বল হারিয়ে দিশেহারা।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন