প্রধানমন্ত্রী নির্দেশিত দেশব্যাপী ডেঙ্গু নির্মূল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জে বিশেষ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে এক ব্যাপক জনসচেতনতামূলক ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। চলতি বছরের এডিস মশাবাহিত রোগের প্রকোপ মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন এবং মশানিধন প্রক্রিয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার এই উদ্যোগটি স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।
গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ডেঙ্গুর মৌসুম এখন দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে এবং শহরতলি এলাকাগুলোতে সংক্রমণের হার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সোনারগাঁ উপজেলা প্রশাসনের দেওয়া তথ্যমতে, নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং জমে থাকা স্বচ্ছ পানি অপসারণের বিকল্প নেই। গত মৌসুমে দেশে যে পরিমাণ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছিল, তা স্মরণকালের রেকর্ড ভেঙেছে। ফলে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।
অভিযান চলাকালীন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি, সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসিফ আল জিনাত এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন। তাদের সঙ্গে যোগ দেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিনসহ স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ। স্থানীয় পরিবেশবিদ ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কেবল সরকারি উদ্যোগ নয়, বরং নাগরিক সচেতনতা ও ব্যক্তিগত আঙিনা পরিষ্কার রাখাই ডেঙ্গু জয়ের একমাত্র কার্যকর পথ।
ভবিষ্যতে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানকে কেবল একদিনের কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ না রেখে একটি নিয়মিত প্রক্রিয়ায় রূপান্তর করার ওপর জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। নিয়মিত মনিটরিং ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপজেলা প্রশাসন বদ্ধপরিকর। সামগ্রিকভাবে, সরকারি-বেসরকারি এই সম্মিলিত প্রয়াস ডেঙ্গু নির্মূলে একটি সফল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন। এই কর্মসূচির ধারাবাহিকতা বজায় রাখলে এলাকায় এডিস মশার প্রজনন উৎসসমূহ স্থায়ীভাবে ধ্বংস করা সম্ভব হবে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী নির্দেশিত দেশব্যাপী ডেঙ্গু নির্মূল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জে বিশেষ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে এক ব্যাপক জনসচেতনতামূলক ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। চলতি বছরের এডিস মশাবাহিত রোগের প্রকোপ মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সমন্বয়ে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসন এবং মশানিধন প্রক্রিয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার এই উদ্যোগটি স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।
গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ডেঙ্গুর মৌসুম এখন দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে এবং শহরতলি এলাকাগুলোতে সংক্রমণের হার উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সোনারগাঁ উপজেলা প্রশাসনের দেওয়া তথ্যমতে, নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং জমে থাকা স্বচ্ছ পানি অপসারণের বিকল্প নেই। গত মৌসুমে দেশে যে পরিমাণ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছিল, তা স্মরণকালের রেকর্ড ভেঙেছে। ফলে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ও গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হচ্ছে।
অভিযান চলাকালীন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি, সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আসিফ আল জিনাত এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন। তাদের সঙ্গে যোগ দেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক নিজাম উদ্দিনসহ স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ। স্থানীয় পরিবেশবিদ ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, কেবল সরকারি উদ্যোগ নয়, বরং নাগরিক সচেতনতা ও ব্যক্তিগত আঙিনা পরিষ্কার রাখাই ডেঙ্গু জয়ের একমাত্র কার্যকর পথ।
ভবিষ্যতে এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানকে কেবল একদিনের কার্যক্রমে সীমাবদ্ধ না রেখে একটি নিয়মিত প্রক্রিয়ায় রূপান্তর করার ওপর জোর দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। নিয়মিত মনিটরিং ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে উপজেলা প্রশাসন বদ্ধপরিকর। সামগ্রিকভাবে, সরকারি-বেসরকারি এই সম্মিলিত প্রয়াস ডেঙ্গু নির্মূলে একটি সফল দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন। এই কর্মসূচির ধারাবাহিকতা বজায় রাখলে এলাকায় এডিস মশার প্রজনন উৎসসমূহ স্থায়ীভাবে ধ্বংস করা সম্ভব হবে।
পরি-কন্ঠ/মুয়াজ

আপনার মতামত লিখুন